somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বাংলাদেশীদের জন্য পাসপোর্ট ও ভিসার ফি পরিশোধ অনলাইনে

০৯ ই জুলাই, ২০১৪ রাত ১২:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলাদেশীদের জন্য পাসপোর্ট ও ভিসার ফি পরিশোধ অনলাইনে
॥ বাংলাদেশের মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরপি) ও মেশিন রিডেবল ভিসার (এমআরভি) ফি এখন অনলাইনে পরিশোধ করা যাচ্ছে।
গত সোমবার থেকে পাঁচটি বেসরকারি ব্যাংক এই সেবা চালু করেছে। ব্যাংকগুলো হলো- ব্যাংক এশিয়া, ঢাকা ব্যাংক, ওয়ান ব্যাংক, প্রিমিয়ার ব্যাংক ও ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড।


প্রাথমিকভাবে রাজধানীর আগারগাঁও আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের জন্য এই সেবা দিচ্ছে ব্যাংকগুলো। পর্যায়ক্রমে দেশের ৬৭টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে এই সেবা চালু করা হবে। এর আগে অবশ্য সশরীরে গিয়ে পাসপোর্ট ও ভিসা ফি জমা দিতে হতো রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে। কেবল সংশ্লিষ্ট শাখায় গিয়ে এই ফি জমা দিতে হতো। এখন এই পাঁচটি বেসরকারি ব্যাংকের যে কোনো শাখা থেকে অনলাইনে ফি পরিশোধ করা যাচ্ছে।
এমআরপি ও এমআরভি ফি অনলাইনে জমা দেওয়ার লক্ষ্যে গত ৪ ডিসেম্বর অভিবাসন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের (ডিআইপি) সঙ্গে আলাদা আলাদা চুক্তি করে ওই পাঁচটি ব্যাংক। আগারগাঁওয়ে ঢাকা বিভাগীয় পাসপোর্ট অফিসের পরিচালক মুন্সি মুঈদ ইকরাম বলেন, “অনলাইনে ফি জমা দেওয়ার কাজটি ভালভাবেই শুরু হয়েছে। গত দুই দিনে বেশ কিছু ফি জমা পড়েছে।”
তিনি আরও বলেন, এই সেবা দ্রুত সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়া হবে, এতে করে গ্রাহকদের ভোগান্তি অনেকটাই কমে যাবে।
এদিকে সরকারের সাথে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী চলতি বছরের ১৬ জুন থেকে সারাদেশে এই সেবা চালুর কথা থাকলেও পাসপোর্ট অধিদপ্তর গুছিয়ে উঠতে না পারায় প্রাথমিকভাবে শুধু আগারগাঁও আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে এই সেবা চালু হয়েছে।
কেনও কেবল এক এলাকা কেন্দ্রীক এই সেবা জানতে চাইলে ব্যাংক এশিয়ার উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আরফান আলী এক সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, “অন্য চারটি ব্যাংকের সঙ্গে আমরাও সোমবার থেকে এই সেবা শুরু করেছি। প্রাথমিকভাবে আগারগাঁও আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে এই সেবা দেওয়া হচ্ছে। প্রথম দিন বেশ কয়েকটি লেনদেনও হয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, পর্যায়ক্রমে সারা দেশের ৬৭টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসে এই সেবা চালু করা হবে, এক্ষেত্রে গ্রাহকদের ভোগান্তি অনেকাংশে কমে আসবে।
এদিকে এশিয়া ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, তারা এজেন্ট ব্যাংকিয়ের মাধ্যমেও এই সেবা দেওয়ার চেষ্টা করছে।
সাধারণ বাংলাদেশী পর্যায়ে এমন সুযোগ করে দেয়াতে পাসপোর্ট এবং ভিসা সম্পর্কিত বিষয়সমূহ এখন আগের চেয়ে অনেক দ্রুত হবে বলেই সবাই প্রত্যাশা করেছেন।
সুত্র -
Department of Immigration & Passports, Bangladesh
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অভিনব প্রতারনা - ডিজিটাল প্রতারক

লিখেছেন শোভন শামস, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:১৮



একটি সাম্প্রতিক সত্য ঘটনা।
মোবাইল ফোনে কল আসল, একটা গোয়েন্দা সংস্থার ছবি এবং পদবী সহ। এই নাম্বার সেভ করা না, আননোন নাম্বার। ফোন ধরলাম। বলল আপনার এই নাম্বার ব্যবহার করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আগে নিজেকে বদলে দিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪১



"আমার স্বামী সংসারের কুটোটাও নাড়ান না। যেখানকার জিনিস সেখানে রাখেন না। মুজা খুলে ছুঁড়ে যেখানে সেখানে ফেলে দেন। নিজেকে পরিষ্কার রাখতে বারবার ভুল করেন! এতো বছর বিবাহিত জীবন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৪:২৪



একসময় আমাদের গ্রামটা খাটি গ্রাম ছিলো।
একদম আসল গ্রাম। খাল-বিল ছিলো, প্রায় সব বাড়িতেই পুকুর ছিলো, গোয়াল ঘর ছিলো, পুরো বাড়ির চারপাশ জুড়ে অনেক গাছপালা ছিলো। বারো মাস... ...বাকিটুকু পড়ুন

×