আচিপ মহিষউদ্দিন (আসিফ মহিউদ্দিন) নামক জানোয়ারটা পবিত্র কাবা'র উপর রেইনবো কালারের ইফেক্ট দিয়ে শেয়ার করেছে। রেইনবো কালার হচ্ছে সেইসব বিকৃত মস্তিষ্কের লোক তথা সমকামীদের বিবাহ আইন পাশের প্রতীক।
কাবা অবমাননা কর ছবিটি শেয়ার করে অনেকেই তার প্রতিবাদ করছেন। ব্যাক্তিগত ভাবে আমি আচিপ মহিষউদ্দিন নামক জানোয়ারটাকে ফলো করিনা। আপনাদের শেয়ারেই কিন্তু ছবিটা আমি দেখেছি এবং আমার ধর্মানুভূতিতে খুবই আঘাত লেগেছে।
এই সেই আচিপ মহিষউদ্দিন যে মহানবী (সঃ) কে নিয়ে কুটুক্তি করেছিলো। তারপর নামে মাত্র গ্রেপ্তার হয়ে জামিনে বের হয়ে এখন জার্মানি তে হাওয়া খাচ্ছে।
এই জানোয়ারটা কিছুদিন পূর্বেই পবিত্র কোরআনের উপরর কফির মগ রেখে ছবি আপ্লোড করেছিলো।
আপনারা ফেসবুকে সেইসব ছবি শেয়ার করার মাধ্যমে তার বিচার চাইছেন?
তাও বাংলাদেশের আদালতে, যেখানে "এটাই কি পাখি ড্রেস? " লিখে প্রধান মন্ত্রির ফটোতে কমেন্ট করায় দীর্ঘমেয়াদি সাজা হয় কিন্তু মহানবী (সঃ) কে নিয়ে কুটুক্তি করলে কিছুই হয়না। সেখানেই তো চাচ্ছেন?
আমাদের ধর্মানুভূতিতে আঘাত লাগায় আমরা কষ্ট পাচ্ছি দেখেই সে আরোও বেশি করে অবমাননা করছে। আর তার জীবিকা নির্বাহই হচ্ছে ইসলাম অবমাননা করে। পাবলিক তার পোষ্ট গুলো গিলছে দেখেই সে আরোও বেশি করে অবমাননা করছে।
আমার প্রশ্নটা হচ্ছে সেইসব মুসলমান ভাইদের প্রতি যারা এই ছবিগুলো শেয়ার করেন, এসব ছবি শেয়ার করে তো আপনি কোনো বিচার পাবেন না। ছবি শেয়ার করে যৌক্তিক প্রতিবাদ করছেন। আদৌ কি সে এসব দেখবে? আপনি তার ফটোতে কমেন্ট করে দেখেন সে আপনার কমেন্ট কেটে আপনাকে ব্লক করে দিবে।যার মাথায় শুকরের বিষ্টা ছাড়া আর কিছু নেই সে কিভাবে আপনার সাথে বিতর্কে করবে। তাহলে আপনি শেয়ার করার মাধ্যমে আমার এবং অন্যান্য সাধারণ মুসলমানদের ধর্মানুভূতিতে আঘাত কেনো হানছেন?
আমরা যদি এদের ইগ্নোর করতাম তাহলে এমনিতেই পাগলা কুত্তার ঘেউ ঘেউ বন্ধ হয়ে যেতো।
এগুলো আসলে নাস্তিকতা না । নিজেকে আধুনিক মনে করার নামে ভন্ডামী আর ধর্ম বিদ্বেষী কাজ ছাড়া আর কিছুই না।
সর্বশেষ এডিট : ২৯ শে জুন, ২০১৫ দুপুর ১২:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

