যাচ্ছেতাই
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৭ দুপুর ১২:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
অবশেষে ৪০০তেও এসে গেলাম। ভেবেছিলাম ৩১ জানুয়ারী ব্লগে আমার বর্ষপূর্তীর দিনে ৪০০ নম্বর পোস্ট ঝেড়ে দেবো। হলো না। সময় করে উঠতে পারছিলাম না বলে ব্লগ থেকে সাময়িক বিদায়ের একটা পোস্টও দিয়েছিলাম। আজ ঘটনাচক্রে দুপুর থেকে ফ্রি। একটু আগে লগ ইন করে প্রতিশ্রুতি মোতাবেক সেই পোস্ট মুছলাম। গতকাল সকালে বিডিনিউজ ২৪ এর একটা খবরে মন ভালো হয়ে গিয়েছিল - তার প্রতিক্রিয়া লিখে দেখলাম পোস্ট সংখ্যা ৩৯৯। সামহোয়ার এ পুরো বছর গড়িয়ে এই ৪০০ টুকরা যাচ্ছেতাই।
২০০৬ সালে কি করেছি হিসেব নিলে ব্লগিং ছাড়া আর তেমন কিছু পাওয়া যাবে না। আর ব্লগেও দু-চারটে কবিতা নামধারী প্রলাপ ছাড়া কিছুই লেখা হয় নি। মাছিমারা বলবো না একে মাছি মারা বেশ কঠিণ কাজ। কি করেছি তবে গত একটা বছর? বসে বসে ব্লগ পড়েছি। এমনও হয়েছে ব্লগ খুলে সারাদিন বসে আছি কিছুই লিখিনি। এমনকি কোন মন্তব্যও করা হয়নি। তবুও খুলেছি। কম্পিউটার অন করেছি অথচ ব্লগে ঢুকিনি এরকম মনে হয় গত একবছরে র্সবোচ্চ ৫/৬বার ঘটেছে। কারো বাসায় বেড়াতে গিয়েও একই অবস্থা। বন্ধু-বান্ধবকে এখনো প্ররোচনা দিয়েই যাচ্ছি ব্লগানোর। অনেকে বেশ বিরক্ত। তাতে অবশ্য আমার উৎসাহে ভাঁটা পড়েনি।
ব্লগের আর্কষণটা আসলে কোথায়? কেন দিনের পর দিন পৃখিবীর লক্ষ লক্ষ ওয়েবসাইট ফেলে এখানে পড়ে আছি? নিজেকে এই প্রশ্নগুলো বহুবার করেছি। একটা ব্যাপার হচ্ছে প্রবাসে বসে দেশের মধ্যে ঢুকে যাওয়া। তবে সবচাইতে স্ট্রাইকিং মনে হয় যেটাকে, এখানে একই সঙ্গে অনেকের সাথে মিশে যাওয়া আর অনেকের মাঝে নিজেকে আলাদা করে দেখবার সুযোগ রয়েছে। নিজেই কথা বলা যায় নিজের সাথে। কেউ বাধা দেয় না। আবার আলোচনা সমালোচনা হুড়োগুড়ির মধ্যে ভার্চুয়াল জ্ঞাতিত্ব গড়ে ওঠে। শোমচৌ যাকে বলেছেন ব্লগসমাজ গড়ে ওঠার প্রক্রিয়া - এই আর্কষণ সহজে কাটিয়ে ওঠার নয়। এই নেশায় ক্ষতি বলতে সময়। প্রচুর সময় খেয়েছে এবং খেয়েই যাচ্ছে। আরো খাবে।সপ্তাহ দুয়েক আগে হঠাৎ ফ্রন্ট পেইজ হাওয়া হয়ে যাওয়ায় ভেবেছিলাম পাট উঠলো বোধহয়। ওঠেনি। তাই আছি। থাকবো যতদিন যে স্বাধীনতাটুকুর লোভে রয়ে গেছি তাতে রাষ্ট্রের তলোয়ার না পড়বে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৮ রাত ৩:৩৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
লিখেছেন
জুল ভার্ন, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১৩
ফিরে এসো অনুরাধা, ভেঙে দিয়ে সব বাঁধা....
শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন- ফিরতেই পারেন। তবে প্রশ্ন হলো, কীভাবে এবং কোন উদ্দেশ্যে?
বাংলাদেশে ফিরে আসা তাঁর জন্য অসম্ভব নয়। চাইলে তিনি দেশে ফিরতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইংরেজিতে একটা শব্দ আছে সেটা হল plausible. যার একটা অর্থ হল “আপাতদৃষ্টিতে যুক্তিসঙ্গত”। হুমায়ুন আজাদের অনেক লেখার মধ্যে এ জিনিসটা পাওয়া যায়। এমনিতে হুমায়ুন আজাদ খুবই ভালো...
...বাকিটুকু পড়ুন
হিম শীতল মাঘ মাসের রাত। ঘন কুয়াশার কারণে পাঁচ হাত সামনেও কিছু দেখা যায় না আর খালপাড়ের বাঁশঝাড়টা তো অনেক দূরে, বাতাস নেই তারপরও বিচিত্র কারণে বাঁশপাতার শব্দ শোনা যাচ্ছে।...
...বাকিটুকু পড়ুন
গ্রামের কাঁচা রাস্তা দিয়ে হাঁটছি। কোথাও মানুষের কোনো সাড়া-শব্দ নেই। মাঝেমধ্যে অবশ্য ঝিঁঝিঁ পোকা ডেকে যাচ্ছে। শব্দে কান ঝালাপালা। এত ঝিঁঝিঁ পোকা কোথা থেকে এলো?
দুটো জঙ্গল পেরিয়ে মূল সড়কে...
...বাকিটুকু পড়ুন
“আজ থেকে অনেকদিন পরে হয়ত কোন পিতা তার শিশুপুত্রকে বলবেন, জানো খোকা! আমাদের দেশে একজন মানুষ জন্ম নিয়েছিল যাঁর দৃঢ়তা ছিল, তেজ ছিল আর ছিল অসংখ্য দুর্বলতা। কিন্তু...
...বাকিটুকু পড়ুন