somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শিশুশ্রম এবং আমরা

১২ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১:৫৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

শিশুশ্রম আইনতঃ দণ্ডনীয়। আমাদের দেশে "আইনতঃ দণ্ডনীয়" কথাটা নিজেই একটা বিরাট গোলক, গোলকের ধাঁধাটা যে কত বড় তা আর এযাবত কারও মাথায় এঁটেছে কি না বলা যায় না। আত্মহত্যা করার চেষ্টাকারী কেউ ধরা পড়লে আইন অনুযায়ী তার জরিমানা হয় নগদ দশ হাজার টাকা!! যে বাঁচার পথ না পেয়ে মরে গিয়ে বেঁচে যাওয়ার চেষ্টা করছে, সে দশ হাজার টাকা কোথায় পাবে?? বুঝুন অবস্থা! বেচারা নির্ঘাত বলবে, বাবারা, দশ হাজার টাকা জরিমানার চাইতে আমার তো মরণই ভালো ছিল!
দশ লাখ টাকা ঘুষ খাওয়া ব্যক্তির আদালতে জরিমানা হয় তিনশো টাকা!! বুঝুন অবস্থা!!! যে লাখ লাখ টাকা ঘুষ খেয়ে পেট ফুলিয়ে ঢোল করছে, তাকে তিনশো টাকা জরিমানা দিয়ে একদম জনমের তরে শিক্ষা দিয়ে দেবার উপায় বাতলেছে আদালত!!!

যাইহোক, লেখার শুরুতেই এই গোলক ধাঁধা নিয়ে সংলাপ আরম্ভ করলে আমার মূল লেখা তার উদ্দেশ্য হারাবে। শিশুশ্রম আইনতঃ দণ্ডনীয়; এই দণ্ডটা কার উপর তা আমি নিজেও জানি না। যে শিশু শ্রম দিচ্ছে, সে দিচ্ছে পেটের দায়ে, তার কাজ বন্ধ করলে সে খাবে কী?
তাহলে দণ্ড কার? তার অবিভাবকের? পথশিশুর আবার অবিভাবক?? অথবা দণ্ডটা কাকে দেব? যে লোকটা একটা বাচ্চাকে কাজের সুযোগ দিয়ে দু'বেলা খাবার উপায় করে দিচ্ছে, তার???
বলিহারি হে!!

বাংলাদেশে শিশুশ্রম বন্ধের শ্লোগান চালু হয়েছে বছর পনের আগেই, কিন্তু শিশুর বেঁচে থাকার ব্যবস্থা করার শ্লোগান এক মহাপুরুষের বা মহানেত্রীরও গলায় আসেনি, না আসারই কথা।
আমি আবেগতাড়িত হয়ে একক কাউকে (হোক সে স্বয়ং সরকার) দোষ দিচ্ছি না, দারিদ্র্য নামক দুষ্টচক্রটির সেই যে প্রাচীন কাল হতেই আরম্ভ হয়েছে, তার ঘূর্ণিপাক থেকে বের হওয়া আমার লেকচার দ্বারা সম্ভব নয়। কখনও হয়নি, হবেও না নিশ্চিত। একটা জিনিস আসলে অনেক অনেক জিনিসকে প্রভাবিত করে, একটার অভাব বা ঘাটতি আরো অসংখ্য জিনিসের ঘাটতি সৃষ্টি করে, চেতনা ও রুচির উন্নয়ন আমি কখনই জ্ঞান বা শিক্ষার বদৌলতে অর্জন সম্ভব বলে মনে করি না, এটা আসলে কার কপালে কিভাবে আসে তা ঐশ্বরিক আজ্ঞা বলেই মনে হয়। অতএব, একজন পিতা বা মাতা, হোক সে দরিদ্র, তার সন্তান নিয়ে কী ভাবছে বা পরিকল্পনা করছে, তা একান্তই তার অভিরুচি বা পারিপার্শ্বিকতা হতে প্রভাবিত হবে। রিকশাওয়ালা প্রথম দিকে ছেলেকে স্কুলে পাঠিয়ে একদম জজ ব্যারিস্টার বানানোর বিকট স্বপ্ন দেখলেও দুবছরের মাথায় সেটা উধাও হয়ে যায়, খরচে পোষায় না, সন্তানকে কাজে পাঠায়।

