somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

জনগণের ভিতর থেকে আর একটি রাজনীতির অভুদ্যয় হবে

০৮ ই জানুয়ারি, ২০১৫ রাত ১১:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

রাজনীতিতে জন সম্পৃক্ততা অনেক কমে গিয়েছে । রাজনীতি এখন নির্দিষ্ট শ্রেণী ও স্বার্থের প্রতিনিধি । সাধারন গন মানুষ এখন রাজনীতিতে তাদের স্বার্থ খুজে পাচ্ছে না । গুটি কয়েক লুটপাটকারী ও তাদের চামচা ও পেটোয়া বাহিনি এখন পর্যন্ত রাজনীতিতে সক্রিয় । বড় দুটি দল একই শ্রেণীর প্রতিনিধি বিধায় শুধুমাত্র ক্ষমতায় যাওয়ার লক্ষ্যের রাজনীতির প্রতি সাধারন জনগণ আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে । যে দল ক্ষমতায় যেতে চায় তার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সম্পর্কে মানুষ পরিস্কার না । আবার যারা ক্ষমতায় আছে তারা যা করছে তাতেও ব্যপক জন সমর্থন নেই । বরং আছে ব্যপক সমালোচনা ও প্রতিবাদ । এই সমালোচনা ও প্রতিবাদ আবার বিরোধী পক্ষ নিজেদের ভাবছে কিন্তু তা বিরোধী পক্ষের নয় । বরং তারা এই পরিস্থিতির অবসান চায় । এই চাওয়া মানেই পরিবর্তন । পরিবর্তন এর পক্ষে যখনই ব্যপক জন সমর্থন তৈরি হবে তখন দুই দলই একই সুরে কথা বলবে । টেলিভিশনের টক শো তে অনেকবার দেখেছি সুশীল সমাজের বুরুদ্ধে দুই দলকে একই সুরে কথা বলতে ।
যেহেতু লুটেরা শ্রেণী রাজনীতিকে দখল করে ফেলেছে কাজেই রাজনীতিতে কোন আদর্শ নেই । একমাত্র আদর্শ দলের পদ হাসিল ও তা ব্যবহার করে অর্থ বিত্ত অর্জন করা । ফলে ক্ষমতা দখলের রাজনীতিই এখানে প্রধান ইস্যু । এই কারনে রাজনীতি থেকে ভদ্রতার সংস্কৃতি উঠে গিয়ে এমন আকার ধারন করেছে যে সাধারন জনগণ পর্যন্ত তা আলোচনায় আনছে । যে দল ক্ষমতায় আছে আর যে দল ক্ষমতা দখল করতে চায় দুইজন পরস্পরের শত্রু । দেশ ও জাতীর স্বার্থের রাজনীতি কখনও পরস্পরকে শত্রুতে পরিনত করে না বরং একে অপরকে সমালোচনা করে সাহায্য করে । এখন যারা সম্পদের পাহাড় গড়ার সুযোগ পাচ্ছে আর যারা পাচ্ছে না এই দ্বন্দ্ব তাদের মাঝে । এই বিষয়টা জনগণের কাছে পরিস্কার । আর এই সুযোগটাই ক্ষমতাসীনরা নিচ্ছে । এর প্রভাবে যে নেতিবাচক রাজনৈতিক সংস্কৃতির জন্ম হচ্ছে তা জনগণকে কোন দিক নির্দেশনা দিচ্ছে না । এতে জনগণ আস্তে আস্তে নিজেরাই একটি পক্ষ হয়ে যাচ্ছে । এর প্রতিফলন যখন পরতে শুরু করবে তখন জনগণের ভিতর থেকে আর একটি রাজনীতির অভুদ্যয় হবে ।
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

হযরত ইমাম হোসেনের (রা.) পরিবর্তে ইয়াজিদী নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল কেন?

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৬:৪৯



সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৫ ও ৬৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৫। হে নবি! মু’মিন দিগকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ কর। তোমাদের মধ্যে কুড়িজন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজনের উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা কোন ইসলাম পালন করছি! কাদের ফলো করছি!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৫১

খোদা ও নবীজীকে অবমাননা করলে অর্থাৎ ধর্মীয় অবমাননা করলে মৃত্যুদণ্ড দিতে হবে, এমন আয়াত কোরআনে পেলাম না!
অনেক খুঁজলাম.........আমি পাই নাই। আপনি পেয়েছেন কি?



পবিত্র কোরআনে উল্লেখ আছে যে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আগ্নেয়াস্ত্র প্রদর্শন, প্রতিমন্ত্রীর পদত্যাগ এবং ঢাকা দক্ষিণের নতুন সমীকরণ: রাজনৈতিক খেলায় ইশরাক কোথায়?

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫২

রাজনীতির মাঠে অতি-উৎসাহ কখনো কখনো যে আত্মঘাতী হয়ে দাঁড়াতে পারে, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড তারই এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। গত শনিবার রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় যেভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে, দলবল... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি আরবের প্রতি বাংলার মানুষের কেন এত ক্ষোভ?

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ১৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮



বাংলাদেশের বেকারত্ব সমস্যা দূরীকরণে সৌদি আরব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। দেশটিতে বাংলাদেশের প্রায় ৩৫ লাখ শ্রমিক কাজ করছেন। সৌদি আরবই বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বৈদেশিক শ্রমবাজার। ২০২৫–২৬ অর্থবছরে সৌদি আরব... ...বাকিটুকু পড়ুন

সৌদি প্রবাসীর মৃত্যুদন্ড ও রটানো গুজব

লিখেছেন মঞ্জুর চৌধুরী, ২০ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১:২২

আপনি যে দেশে যাবেন, সেই দেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রাখাটা আপনার দায়িত্ব।
আমেরিকায় আপনি মদ কিনতে পারবেন। কিন্তু আপনার বয়স অবশ্যই ন্যূনতম ২১ হতে হবে। ইউরোপে হয়তো এই বয়সটা ১৮।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×