রাজনীতিতে জন সম্পৃক্ততা অনেক কমে গিয়েছে । রাজনীতি এখন নির্দিষ্ট শ্রেণী ও স্বার্থের প্রতিনিধি । সাধারন গন মানুষ এখন রাজনীতিতে তাদের স্বার্থ খুজে পাচ্ছে না । গুটি কয়েক লুটপাটকারী ও তাদের চামচা ও পেটোয়া বাহিনি এখন পর্যন্ত রাজনীতিতে সক্রিয় । বড় দুটি দল একই শ্রেণীর প্রতিনিধি বিধায় শুধুমাত্র ক্ষমতায় যাওয়ার লক্ষ্যের রাজনীতির প্রতি সাধারন জনগণ আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে । যে দল ক্ষমতায় যেতে চায় তার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে মানুষ পরিস্কার না । আবার যারা ক্ষমতায় আছে তারা যা করছে তাতেও ব্যপক জন সমর্থন নেই । বরং আছে ব্যপক সমালোচনা ও প্রতিবাদ । এই সমালোচনা ও প্রতিবাদ আবার বিরোধী পক্ষ নিজেদের ভাবছে কিন্তু তা বিরোধী পক্ষের নয় । বরং তারা এই পরিস্থিতির অবসান চায় । এই চাওয়া মানেই পরিবর্তন । পরিবর্তন এর পক্ষে যখনই ব্যপক জন সমর্থন তৈরি হবে তখন দুই দলই একই সুরে কথা বলবে । টেলিভিশনের টক শো তে অনেকবার দেখেছি সুশীল সমাজের বুরুদ্ধে দুই দলকে একই সুরে কথা বলতে ।
যেহেতু লুটেরা শ্রেণী রাজনীতিকে দখল করে ফেলেছে কাজেই রাজনীতিতে কোন আদর্শ নেই । একমাত্র আদর্শ দলের পদ হাসিল ও তা ব্যবহার করে অর্থ বিত্ত অর্জন করা । ফলে ক্ষমতা দখলের রাজনীতিই এখানে প্রধান ইস্যু । এই কারনে রাজনীতি থেকে ভদ্রতার সংস্কৃতি উঠে গিয়ে এমন আকার ধারন করেছে যে সাধারন জনগণ পর্যন্ত তা আলোচনায় আনছে । যে দল ক্ষমতায় আছে আর যে দল ক্ষমতা দখল করতে চায় দুইজন পরস্পরের শত্রু । দেশ ও জাতীর স্বার্থের রাজনীতি কখনও পরস্পরকে শত্রুতে পরিনত করে না বরং একে অপরকে সমালোচনা করে সাহায্য করে । এখন যারা সম্পদের পাহাড় গড়ার সুযোগ পাচ্ছে আর যারা পাচ্ছে না এই দ্বন্দ্ব তাদের মাঝে । এই বিষয়টা জনগণের কাছে পরিস্কার । আর এই সুযোগটাই ক্ষমতাসীনরা নিচ্ছে । এর প্রভাবে যে নেতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতির জন্ম হচ্ছে তা জনগণকে কোন দিক নির্দেশনা দিচ্ছে না । এতে জনগণ আস্তে আস্তে নিজেরাই একটি পক্ষ হয়ে যাচ্ছে । এর প্রতিফলন যখন পরতে শুরু করবে তখন জনগণের ভিতর থেকে আর একটি রাজনীতির অভুদ্যয় হবে ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


