শুরুতেই এই ভিডিওটি দেখে নিনঃ-
করোনায় এখনো ভীত নয় নগরবাসী (?)
"মানুষ তার স্বপ্নের সমান বড়" আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ বলেছিলেন।
অর্থাৎ, মানুষ যা নিয়ত করে, যে লক্ষ্য নির্ধারণ করে, তার অবস্থানও ধীরে ধীরে সেদিকেই যায়।
বাংলাদেশের এরকম অধিকাংশ মানুষেরই লক্ষ্য নিচের দিকে। তারা কীট, কীটাণু হয়ে থাকতেই স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। তারা নিজেরাই নিজেদের জীবনমানের উন্নতি চায় না, সেখানে সরকার, দাতা সংস্থা বা সমাজের ধনীরা কিভাবে তাদের সাহায্য করতে পারবে?
বাংলাদেশী জাতিকে নিয়ে কোন সুদূর সম্ভাবনা না দেখার কারণ হচ্ছে, এই পশ্চাদমুখী বৃহৎ জনগোষ্ঠী। তারা এই জাতির বোঝা। যখন কোন বোঝা আপনাকে সামনে এগোতে দেয় না, তখন সেই বোঝাকে কেটে ফেলে দিয়ে, সামনে এগোতে হয়।
এই ভিডিওর যে মোটর মেকানিক সারাদিন পেট্রোল-ডিজেলে ডুবে থাকেন বলে গর্ববোধ করলেন, সেই মোটরযানগুলি যেখানে তৈরি হয়, এবং সেই পেট্রোল-ডিজেল যেখানে উত্তোলিত হয়, সেই দেশগুলিকে পুরো ভিডিওজুড়ে এই নীচ প্রকৃতির মানুষগুলি অপমান করে গেলেন।
ধনী দেশ ও ধনী লোকদের উদাহরণ দিতে গিয়ে এদের অধিকাংশই "এসির" কথা বলে গেলেন। [বাংলাদেশের ৯০% মানুষ এখনো ধনী মানে এসি, দুবাইবাসী মানে দুবাইঅলা, আমেরিকা মানে ডিভি, চায়না মানে নকল মাল, এই দুনিয়ায় পরে আছে] এরা জানে না, চীন এবং ইরানে তাপমাত্রা শূন্যের আশেপাশেই ছিল সংক্রমণ এর শুরু থেকে; এখনো তাপমাত্রা তেমন বাড়েনি। অর্থাৎ এদের এসি বা কৃত্রিম তাপ লাগে না।
এটা ঠিক যে, প্রকৃতিতে বিচরণরত সচরাচর কিছু অণুজীব বাংলাদেশের এই শ্রেণীর লোকদের আক্রমণ করে কাবু করতে পারবে না; কারণ জন্মের পর থেকে তারা এইসব অণুজীবের হোস্ট/পোষক বা সহজ ভাষায় "ভাড়া বাসা" হিসেবে বেঁচে থাকে। কিন্তু এই করোনার নামের সাথেই আছে "নভেল" বা নতুন। অর্থাৎ এটি নতুন আজাব, নতুন গজব। প্রকৃতিতে যার অস্তিত্ব আগে ছিল না। সুতরাং, দরিদ্র ও নীচ জনগোষ্ঠীর এর সাথে খাপ খাওয়ানোর মত রোগপ্রতিরোধব্যবস্থা থাকার সম্ভাবনা উড়িয়েই দেওয়া যায়। আর, এদেরকে জীবাণুঅস্ত্র বা বায়োলজিক্যাল ওয়ারফেয়ারের কথা বুঝিয়েও তো লাভ নাই।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে মার্চ, ২০২০ রাত ১:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


