সীমান্তবর্তী নদীগুলোর গতিপথ বদলে দিচ্ছে বাংলাদেশের ম্যাপ।
ইনডিয়ান অংশে উজানে বিভিন্ন পয়েন্টে জলাধার ও গ্রোয়েন নির্মাণের ফলে নদী ভাঙন রোধ করা যাচ্ছে না। এ কারণে নদীগুলো বাংলাদেশের ভেতরে পাড় ভেঙে গতিপথ পরিবর্তন করে নিচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য উজানে বারাক নদীর টিপাইমুখে ইনডিয়ান সরকার বাধ দেয়ার কারণে সুরমা ও কুশিয়ারার গতিপথ পরিবর্তন হয়ে যাওয়ায় সিলেটের ব্যাপক এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। সময়মতো সঠিক ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে নদীতে পানি প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়ে আরো জমি হারাবে বাংলাদেশ।
ইনডিয়া-বাংলাদেশ সীমান্তের ৩০০ কিলোমিটার পথ নদীপথের। জানা যায়, নদী ভাঙনের কবলে পড়ে এ পর্যন্ত ৩০ হাজার একরের মতো বাংলাদেশি এলাকা ইনডিয়ার দিকে সরে গেছে।
ভাঙনের ফলে সিলেট সীমান্তবর্তী নদী সুরমা ও কুশিয়ারার দিক পরিবর্তন অব্যাহত থাকায় বাংলাদেশ জমি হারাচ্ছে।
এ দুটি নদীর উৎসস্থল উত্তর ইনডিয়ার বারাক নদী। নদী দুটির গতিপথ মূল সীমান্ত রেখা থেকে সরে এসে এখন বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে সিলেট এলাকার হাজার হাজার একর জমি নদীগর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে।
কেবল সুরমা ও কুশিয়ারার ভাঙনের ফলে তিন হাজার একরের মতো এলাকা ইনডিয়ার দখলে চলে গেছে। তবে স্থানীয় জনসাধারণের হিসাবে এর পরিমাণ পাচ হাজার একর।
এ ভাঙনের অনিবার্য ফল হিসেবে পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের মানচিত্র। নদী একদিকে গিলে খাচ্ছে বাংলাদেশের জমি অন্যদিকে গড়ছে ইনডিয়ার এলাকা। ১৯৭৪ সালে স্বাক্ষরিত মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি অনুযায়ী দুই দেশের অভিন্ন নদীগুলোর মধ্যভাগ দিয়ে বর্ডার লাইন চলে গেছে।
কুশিয়ারার ভাঙন ও নদী পথ পরিবর্তনের কারণে মেজরগা, আমালসিদ, লক্ষ্মীবাজার, সুলতানপুর, সেনাপতিচক এবং মানিকপুরের ৯১৪ একর এলাকা এখন ইনডিয়ার অংশ। আর সুরমা নদী তীরবর্তী ২৫০ একরের ভাল্লাহ, উত্তরকূল, মুনসিবাজার এবং দিঘলি এলাকা এখন ইতিহাস।
বাংলাদেশ ২০০৫ সালে যৌথ নদী কমিশনের মাধ্যমে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর ভাঙনের ওপর একটি গবেষণা চালানোর চেষ্টা চালিয়েছিল; কিন্তু ইনডিয়ার অনাগ্রহের কারণে সেটা আর আলোর মুখ দেখেনি।
আসুন, আমরা ইনডিয়ার এই বেআইনী, অমানবিক ও অবন্ধুসুলভ কাজের প্রতিবাদ করি।
আমরা আমাদের ন্যায্য ও ন্যায়সংগত দবীর প্রতি সোচ্চার হই।
নদী বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে।সীমান্তবর্তী নদীগুলোর গতিপথ বদলে দিচ্ছে বাংলাদেশের ম্যাপ।
ইনডিয়ান অংশে উজানে বিভিন্ন পয়েন্টে জলাধার ও গ্রোয়েন নির্মাণের ফলে নদী ভাঙন রোধ করা যাচ্ছে না। এ কারণে নদীগুলো বাংলাদেশের ভেতরে পাড় ভেঙে গতিপথ পরিবর্তন করে নিচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য উজানে বারাক নদীর টিপাইমুখে ইনডিয়ান সরকার বাধ দেয়ার কারণে সুরমা ও কুশিয়ারার গতিপথ পরিবর্তন হয়ে যাওয়ায় সিলেটের ব্যাপক এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। সময়মতো সঠিক ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে নদীতে পানি প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়ে আরো জমি হারাবে বাংলাদেশ।
ইনডিয়া-বাংলাদেশ সীমান্তের ৩০০ কিলোমিটার পথ নদীপথের। জানা যায়, নদী ভাঙনের কবলে পড়ে এ পর্যন্ত ৩০ হাজার একরের মতো বাংলাদেশি এলাকা ইনডিয়ার দিকে সরে গেছে।
ভাঙনের ফলে সিলেট সীমান্তবর্তী নদী সুরমা ও কুশিয়ারার দিক পরিবর্তন অব্যাহত থাকায় বাংলাদেশ জমি হারাচ্ছে।
এ দুটি নদীর উৎসস্থল উত্তর ইনডিয়ার বারাক নদী। নদী দুটির গতিপথ মূল সীমান্ত রেখা থেকে সরে এসে এখন বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে সিলেট এলাকার হাজার হাজার একর জমি নদীগর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে।
কেবল সুরমা ও কুশিয়ারার ভাঙনের ফলে তিন হাজার একরের মতো এলাকা ইনডিয়ার দখলে চলে গেছে। তবে স্থানীয় জনসাধারণের হিসাবে এর পরিমাণ পাচ হাজার একর।
এ ভাঙনের অনিবার্য ফল হিসেবে পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের মানচিত্র। নদী একদিকে গিলে খাচ্ছে বাংলাদেশের জমি অন্যদিকে গড়ছে ইনডিয়ার এলাকা। ১৯৭৪ সালে স্বাক্ষরিত মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি অনুযায়ী দুই দেশের অভিন্ন নদীগুলোর মধ্যভাগ দিয়ে বর্ডার লাইন চলে গেছে।
কুশিয়ারার ভাঙন ও নদী পথ পরিবর্তনের কারণে মেজরগা, আমালসিদ, লক্ষ্মীবাজার, সুলতানপুর, সেনাপতিচক এবং মানিকপুরের ৯১৪ একর এলাকা এখন ইনডিয়ার অংশ। আর সুরমা নদী তীরবর্তী ২৫০ একরের ভাল্লাহ, উত্তরকূল, মুনসিবাজার এবং দিঘলি এলাকা এখন ইতিহাস।
বাংলাদেশ ২০০৫ সালে যৌথ নদী কমিশনের মাধ্যমে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর ভাঙনের ওপর একটি গবেষণা চালানোর চেষ্টা চালিয়েছিল; কিন্তু ইনডিয়ার অনাগ্রহের কারণে সেটা আর আলোর মুখ দেখেনি।
আসুন, আমরা ইনডিয়ার এই বেআইনী, অমানবিক ও অবন্ধুসুলভ কাজের প্রতিবাদ করি।
আমরা আমাদের ন্যায্য ও ন্যায়সংগত দবীর প্রতি সোচ্চার হই।
নদী বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


