তিল তত্ত্ব
জম্নের পর থেকে নবজাতকের শরীরে তিল দেখা যেতে পারে। কোনোটি হালকা লাল বা কালো রংয়ের হতে পারে। সময়ের সাথে সাথে একেকসময় দেহের একেক জায়গায় তিল দেখা যায়। মাথার তালু থেকে পায়ের পাতা, পুরো শরীরের যে কোনো জায়গায় তিল থাকতে পারে। একেক তিল জাতক বা জাতিকা সম্পর্কে একেক রকম পূর্বাভাস দেয়। বুঝা যায় জাতকের দৃষ্টিভঙ্গি। কোন দিকে জাতকের ঝোঁক বেশি তা-ও বোঝা যায় তিলের মাধ্যমে।
কিছু তিল জাতকের অর্থভাগ্য নির্দেশ করে, আবার কিছু তিল নির্দেশ করে হাতে পর্যাপ্ত অর্থ আসলেও তা ধরে রাখা মুশকিল, কেন এই সমস্যা, তা বুঝতেও পারে না অনেক জাতক। মনের খেয়ালিভাবের কারণে একসময় পস্তাতে হয় খুব কাছের মানুষের কাছে।
পরীক্ষার খাতা দেখলে যেমন শিক্ষার্থী সম্পর্কে বোঝা যায়, রেজাল্ট কেমন হবে তা জানা যায়, তেমনি তিল দেখেও অনেক কিছু নিখুঁতভাবে জানা যায়। বাস্তবতার সঙ্গে সাদৃশ্য খুজতে গেলে দেখা যাবে, অভিজ্ঞ শিক্ষার্থীর পরামর্শে দুর্বল শিক্ষার্থীও একসময় অদম্য মেধাবী হয়ে উঠে। তেমনি জীবনের জন্য সঠিক পরামর্শে একজন হতাশাগ্রস্থ বা খেয়ালীভাবের মানুষও জীবনকে উপভোগ করতে পারে। ভবিষ্যতে অনেক সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারে।
যেমন একজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর বর্তমান পারফরমেন্স দেখে বোঝা যায়, সে ছাত্র হিসেবে কেমন। মাধ্যমিক স্কুলের উপযোগি হতে তাকে আর কোন কোন বিষয়ে নজর দিতে হবে। সে অনুযায়ী দিক নির্দেশনা অনুসরণ করলে একজন শিক্ষার্থী মাধ্যমিকেও ভালো করতে পারে। প্রাথমিক পর্যায়ে দিকনির্দেশনার অভাবে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থী মেধার পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটাতে পারে না। জীবনে সফলতা- বিলম্বে হয়। যেমনটি হয় রোগের ক্ষেত্রে। রোগ অল্প থাকতে ডাক্তারের পরামর্শ না নিলে, অনেক ক্ষেত্রে রোগ জটিল পর্যায়ে চলে যেতে পারে।তখন বেশি শারিরীক কষ্ট ভুগতে হয়।
এবার ফিরে আসি তিলতত্বের মূল আলোচনায়। দেহে মোট তিলের সংখ্যা ১২ এর কম থাকা ভালো। বাম পাশের তিলের তুলনায় ডান পাশের তিলকে বেশি শুভ বলে মনে করা হয়। এছাড়া শরীরের ডান পাশের তিলকে পুরুষ স্বভাবের, বাম পাশের তিলকে নারী স্বভাবের বলে মনে করা হয়। আবার অনেকে এ দুয়ের মধ্যে কোনো পার্থক্য করেন না। দেহের ডানঅঙ্গে বেশি তিল হলে পুরুষ সন্তান জন্ম দেওয়ার সম্ভাবনা থাকে আর বামঅঙ্গে তিল থাকলে বেশি মেয়ে সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



