৩২ বি,সি,এস এর ভাইভা দিতে গেসিলাম,সম্বল হিসেবে সাথে ছিলো ৭২-৭৩ সালে পাওয়া ্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয় থেকে প্রাপ্ত শেখ ফজলুল হক মনি ( বর্তমান সাংসদ ফাজলে নূর তাপস এর পিতা,৭৫ এ বঙ্গবন্ধু এর সাথে স্ব পরিবারে নিহত )স্বাক্ষরিত মুক্তিযোদ্ধার সনদ,মুক্তিযুদ্ধ কেন্দ্রিয় কমান্ড কাউন্সিল এর ফরমে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কাজের জন্য কেন্দ্রিয় কমান্ডারদের স্বাক্ষরিত কিছু document,৮৭ এ দৈনিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশিত চট্রগ্রাম এর প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকার ৩২ নং এ বাবার নামসহ পত্রিকার কপি,জেলা কমান্ডার স্বাক্ষরিত প্রত্যয়নপত্র,থানা কমান্ডার স্বাক্ষরিত প্রত্যয়নপত্র,আরও কিছু document ।ভাইভা শুরু হওয়ার আধা ঘণ্টা পর যখন কাগজপত্র জমা দিতে বল্ল,আমার সার্টিফিকেট দেখে বলা হল যে আমি ভাইভা দিতে পারবনা,কারন মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রনালয় থেকে ইস্যুকৃত সার্টিফিকেট আমার কাছে নাই,আমি বল্লাম যে এই সব document চেক করার পর ই তো আমাকে ভাইভা কার্ড পাঠানো হয়েছে,তখন অনুরোধ করে বল্লাম যে,যিনি ভাইভা নিচ্ছেন(পিএসসি এর মেম্বার)উনাকে যেনো আমার documents দেখানো হয়,দেখার পর উনি বল্লেন ভাইভা নেয়া সম্ভব না,আপনি কন্ট্রোলারের সাথে দেখা করেন,আমি তাই করলাম,ওখান থেকেও বলা হল আপনার ভাইভা নেয়া যাবেনা,আমি আশা করেছিলাম অন্তত আমার ভাইভা টা নেয়া হবে।যেই সার্টিফিকেট এর জন্য এতো কিছু,মাত্র(?) ২ লক্ষ টাকা হলেই সেটা পেতে পারতাম,কিন্তু আমার বাবা কি টাকা দিয়ে সার্টিফিকেট কেনার জন্য যুদ্ধ করেছিল?আমি টাকা ছাড়া অনেক চেস্টা করছিলাম,কিন্তু ওই চেস্টা পর্যন্তই (বাবা ২০১০ এ মারা গিয়েছিলেন,তাই আমাকেই চেস্টা করতে হয়) প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধারা আর কতো অবহেলিত হবে?মুক্তিযোদ্ধার নামে যে সমস্ত সুযোগ দেয়া হচ্ছে তা তো যাদের টাকা আছে তারাই পাচ্ছে,আর আমরা হচ্ছি অপমানিত,ভাইভা পর্যন্ত নিয়ে গিয়ে অপমান করার ধৃষ্টতা দেখানো হচ্ছে।আরে ৭১ এ ৭ কোটি মানুষের মাঝে মাত্র কয়েক লক্ষ মানুষ ই যুদ্ধে যাওয়ার সাহস দেখিয়েছিল,আর সেই সব সাহসি যোদ্ধারাই আজ অবহেলিত।মরে যেতে ইচ্ছা করে এসব দেখে,আর না হয় ঘুষখোর গুলারে যদি কিছু করতে পারতাম........
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই নভেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


