মিস সায়লা এখন সমাজে একজন প্রতিষ্ঠিত
মানুষ । বয়স প্রায় ৪৭ এর কোঠায় পৌছেছে
তারপরও বিয়ে করেন নি । ঘর বাধেন নি কারও
সাথে । তাই বলে সমাজে আর দশটা মেয়ের মত
তিনি যে ঘর বাধার সপ্ন দেখেন নি তা নয় । তিনিও
সপ্ন দেখেছিলেন কাউকে নিয়ে । করেছিলেন
ছোট সংসার পাবার আশা । কিন্তু সবার যেমন সব
আশা পূর্ণ হয়না তেমনি তারও এই সপ্ন পূর্ণ
হয়নি । অথচ এটাই তার জীবণের সবচেয়ে বড়
সপ্ন ছিল ।
তখন তিনি সবে মাত্র ভার্সিটিতে ভর্তি হয়েছেন
। রোজ খেয়াল করতেন তার ক্লাস এরই একটি
ছেলে প্রতিদিন তাকে লুকিয়ে লুকিয়ে দেখে, কথা
বলার চেষ্টা করে ।ছেলে বন্ধুদের দিয়ে খোজ
নিয়ে জানতে পারে ছেলেটার নাম নিলয় । প্রথম
প্রথম নিলয়ের তাকানোটা খারাপ লাগলেও
আস্তে আস্তে সায়লারও নিলয়কে ভাল লাগতে
লাগল । কিন্তু নিলয় যেন আর এগুতেই চায় না ।
একদিন সায়লা নিজের থেকেই প্রথম কথা বলে।
এই যে, আপনি-
-জ্বী আমি ?
হ্যা, আপনি কি সমস্যা আপনার ? কিছু বলবেন ?
_কই নাতো
তাহলে এইভাবে তাকিয়ে থাকেন কেন ?
_আসলে একটা কথা ।
কি কথা ?
_না মানে আসলে আমি যাকে ভালবাসি, আমি জানি
সে বুঝে যে আমি তাকে ভালবাসি , তারপরও সে
বুঝেও বুঝে না ।
আপনি কি বলতে চাইছেন ।
_আসলে আমি আপনাকে ভালবাসি । আপনি
আমাকে ভালবাসেন তো ?ছেলেটার সরলতায়
সায়লার ভাললাগাটা
ভালবাসায় পরিণত হয়ে গিয়েছিল এতদিনে।সায়লা
তার কথায় শুধু মাথাটা নেড়ে সম্মতি জানায়।
এরপর অনেকটা দিন প্রায় ১ বছরের মত ওদের
সম্পর্কটা ছিল।এর মধ্যে অনেক দুষ্টু মিষ্টি
মুহূর্ত রয়েছে যা জীবনে কখনও ভুলার মত নয়।
কিন্তু কিছু দিন পরেই সায়লার বাড়িতে
সব জানতে পারে ।কিন্তু নিলয় বেকার বলে তারা
সায়লার সম্পর্কে সম্মতি না দিয়ে ওর অন্য
কোথাও বিয়ের ব্যাবস্হা করে।নিলয়কে কথাটা
জানালে ঠিক হয় ওরা পালিয়ে বিয়ে করবে।সেদিন
ভার্সিটিতে যাওয়ার কথা বলে সায়লা বাসা থেকে
বের হয়েছিলো এমনকি সন্ধ্যার পরও অপেখা
করেছে সেখানে কিন্তু নিলয় আসেনি।তারপরও
কিছু দিন অপেখা করেছিলেন মিস্ সায়লা নিলয়ের
জন্য।তারপর আর নয়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




