বাংলাদেশের রাজনীতিতে, আন্দোলন-সংগ্রামে 'হরতাল' সংবিধান স্বীকৃত ও গণতান্ত্রিক অধিকার।
বিশেষ দু' টি দল আন্দোলন-সংগ্রামের এই অস্ত্রটি ভোতা করে দিয়েছে- পরিকল্পিতভাবে।
এরা যতগুলো হরতাল আহ্বান করেছে- তার কয়টি দেশ ও জনগণের পক্ষে করেছে?
মানুষ দেখেছে- এরা এই অস্ত্রটিকে ব্যাবহার করেছে- কখনও ক্ষমতায় যাওয়ার সিঁড়ি হিসেবে। কখনও দলীয় হীন দলাদলিতে, কখনও
নেতাদের মামলা-মোকদ্দমা থেকে রেহাই পেতে, কখনও দলের মনোনয়ন বা পদ না পেয়ে।
এমতাবস্থায়, দুর্নীতির মামলায় তারেক জিয়ার সাজা হওয়ার পর- চিরাচরিত চিত্র অনুযায়ী বিএনপি একটি হরতাল কর্মসূচী ঘোষণা করার কথা। কিন্তু, তারা তা করেনি।
বিএনপি কোন সাহসে 'হরতাল' আহ্বান করবে?
গত ৮ বছরে,
জনগণের উপর শোষণ, নিপীড়ন, নির্যাতন, বঞ্চনার বিরুদ্ধে আইনের শাসন কায়েমে এরা কয়টা হরতাল আহ্বান করেছে?




আবার মানুষ দেখেছে, এরা যখন ক্ষমতায় গিয়েছে- তখন বলেছেঃ "হরতাল-এর নামে দেশে নৈরাজ্য করতে দেয়া হবে না। আইন করে হরতাল বন্ধ করা হবে"।
যদিও এরা তা করেনি। কারণ, এই অস্ত্রটিকে এরা ঠিকই ব্যাবহার করবে। ক্ষমতার বাইরে গিয়ে এরা তা করেছেও।
ফলে, মানুষ এদের ওপর বিশ্বাস রাখতে পারেনি এবং 'হরতাল' নামক এই গণতান্ত্রিক কর্মসূচিটি থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।
-এমনি যখন অবস্থা।
তখন বিএনপি'র মতো একটি বড় দল হরতাল ঘোষণা করার সাহস পাবে কোথায়?
আর, 'হরতাল' নিয়ে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগেরও পরবর্তী রূপ দেখার অপেক্ষায় আছে- মানুষ।
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে জুলাই, ২০১৬ ভোর ৫:১৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


