মোগল সময় থেকেই পহেলা বৈশাখে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে কিছু অনুষ্ঠান করা হতো। প্রজারা চৈত্রমাসের শেষ পর্যন্ত খাজনা পরিশোধ করতেন এবং পহেলা বৈশাখে জমিদারগণ প্রজাদের মিষ্টিমুখ করাতেন এবং কিছু আনন্দ উৎসব করা হতো। এছাড়া বাংলার সকল ব্যবসায়ী ও দোকানদার পহেলা বৈশাখে ‘হালখাতা’ করতেন। পহেলা বৈশাখ এসব কর্মকাণ্ডের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল। এটি মূলত: রাষ্ট্রীয়, সামাজিক, অর্থনৈতিক বিভিন্ন নিয়ম-কানুনকে সুন্দরভাবে সাজিয়ে কাজ-কর্ম পরিচালনার জন্য নির্ধারিত ছিল। এ ধরনের কিছু সংঘটিত হওয়া মূলত ইসলামে নিষিদ্ধ বলার কোনো যৌক্তিক কারণ নেই। কিন্তু বর্তমানে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে এমন কিছু কর্মকান্ড করা হচ্ছে যা কখনোই পূর্ববর্তী সময়ে বাঙালীরা করেন নি; বরং এর অধিকাংশই বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মুসলিম জনগোষ্ঠীর ধর্মীয় মূল্যবোধের সাথে প্রচণ্ডভাবে সাংঘর্ষিক। পহেলা বৈশাখের নামে বা নববর্ষ উদযাপনের নামে যুবক- যুবতী, কিশোর-কিশোরীদের কে অশ্লীলতা ও বেহায়াপনার প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। আজ থেকে কয়েক বছর আগেও এদেশের মানুষেরা যা জানত না এখন নববর্ষের নামে তা আমাদের সংস্কৃতির অংশ বানানো হচ্ছে। যেমন পান্তা-ইলিস , মঙ্গল শোভাযাত্রা নামে যা হচ্ছে তা কখনো বাঙ্গালীদের সংস্কৃতি ছিলনা, যা ডি এম পি কমিশনারের বক্তব্যেও সুস্পষ্ট ।
আর মঙ্গল শোভাযাত্রা,প্রদীপ জ্বালানো হল হিন্দুদের সংস্কৃতি (মূর্তি বানানো, পূজা করা হিন্দু ধর্মের বৈশিষ্ট্য) অথচ তাকে বাঙালী সংস্কৃতির নামে চালিয়ে দেয়া হচ্ছে।
পহেলা বৈশাখের নামে সারা দেশে কি হয় সেটি তো কারো অজানা নয়,যা ছিল গত বছরের আলোচিত খবর। তাই ভণ্ডামি আর বেহায়াপনা বাদ দিয়ে সুস্থ সংস্কৃতি বিকাশে এগিয়ে আসুন।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই এপ্রিল, ২০১৬ রাত ১০:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