আচ্ছা ঠিক আছে, খরচ লাগবে না, শিশুদের পড়ার খরচ তুলে নেওয়া হল, বিনামূল্যে পড়ার সুযোগ দেওয়া হল; তারপর?
একবেলা কাজে গেলে পঞ্চাশ টাকা আসে, সেই একবেলা কাজ বাদ দিয়ে ইশকুলে গেলে জজ ব্যারিস্টার হয় না ছাই, ওই পঞ্চাশ টাকা ইনকামটাও গোল্লায় যায় আর কি!
এই দৃষ্টিভঙ্গিটা আমার নয়, বুঝতেই পারছেন, একজন বস্তিবাসী পিতার বা মাতার। এখানে যুক্তি তর্ক আর লেকচার দিয়ে তাদের পেটের চিন্তা সাঙ্গ করা সম্ভব কি?
সরকার পারেনি যা, তা আমার প্রবন্ধ পারবে, সে আশা করার মত কল্পনাবিলাসী আমি নই। কবিতায় লিখেছিলাম যে, আমরা প্রত্যেকেই আমাদের স্ব স্ব কক্ষপথে আবর্তন করছি, সে আবর্তন রাতারাতি বদলাবার শক্তি মহাকালেরও নেই। হয়, খুবই ধীরে ধীরে, হাজারে একজনের কপালে বড়জোর, একজন আব্রাহাম লিংকন ঘরে ঘরে রোজ রোজ মাথচাড়া দিয়ে ওঠে না, তবে এটা আমি নিশ্চিত জানি যে, একজন লিংকন বা একজন শেরে বাংলা পৃথিবীর প্রতিটি মায়ের গর্ভেই রোজ রোজ জন্ম নিচ্ছে। আফসোস তারা বিকশিত হবার সুযোগ পায় না।

আমি সীমারের আত্মকথন নামক গল্পে একজন দূরদৃষ্টিসম্পন্ন পিতার চিত্র এঁকেছিলাম, যেখানে একজন বাবা সন্তানের ভরণপোষণের আর ভবিষ্যতের আগাম ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করার আগ পর্যন্ত কোন সন্তান জন্ম দেওয়া হতে বিরত থাকার প্রতিজ্ঞা করে। এরকম বাস্তবে কজনে কতটা করে আমার জানা নেই। এটুকু জানি যে, দরিদ্র বাবাগুলো এই প্রস্তুতির ব্যাপারে কখনই ভাবে না। তাদের চিরন্তন প্রবাদ "মুখ আল্লায় দিলে খাওয়াবেও আল্লায়"!! আল্লাহ খাওয়ায় বৈকি, আল্লাহর নামে ভিক্ষা করে খেতে হয় সেই অপরিকল্পিত জন্মলব্ধ মানব শিশুর বিরাট এক অংশকে।

মানিক বন্দোপাধ্যায়ের প্রাগৈতিহাসিক কিংবা বনফুলের গল্পে বোধহয়, দেখান হয় যে, একজনের যৌবন এবং অপরজনের ব্যধিই তাদের ভিক্ষাবৃত্তির মূল সম্বল। আর শিশুদের বেলায় ইনভেস্টমেন্ট বা বিনিয়োগ হচ্ছে অঙ্গ কর্তন! আপনারা নিশ্চয়ই এই নির্মম সত্যটা জানেন। কেবল বেশি ভিক্ষা পাবার উদ্দেশ্যেই দিন দিন অসংখ্য শিশুর হাত বা পা রেল লাইনে নিয়ে কেটে ফেলা হচ্ছে!! আর যে শিশু জন্ম হতেই বিকলাঙ্গ বা প্রতিবন্ধী, সে তো সরাসরি ভগবানের আশীর্বাদ স্বরূপ; ভিক্ষা করার লাইসেন্স তাকে স্বয়ং ঈশ্বরই দিয়ে পাঠিয়েছেন! ব্যবসায় হিসেবে ভিক্ষাবৃত্তি যে কতটা লাভ জনক তার ব্যাখ্যা দিয়ে আর জল ঘোলা করতে চাই না। আমার মূল প্রসঙ্গ থেকে হারাইনি আমি, ভিক্ষাবৃত্তির সঙ্গে আমার প্রসঙ্গের বিশেষ যোগসূত্র আছে। ফাঁকে একটু অন্য কথা বলি, Siddika Rumpa'র একটা শিশুশিক্ষার মহান কার্যক্রম সম্পর্কে আমি জানি, সেখানে বস্তিনিবাসী বাচ্চাদেরকে বিনামূল্যে পড়ান হয়। সে বাচ্চাদের অনেকেই শিশুশ্রমের সঙ্গে জড়িত, এবং অবসরে লেখাপড়া করে। আমি বাহবা দেই এইসব এডিসন, লিংকনদের, যারা পড়তেও চায়, আবার কাজও করতে চায়। এরা জীবনের মূল্য বুঝুক, মহাসোপানের পথটা খুঁজে নিতে সক্ষম হোক- এ কামনা নিরন্তর। রুম্পাদের ইশকুলে বাচ্চাদের ঠিক কিভাবে কী শেখান হয় বা পড়ান হয় আমি এখনও গিয়ে দেখতে পারিনি। যাব শীঘ্রই, আমার কিছু পরিকল্পনা আছে, দেখি, শিক্ষা কার্যক্রমে সেগুলো যোগ করা যায় কিনা!

