somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

লর্ড অফ দ্যা রিংস ও বাংলাদেশ!

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১৪ সকাল ১১:৪৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

লর্ড অফ দ্যা রিংস মুভিটার অনেক বড় ভক্ত আমি এবং আমি জানি সারা পৃথিবীতে এই মুভির ভক্তের সংখ্যা নেহাত কম নয়। প্রায় সব সিনেমা ক্রিটিকরা এই মুভিটাকে সর্বকালের সেরা মুভির লিস্টে রাখেন। cinematography, special effect, action, set, costume সব কিছু মিলিয়ে অন্য সব মুভি থেকে অনেক উপরের লেভেলের। আর মুভির গল্পের পটভূমি যা এক কথায় অনন্য এবং বেশ জটিল এবং এটাই আমার লেখার প্রতিপাদ্য বিষয়।

লর্ড অফ দ্যা রিংস নামটা থেকে মনে হতে পারে লর্ড এর রিং, ভাল লর্ড এর না, শয়তান লর্ড এর! (dark Lord Sauron) যা মধ্যপৃথিবীর (Middle Earth) সকল ক্ষমতা নিয়ন্ত্রন করে । এই রিং dark Lord Sauron বানিয়েছিল অন্য সব রাজ্যের রাজাদেরকে নিজের আদেশ মত চলতে বাধ্য করার জন্য কারন এই রিং এর বিশেষ ক্ষমতা হচ্ছে অন্য সব রাজার রিংগুলকে বশ করতে পারে। Middle Earth কে dark Lord Sauron এর বলয় থেকে মুক্ত করতে হলে এই রিংকে ধ্বংস করতে হবে mount doom নামে এক আগ্নেয়গিরির লাভায়। অসীম সাহসী রাজপুত্র Isildur যুদ্ধে dark Lord Sauron কে পরাজিত করে রিংটি নিজে হস্তগত করেছিল কিন্তু রিংটি ধ্বংস করার পরিবর্তে আরও ক্ষমতার লোভে তা ব্যবহার করা শুরু করলেন (Hearts of men are easily corrupted)। একবার অতর্কিত হামলায় তিনি রিংটি হারালেন যা দীর্ঘদিন পানির নিচে পড়েছিল এবং ঘটনার পরিক্রমায় তা পায় লোভী Gollum কিন্তু সে জানেনা এটার ব্যবহার কি এবং কিভাবে তা নিয়ন্ত্রন করা যাবে। রিং এর লোভ Gollum কে এক অতিপ্রাক্রিতিক জীবনধারার দিকে ধাবিত করে যা সে একসময় হারিয়ে ফেলে। অন্য দিকে dark Lord Sauron এর স্পিরিট Sauroman এর মধ্যে চলে আসে। মহীয়সী Gandalf এর নির্দেশনায় রিং টাকে ধ্বংস করার জন্য স্বল্প ক্ষমতার মানুষগুলো (frodo, sam, merry, pippin) সর্বস্ব দিয়ে চেষ্টা করে (যদিও mount doom এ গিয়ে frodo এর মন corrupted হয়ে যায়!)

Middle Earth কে যদি বাংলাদেশ ধরা হয় তবে আমাদের সংবিধান কি সেই রিং টা যা ক্ষমতার কেন্দ্র যা dark Lord রা ব্যবহার করবে জনগণকে নিয়ন্ত্রন করার জন্য? অন্যান্য চরিত্রগুলোর সাথে ক্ষমতা লোভী রাজনীতিবিদদের, জামাতি ছাগুদের, দেশ প্রেমিক যোদ্ধাদের মিলিয়ে নেবেন আপনারা!
লর্ড অফ দ্যা রিংস এর বিষয়বস্তু ‘ সত্যর সাথে মিথ্যার দন্দ, ন্যায়ের সাথে অন্যায়ের যুদ্ধ, অন্ধকারের বিরুদ্ধে আলোর আদর্শিক অবস্থান যেখানে শত বাধার পরেও সত্য, ন্যায়, আলোর জয় হয়, মাঝে কিছু লোভী মানুষের জন্য সাধারন মানুষদের ভুগতে হয়’
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র - ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৬


শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যাররে হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তার জন্মলগ্ন ১৯৭৮ সাল থেকে অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছে। আমার মনে পড়ে, আমি স্কুলে পড়াকালীন সময়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে স্কুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একান্ত নিজস্ব জিনিসগুলো পর হয়ে যাচ্ছে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৫



যে চোখ দিয়ে দেখেছি ধরার আলো, সে চোখও দিচ্ছে ফাঁকি,
যে চোখের আলোয় দেখেছি পুকুর নদী, শুকনো উঠোন;
বৃষ্টি ভেজা দিন, দেখেছি ময়না শালিক, ঘুঘু ডাকা দুপুর
সে চোখ পর হয়ে যাচ্ছে অল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×