ভারতীয় দর্শণ যারা নাড়াচাড়া করেছেন, তারা জানেন পূর্ব ও উত্তর মিমাংসা বাদে বাকি কোন দার্শণিক ধারাই আসলে বেদের প্রামাণ্য স্বীকার করেনি। ন্যায়, বৈশেষিক, সাংখ্য ও যোগদর্শণে পরবতর্ীকালে বেদের রেফারেনস বেখাপপা ভাবে পাঞ্চ করা হয়েছে। চার্বাক, জৈন এবং বৌদ্ধদর্শণ শেষ পর্যন্ত নাস্তিক দর্শণই থেকে গেছে। কিন্তু এই যে ভীন্নমতাবলম্বীধারা গুলোর উপর একটা বিশেষ মতামত চাপিয়ে দেয়া, সেটা কে দেয় ? কেনই বা দেয় ?
বৈদিক দর্শণের সর্বপ্রসিদ্ধ পুস্তক 'মনু সংহিতা'য় বলা হয়েছে ''নাস্তিকঃ বেদনিন্দকঃ'' অর্থাৎ বেদের নিন্দাকারীরাই নাস্তিক। মনুছিলেন প্রাচীন ভারতের সর্বপ্রসিদ্ধ আইনকতর্া। মনুর বিধান মানে আইনের বিধান ।এই মনুর বিধানের মাধ্যমেই পরবতর্ীতে ভীন্নমতাবলম্বীদের পুঁথি ধ্বংশএবং সেইসব ধারার অনুসারিদের বেদানুগামী হতে বাধ্য করা হয় । প্রতিরোধে র কারণে বৌদ্ধ ও জৈনদেরকে বেদানুগামী করা সম্ভব হয়নি । কিন্তু বার্হস্পত্য ধারার অথর্াৎ চার্বাকদের সকল পুঁথিই বিলুপ্ত হয়েছিল ।
প্রশ ্ন হচ্ছে আইনের বিধান কি কারণে ভীন্নমতকে আক্রমণ করে? কে দেয় আইনের বিধান ? দেয় রাষ্ট্র।
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