আরেকটা ভিন্ন কথা জুড়ে দিয়েই আমি আমার এই এলোমেলো কথাগুলোকে এক করে ক্ষান্ত হতে চাইছি, টিএসসি চত্বরে একদিন বসে আছে Drothi Chowdhury
। হঠাত একটি বাচ্চা এল লজেন্স বিক্রি করতে। বেচারা ভিক্ষা করছে না, লজেন্স বেচে পয়সা উপার্জন করতে চাইছে, ভালো নয় ব্যাপারটা?
কিন্তু ছেলেটির লজেন্স কেউ কিনছে না! ড্রথি তখন উঠে গিয়ে ছেলেটিকে সাথে নিয়ে একেকটি বসে থাকা জটলার দিকে গেল এবং তাদেরকে লজেন্স কিনতে অনুরোধ করল। মুহূর্তেই সব লজেন্স বেচা শেষ।

গাড়িতে মাঝে মধ্যে এমন কিছু বাচ্চা আসে লজেন্স বেচতে। যাত্রীদের প্রত্যেকের কোলে একটি করে লজেন্স রেখে যায় এবং নামার সময় হয় টাকা নয়ত লজেন্স ফেরত নিয়ে যায়। ক'জনে কেনে আমি জানি না, তবে আমি কিনি। ভিক্ষা তো করছে না, জীবিকার ব্যবস্থাই করছে ছোটখাট ব্যবসায়েরই মাধ্যমে!
অনেক পত্রিকা ফেরি করা বাচ্চাও দেখি, অনুনয় করে বলে, স্যার, লাস্ট পিস, কেনেন স্যার, বাইত যামু।
কিংবা বলে, ভাই, একটাও বেচতে পারি নাই, কেনেন না একটা!
আমার ইচ্ছে করে ওদের সবগুলো কিনে নিই, অবশ্য অত নাটকীয়তা হয়ে ওঠে না আদতে। তবে আমি কিনি। পত্রিকা আমি পড়ি না, তবুও কিনি।

আপনারা কেনেন কি?? বলুন কেনা কি উচিত নয়? কয় টাকাই বা যায়? ভিক্ষা তো দিচ্ছেন না, বিনিময়ে একটা পত্রিকা পাচ্ছেন, একটা লজেন্স পাচ্ছেন, নয়ত এক গোছা ফুল পাচ্ছেন, ক্ষতি কী, যদি এতে ওই পথশিশুটির একবেলা খাবারের ব্যবস্থা হয়???

শিশুশ্রম বন্ধ হয়নি, হবে কিনা জানি না, তবে যে শিশুটি বেঁচে থাকার যুদ্ধে বিক্রয় নামক ছোট্ট ব্যবসায় আরম্ভ করেছে, তাকে আমরা কেন সুযোগ দেব না বেঁচে থাকার??
দারিদ্র্য পৃথিবী থেকে নিশ্চিহ্ন হবে না ঠিক আছে, কিন্ত প্রত্যেক পরিবারই তো উন্নতির চেষ্টা করে, করে না? পরিবর্তন আসবেই, হোক সে ধীরে ধীরে।

শেষ কথা বলি, আমি ঠিক করেছি, রুম্পার ইশকুলে গিয়ে ওদের কারিগরী শিক্ষার জন্য উৎসাহিত করব, আর যারা পড়ালেখার পাশাপাশি এরকম কাজ করে, তাদের জন্য একটি করে গেঞ্জির ব্যবস্থা করব, সে গেঞ্জিতে লেখা থাকবে,

ভিক্ষা চাই না, বাঁচতে চাই।

Not begging, let me live!

