somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মোহাম্মদ আলী আকন্দ
আমি ময়মনসিংহ জেলা স্কুল থেকে ১৯৭৭ সালে এস.এস.সি এবং আনন্দ মোহন কলেজ থেকে ১৯৭৯ সালে এইচ.এস.সি পাশ করেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৪ সালে এলএল.বি (সম্মান) এবং ১৯৮৫ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএল.এম পাশ করি।

বাংলাদেশের মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাচ্ছে অনেক নদী-শেষ পর্ব (২)

০৮ ই মে, ২০০৭ রাত ৮:৪৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সীমান্তবর্তী নদীগুলোর গতিপথ বদলে দিচ্ছে বাংলাদেশের ম্যাপ।
ইনডিয়ান অংশে উজানে বিভিন্ন পয়েন্টে জলাধার ও গ্রোয়েন নির্মাণের ফলে নদী ভাঙন রোধ করা যাচ্ছে না। এ কারণে নদীগুলো বাংলাদেশের ভেতরে পাড় ভেঙে গতিপথ পরিবর্তন করে নিচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য উজানে বারাক নদীর টিপাইমুখে ইনডিয়ান সরকার বাধ দেয়ার কারণে সুরমা ও কুশিয়ারার গতিপথ পরিবর্তন হয়ে যাওয়ায় সিলেটের ব্যাপক এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। সময়মতো সঠিক ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে নদীতে পানি প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়ে আরো জমি হারাবে বাংলাদেশ।
ইনডিয়া-বাংলাদেশ সীমান্তের ৩০০ কিলোমিটার পথ নদীপথের। জানা যায়, নদী ভাঙনের কবলে পড়ে এ পর্যন্ত ৩০ হাজার একরের মতো বাংলাদেশি এলাকা ইনডিয়ার দিকে সরে গেছে।
ভাঙনের ফলে সিলেট সীমান্তবর্তী নদী সুরমা ও কুশিয়ারার দিক পরিবর্তন অব্যাহত থাকায় বাংলাদেশ জমি হারাচ্ছে।
এ দুটি নদীর উৎসস্থল উত্তর ইনডিয়ার বারাক নদী। নদী দুটির গতিপথ মূল সীমান্ত রেখা থেকে সরে এসে এখন বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে সিলেট এলাকার হাজার হাজার একর জমি নদীগর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে।
কেবল সুরমা ও কুশিয়ারার ভাঙনের ফলে তিন হাজার একরের মতো এলাকা ইনডিয়ার দখলে চলে গেছে। তবে স্থানীয় জনসাধারণের হিসাবে এর পরিমাণ পাচ হাজার একর।
এ ভাঙনের অনিবার্য ফল হিসেবে পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের মানচিত্র। নদী একদিকে গিলে খাচ্ছে বাংলাদেশের জমি অন্যদিকে গড়ছে ইনডিয়ার এলাকা। ১৯৭৪ সালে স্বাক্ষরিত মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি অনুযায়ী দুই দেশের অভিন্ন নদীগুলোর মধ্যভাগ দিয়ে বর্ডার লাইন চলে গেছে।
কুশিয়ারার ভাঙন ও নদী পথ পরিবর্তনের কারণে মেজরগা, আমালসিদ, লক্ষ্মীবাজার, সুলতানপুর, সেনাপতিচক এবং মানিকপুরের ৯১৪ একর এলাকা এখন ইনডিয়ার অংশ। আর সুরমা নদী তীরবর্তী ২৫০ একরের ভাল্লাহ, উত্তরকূল, মুনসিবাজার এবং দিঘলি এলাকা এখন ইতিহাস।
বাংলাদেশ ২০০৫ সালে যৌথ নদী কমিশনের মাধ্যমে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর ভাঙনের ওপর একটি গবেষণা চালানোর চেষ্টা চালিয়েছিল; কিন্তু ইনডিয়ার অনাগ্রহের কারণে সেটা আর আলোর মুখ দেখেনি।
আসুন, আমরা ইনডিয়ার এই বেআইনী, অমানবিক ও অবন্ধুসুলভ কাজের প্রতিবাদ করি।
আমরা আমাদের ন্যায্য ও ন্যায়সংগত দবীর প্রতি সোচ্চার হই।
নদী বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে।সীমান্তবর্তী নদীগুলোর গতিপথ বদলে দিচ্ছে বাংলাদেশের ম্যাপ।
ইনডিয়ান অংশে উজানে বিভিন্ন পয়েন্টে জলাধার ও গ্রোয়েন নির্মাণের ফলে নদী ভাঙন রোধ করা যাচ্ছে না। এ কারণে নদীগুলো বাংলাদেশের ভেতরে পাড় ভেঙে গতিপথ পরিবর্তন করে নিচ্ছে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য উজানে বারাক নদীর টিপাইমুখে ইনডিয়ান সরকার বাধ দেয়ার কারণে সুরমা ও কুশিয়ারার গতিপথ পরিবর্তন হয়ে যাওয়ায় সিলেটের ব্যাপক এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে। সময়মতো সঠিক ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে নদীতে পানি প্রবাহ বৃদ্ধি পেয়ে আরো জমি হারাবে বাংলাদেশ।
