somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কুইজ/সিটি!!!!!

০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ১০:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রায় সব বিশ্ববিদ্যালয়েই প্রত্যেক সেমিস্টারেই এই পরীক্ষাগুলো হয়ে থাকে।বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ুয়া একজন ছাত্র বা ছাত্রীই কেবল জানে এটার পেরা কতটুকু।

এই পরীক্ষার একটা লক্ষ্যনীয় বিষয় হচ্ছে টানা চারটা বা পাঁচটা ক্লাসের পরে একটা করে সিটি হয়।সেমিস্টারে শুরুতেই দুই সপ্তাহ ক্লাস করলেন, একটু আয়েশী মেজাজে চললেনতো ধরাটাও খাইলেন।কারন তিন নাম্বার সাপ্তাহে গিয়ে দেখবেন আপনার ওই সেমিস্টারের প্রত্যেক টা কোর্সেরই সিটি দিতে হবে।ভাগ্য খারাপ হলে তার লিমিট থাকেনা,সেটা টেনস টু ইনফিনিটি হতে বাধ্য।কারন কারো কারো একইদিনে তিনটা বা চারটাও সিটি দেওয়া লাগে।
এটা পুরাটা সেমিস্টার ধরেই চলতে থাকে।আপনি যখন একটু হাফ ছেড়ে বাচার চেষ্টায় তখন দেখবেন আবার আর একটা সিটি সম্বলিত সপ্তাহ আপনার দরজায় কড়া নাড়ছে।আলটিমেটলি পুরাটা সেমিস্টারেই চলে এই অসহ্য মানসিক নির্যাতন।
এই পরীক্ষার একটা অলিখিত দলিল আছে যেটা সব জায়গাতেই মানা হয়।বেস্ট ৩ বা ৪ টা কাউন্ট!!!!

এইখানে জাতি দুই ভাগে বিভক্ত।ভালো ছাত্রছাত্রীরা আরো একটু বেশী ভালোর জন্য সবগুলো সিটিকেই প্রাধান্য দেয়।তারাই আসলে ভালো করে।

আর আমার মত কিছু অতিব ভালো ছাত্র :P আছে যাদের কাছে কাউন্টের মানে একটাতে খারাপ করলে তেমন কিছু হবেনাহ।বাঁশের শুরু আসলে এখান থেকেই।

প্রথমটাতে তো মাত্র শুরু পরের গুলোতে দেখিয়ে দিমু।তাই প্রথমটা বাদ পরের গুলো যোগ করার ব্যাবস্থা করুম।
২য় টার প্রশ্ন একটু হার্ড হইছে।কুনো ব্যাপার না,এটাতে সবাই খারাপ করছে।আর আপনার আগের সিটি টাতেই ভালো ছিল।তাইলে ওইটাই ধরে রাখেন আর মিড ফাইনাল দিয়ে কাভার করার চিন্তা করেন।ব্যাস প্লানিং তো হয়েই গেলো।
এবার তিন নাম্বারে দেখলেন একদিনে তিনটা বা চারটা সিটির সেইরকম একটা দিন।ভাগ্য খারাপ থাকলে যা হয় আরকি।আপনের আর কি দোষ বলেন!! যা হওয়ার তাই হবে।কুনোরকম দিয়া আসলেন আর টার্গেট চার নাম্বারটার উপর রাখলেন।
এবারতো চার নাম্বার সিটি!!!আপনিতো ভালো করবেনই।কিন্তু ফেকাল্টি আপনার ভালো চায় না।একেতো সিটি সাথে একটা এসাইনমেন্টও দিতে হবে।বুঝেন ঠেলা!!!!ভাগ্য খারাপ থাকলে যা হয় আরকি।দেখবেন যে তারপরের দিন আরেকটা কোর্সের আবার প্রেসেন্টেশানও আছে।ভাগ্যা অতিমাত্রায় খারাপ দাদা।এই কোর্সে কুনো গ্রেডের দরাকার নাই পাশ করাই আসল ব্যাপার।ফাইনালটা ভালো দিয়ে কুনো রকম একটা গ্রেড নিয়ে পাশ করার কথাটা মাথায় গেথে ফেলুন।

তাইলে আপনার বেস্ট কুনগুলো??!!!খুজে পাচ্ছেন্না কুনো ব্যাপার নাহ।আপনার সিজিপিএ কুনো কালেই সিটির উপর নির্ভর করেনি।সিটিতে একটা কিছু থাকলেই চলবে।বাকিটা ফাইনালে দেখিয়ে দিবেন।আর আপনার ফাইনালটাতো ইতিহাস।

সেমিস্টার ফাইনাল বড় কুনো ঝাড়ের বাঁশ হইলে সিটি সপ্তাহ তার ধারে কাছের কুনো এক জঙ্গলের বাঁশ ছাড়া আর কিছু নয়!!!ছোট হোক বড় হোক বাঁশের মত বাঁশ একটাই যথেষ্ঠ।

ও আর একটা জিনিস,
‪মিসিং সিটি‬, দেখছেন আমিও মিস করে গেছি।কুনো একটা সিটি মিস না করলে কি আপনি সেমিস্টার শেষ করতে পারবেন??!!কেমনে কি!!!

শিক্ষাঃকুইজ মানেই পাশাপাশি বসে পরীক্ষা দেওয়া নয়!!!
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মক্কা থেকে বদর: মুসলিম ভ্রাতৃত্বের ভূরাজনীতি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৪৫


মুসলিম বিশ্বে ঐক্যের নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। অন্তত চুক্তিগুলোর নাম শুনলে তেমনটাই মনে হয়। মক্কা ও বদর। মুসলিম ইতিহাসের দুটি পরিচিত নাম। নাম শুনে মনে হতে পারে, বহুদিনের বিভেদ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মোন্মাদদের কল্পিত বাস্তবতা: "দি ম্যাট্রিক্স" এবং নীল বড়ি

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:১৭


বাংলাদেশ ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গিদের কবলে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধম্যের কল্যানে এই ধর্মোন্মাদনা দাবানলের মতো সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে।

ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে, কদিন আগে সাতক্ষীরায় একদল ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গি ওয়াহিদুজ্জামান শামীম... ...বাকিটুকু পড়ুন

যারা ব্রয়লার মুরগী খায় তারা সমকামী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩


ওয়াজ শোনেন অথচ মুফতি কাজী ইব্রাহিম হুজুরকে চেনেন না, এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। হুজুরের আরেকটি বড় পরিচয় হলো, তিনি করোনার ওষুধ স্বপ্নে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। হুজুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেইপ শিফটার ৩ - মাছ কন্যা

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


২০১১ এর দিকে নর্থ –ইয়র্কে থাকাকালীন রুমার বাসার আশেপাশে তেমন কোন বাঙালি দোকান ছিল না ।সেই টরোন্টর নামকরা চাইনিজ সুপারমার্কেট –টা বেশ দূরে। পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথ নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে পথ ধরে রথো রাফি হেঁটে যেতেন: চলে গেলেন ব্লগার রাফি

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৩

কবি, ব্লগার ও অনুবাদক রথো রাফির স্মরণ
রথো রাফি ব্লগ
রথো রাফি আর নেই—সত্যটি মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন। একজন মানুষের চিরপ্রস্থানের পর আমরা কেবল তার শারীরিক অনুপস্থিতিই টের পাই না, বরং গভীরভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×