এরকম শ্লোগান নিয়ে সামনে দাঁড়ালে হয়ত আপনাদের মনে দয়া জাগবে, তবে আমি একা মানুষ বা আমার দেওয়া অল্প কয়টি গেঞ্জি তো পুরো শহরের মানসিকতা পাল্টাতে পারবে না, আপনারাও নাহয় নিজ নিজ পরিকল্পনা বা সামর্থ্য অনুযায়ী ওদের পাশে এসে দাঁড়ান। জনসেবা সবার সাজে না জানি, যাদের সাজে না, তাঁরা নিজেরা না পারুন, অন্তত অন্যদের উৎসাহ দিন।

শিশুশ্রম বন্ধ করতে না পারি, শ্রমের ধরন বা খাটুনি তো যুৎসই করতে পারি, তাই না??

পুনশ্চঃ-
১.
এটা কোন সাহায্য চাওয়া পোস্ট নয়। আপনার সাহায্য করার ইচ্ছে হলে আপনি আপনার মত করে আপনার এলাকায় সাহায্য করুনগে। আমাঞ্জা আপনার সাহায্যকে উৎসাহ দেবে, তবে আপনার সাহায্যের অংশীদার হতে আগ্রহী নয়। আর কোন ক্ষেত্র না পেলে রুম্পার ইশকুল তো আছেই। এবং উল্লেখ্য যে, আমি ওদের ইশকুলের জন্য চাঁদা দেবার আগ্রহ প্রকাশ করলে রুম্পা সেটা প্রত্যাখ্যান করেছে!

২.
কেউ আবার এই পোস্ট দেখে ভেবে বসবেন না যে, আমাঞ্জা এখন বাচ্চাদের দিয়ে পত্রিকা ব্যবসায় আরম্ভ করেছে :-D :-D
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই নভেম্বর, ২০১৫ রাত ১২:০২
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এটাই কি সামুর প্রথম পোস্ট?

লিখেছেন অধীতি, ১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৩১


https://www.somewhereinblog.net/blog/deborah/9
২০১৩ সালের দিকে ঢাকায় আসি। তখন মাত্র মাধ্যমিক পরীক্ষা শেষ করেছি। ঢাকায় এসে যেই বিষয়টা নেশার মত হয়ে যায় তা হলো বিভিন্ন জায়গায় কম্পিউটার চালানোর জায়গা ছিল। ডেমরা রানী মহল... ...বাকিটুকু পড়ুন

পদ্মা ব্যারাজের ডিজাইনার : খাল বাবা স্বয়ং

লিখেছেন অপলক , ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:১৮

আসন্ন বিসিএস পরীক্ষার কমন প্রশ্ন ফাঁস করে দিলাম। পদ্মা ব্যারাজের ডিজাইনার মহাপ্রতিভাবান খাম্বা/খাল বাবা। তিনি HSC ডিগ্রীধারী হলেও তার প্রতিভা আকাশচুম্বী। রবিঠাকুর বা নজরুলের সাথে তার কোন তুলনা হয় না।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগ ডেভেলপমেন্টে করণীয় কি?

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১:৪৬



গত কয়েক বছর ধরে সামহোয়্যারইন ব্লগ সহ দেশের সকল পত্রিকা ও টিভি চ্যানলে রাজনৈতিক লেখা বেশি আসছে যা সকলের কাছে ভালো লাগার বিষয় না। রাজনীতি ভালো লাগবে শুধুমাত্র জেনজি’দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফ্যাসিবাদ মোকাবেলায় এআই প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সরকার

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ২:৫৬


ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করা গেছে, কিন্তু পুরোপুরি নির্মূল করা যায়নি। অন্তত প্রযুক্তির দিকে তাকালে এমনটাই মনে হচ্ছে। যে আওয়ামী লীগ এতদিন মানুষের ভোট, মতামত, রাজপথ, রাষ্ট্রযন্ত্র সবকিছুর ওপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা... ...বাকিটুকু পড়ুন

"টোকাই থেকে হিরো"

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ১৩ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১৬



টোকাই থেকে হিরো! বাংলা ছবির  অশ্লীল যুগে মুক্তি পাওয়া এক ঢাকাইয়া চলচ্চিত্র। ছবিতে প্রেক্ষাপটে অনেকটা এইরকম - বস্তিতে বেড়ে উঠা; মানুষের লাথি- উষ্টা খেয়ে বড় হওয়া এক টোকাই (ছবির... ...বাকিটুকু পড়ুন

×