মৃত পিয়াস করিমের শ্রদ্ধা নিবেদনে বাঁধা দেওয়া কোন চেতনা হতে পারে না। মৃত পিয়াস করিম এই দেশের সন্তান। মতামত প্রদান করা কোন অপরাধ হতে পারে না। এই ক্ষেত্রে মুক্তিযুদ্ধের নাম করে বরং মহান মুক্তিযুদ্ধকে ছোট করা হচ্ছে। ড. পিয়াস করিম একজন উচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তিত্ব। সুতারং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় রেখে ওনাকে শ্রদ্ধা জানানো খুবই স্বাভাবিক বিষয।
চেতনার ফেরিওয়ালা শাহবাগ কেন্দ্রিক তথাকথিত গনজাগরনের হিম্মত এই জাতি ইতিমধ্যে লক্ষ করেছে। কি চেতনা তারা ধারন করে এই জাতি ইতিমধ্যে লক্ষ করেছে। পুলিশের সামান্য টিয়ার গ্যাস সার্চে ইমরান এইচ সরকার চিৎপটাং হয়ে গেল,আর পেছন থেকে পালিয়ে গেল লক্ষ লক্ষ ছাত্রজনতা (!)। ইমরান আহত হল অথচ গনজাগরনকে খুজে পাওয়া গেল না। এই হল আমাদের নতুন প্রজন্মের মুক্তিযোদ্ধাদের অবস্থা। বীর মুক্তিযোদ্ধারা এই দেশ স্বাধীন করেছেন বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে। অথচ এরা কোন ধরনের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারক বাহক? ইমরান সরকারকে ইতিমধ্যে গনজাগরন নেতা বাপ্পা দিত্য বসু নেশাখোর,চাঁদাবাজ বলে আখ্যায়িত করেছেন। অথচ এই নেশাখোরের নেতৃত্বে মাসের পর মাস রাস্তা বন্ধ করে শত শত রোগীকে কষ্ট দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে তামাশা করা হয়েছে। সরকার দুধ কলা যতদিন দিয়েছে ততদিন এই মঞ্চ ছিল। সরকার দরকার ফুরিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে এই মঞ্চ গুটিয়ে নেওয়া হয়েছে। ভবিষ্যতে আবার প্রয়োজন হলে আর্বিভাব হবে হয়তো। বিশ্বের যত গনজাগরন হয়েছে সবই সরকারের বিরুদ্ধে হয়েছে। অথচ শাহবাগের গনজাগরনের বিরুদ্ধে সরকার গিয়ে সামান্য টিয়ার শেল সার্চ দিতেই সবাই পালিয়ে গেল।কুখ্যাত সাঈদীর রায়ের বিরুদ্ধে কেন এই মঞ্চ আন্দোলন করতে পারল না ? সুতারং স্বার্থকেন্দ্রিক হয়ে,কোন পক্ষের বেনিফিশিয়ারী হয়ে, আবেগ তাড়িত হয়ে কিছুটা সময় লাফালাফি করাকে চেতনা বলা যায় না। তবে এটাঁকে বিনোদন বলা যায়।
ঠিক একই ভাবে ড.পিয়াস করিমকে নিয়ে তথাকথিত মুক্তিযুদ্ধের চেতনার নামে নতুন নতুন কিছু সংগঠনকে লেলিয়ে দিয়ে, বিনোদনের উপাদান হিসেবে,কুৎসিৎ আনন্দ উল্লাসের ট্রপিক্য্র বানিয়ে,কোন না কোন পক্ষের রাজনীতিক স্বার্থচরিতার্থ করার জন্যই তার শ্রদ্ধা নিবেদনে বাধা দেওয়া হচ্ছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


