কেউ যেন শারদীয় “মহেশ” গল্পটি পড়ে না ভাবেন যে, মুসলিম দরদে শরৎ চন্দ্রের বুক ফেটে পঞ্চত্ব প্রাপ্ত হয়েছে, শরৎ হৃদয় মুসলিম প্রেমে টইটম্বুর!!। (মহেশ গল্প টি ৯ম-১০ম শ্রেণীতে বাংলা পাঠ্যের অন্তর্ভূক্ত) মূলতঃ শরৎ চন্দ্রের হাক্বীক্বত কিরূপ ছিলো তা ফুটিয়ে তুলেছেন বাংলাদেশের একজন কথা সাহিত্যিক রশীদ করিম, তার উত্তম পুরুষ নামক গ্রন্থে। তিনি তার “উপন্যাস সমগ্র” গনে'র ১০১ পৃষ্টায় (“সাহিত্য প্রকাশ” থেকে অকিদুল হক কর্তৃক প্রকাশিত) খোদ শরৎ চন্দ্রের লিখনী থেকে তুলে ধরেন:-
“বস্তুতঃ মুসলমান যদিও কখনও বলে হিন্দুর সহিত মিলন করিতে চাই, সে যে ছলনা ছাড়া আর কি হইতে পারে ভাবিয়া পাওয়া কঠিন। একদিন মুসলমান লুণ্ঠনের জন্যই ভারতে প্রবেশ করেছিল। রাম রাজত্ব কায়িম করিতে আসে নাই। সেদিন কেবল লুট-পাট করিয়াই ক্ষান্ত হয় নাই। মন্দির ধ্বংস করিয়াছে, প্রতিমা চূর্ণ করিয়াছে, নারী সতীত্ব হরণ করিয়াছে, অপরের ধর্ম ও মনুষ্যত্বের পরে যতখানি আঘাত করা যায় কোথাও কোন সঙ্কোচ করে নাই।” (নাউযুবিল্লাহ্)
রশীদ করিম সাহেব এই পাপাত্মার হাক্বীক্বত, শরৎ এর লিখনী থেকেই আরো ফাঁস করেন-
“মুসলমান সম্বন্ধে তার (শরৎ-এর) মত তিনি আরো পরিস্কার করে বলেছেন, তা এই ‘হিন্দু নারী হরণ ব্যাপারে সংবাদ পত্রওয়ালারা প্রায়ই দেখি প্রশ্ন করেন, মুসলমান নেতারা নীরব কেন? তাদের সম্প্রদায়ের লোকেরা পুন: পুন: এত অপরাধ করিতেছে, তথাপি প্রতিবাদ করিতেছে না কেন? কিন্তু আমার (শরৎ এর) মনে হয়, অর্থ অতিশয় প্রাঞ্জল। তারা শুধু অতি বিনয় বশত মুখ ফুটিয়ে বলিতে পারেন না, বাপু আপত্তি করিব কি? সময় ও সুযোগ পাইলে আমরাও ও কাজে লেগে যেতে পারি।”(নাউযুবিল্লাহি মিন যালিক)
সমগ্র হিন্দু জাতি সত্তার প্রতিভু হয়ে, কি বঙ্কিম, কি শরৎ , কি রবীন্দ্রনাথ এরা প্রত্যেকেই মুসলমানদের পুতঃপবিত্র চরিত্রের উপর অপবাদ রটনা করেছে, যেখানে কুলাঙ্গাররা নিজেরাই মুসলমান হত্যার জন্য ওয়াস ওয়াসা দানকারী, ভারতীয় মুসলমানদের সম্ভ্রমের উপর আঘাত কারী। (নাঊযুবিল্লাহ্)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