ইনডিয়া-বাংলাদেশ সীমান্তের ৩০০ কিলোমিটার পথ নদীপথের। জানা যায়, নদী ভাঙনের কবলে পড়ে এ পর্যন্ত ৩০ হাজার একরের মতো বাংলাদেশি এলাকা ইনডিয়ার দিকে সরে গেছে।
ভাঙনের ফলে সিলেট সীমান্তবর্তী নদী সুরমা ও কুশিয়ারার দিক পরিবর্তন অব্যাহত থাকায় বাংলাদেশ জমি হারাচ্ছে।
এ দুটি নদীর উৎসস্থল উত্তর ইনডিয়ার বারাক নদী। নদী দুটির গতিপথ মূল সীমান্ত রেখা থেকে সরে এসে এখন বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে সিলেট এলাকার হাজার হাজার একর জমি নদীগর্ভে হারিয়ে যাচ্ছে।
কেবল সুরমা ও কুশিয়ারার ভাঙনের ফলে তিন হাজার একরের মতো এলাকা ইনডিয়ার দখলে চলে গেছে। তবে স্থানীয় জনসাধারণের হিসাবে এর পরিমাণ পাচ হাজার একর।
এ ভাঙনের অনিবার্য ফল হিসেবে পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশের মানচিত্র। নদী একদিকে গিলে খাচ্ছে বাংলাদেশের জমি অন্যদিকে গড়ছে ইনডিয়ার এলাকা। ১৯৭৪ সালে স্বাক্ষরিত মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি অনুযায়ী দুই দেশের অভিন্ন নদীগুলোর মধ্যভাগ দিয়ে বর্ডার লাইন চলে গেছে।
কুশিয়ারার ভাঙন ও নদী পথ পরিবর্তনের কারণে মেজরগা, আমালসিদ, লক্ষ্মীবাজার, সুলতানপুর, সেনাপতিচক এবং মানিকপুরের ৯১৪ একর এলাকা এখন ইনডিয়ার অংশ। আর সুরমা নদী তীরবর্তী ২৫০ একরের ভাল্লাহ, উত্তরকূল, মুনসিবাজার এবং দিঘলি এলাকা এখন ইতিহাস।
বাংলাদেশ ২০০৫ সালে যৌথ নদী কমিশনের মাধ্যমে সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর ভাঙনের ওপর একটি গবেষণা চালানোর চেষ্টা চালিয়েছিল; কিন্তু ইনডিয়ার অনাগ্রহের কারণে সেটা আর আলোর মুখ দেখেনি।
আসুন, আমরা ইনডিয়ার এই বেআইনী, অমানবিক ও অবন্ধুসুলভ কাজের প্রতিবাদ করি।
আমরা আমাদের ন্যায্য ও ন্যায়সংগত দবীর প্রতি সোচ্চার হই।
নদী বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে।
৪০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=আল্লাহ মহান=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ১২:২২



একবার চিন্তায় ডুবাও মন?
ভেবে দেখো আরো একবার
আল্লাহ কত মহান, কত যে তাঁর দয়া;
ভুমিকম্প হলো প্রকট
তবুও বেঁচে আছি এ যাত্রায়
শোকর গুজার করেছো কী তাঁর?

ভাবনায় একবার আনো,
আল্লাহর দেয়া গজব-কত ভয়ঙ্কর
তবুও কী ভয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিষিদ্ধ সংগঠনের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে মাঠে নামছে জামায়াত-এনসিপি।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ২:১৭


বাংলাদেশে এই প্রথম একটা অভাবনীয় ঘটনার সাক্ষী হচ্ছি আমরা। সরকার টেকানোর জন্য মাঠে নামছে বিরোধী দল! জ্বী, আপনি ঠিকই পড়েছেন। আগামীকাল আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী। ওহ সরি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাইরে এসো

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৬

এসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।

দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রীবর্গের দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত নয় কি?

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৩ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৪

"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেসুরো গলায় গান গাওয়ার অপরাধে

লিখেছেন মাহদী হাসান শিহাব, ২৩ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:০৯


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে

যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×