চুক্তির শর্ত অনুযায়ী পানি না পাওয়ায় পদ্মাসহ উত্তরাঞ্চলের ৩০টিরও বেশি নদীতে নাব্যতা সঙ্কটের সৃষ্টি হয়েছে বলে বিশেষজ্ঞরা জানান।
শুষ্ক মৌসুমে পদ্মায় পানি প্রবাহ না থাকায় নদীর বুকে বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে চর জেগে উঠেছে।
হার্ডিঞ্জ সেতু ও দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সড়ক সেতু লালন শাহ সেতুর ১৬টি পিলারের মধ্যে মাত্র চারটি পানির মধ্যে বাকি ১১টিই দাড়িয়ে রয়েছে শুষ্ক বালুচরে।
বালুচরে নদী তীরবর্তী পাকশী, সাড়া, লক্ষ্মীকুঢ়া, ছলিমপুরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের মানুষ আখ, বাদাম ইত্যাদি চাষাবাদ করছেন।
নদীতে পানি না থাকায় চরে চাষাবাদ হুমকির মুখে পড়েছে।
মেরিনপাড়া এলাকার চাষীরা জানান, চরের জমি লিজ নিয়ে তারা বাদাম চাষ করছেন। কিন্তু প্রচর তাপদাহ আর পানির অভাবে ইতিমধ্যেই অধিকাংশ জমিতে আবাদকৃত বাদাম পুড়ে গেছে।
বাধ্য হয়ে বাকি ফসল বাচাতে তারা পানির পাম্প ভাড়া করে এনে জমিতে সেচের ব্যবস্থা করেছেন।
এ অবস্থা চলতে থাকলে চলতি মৌসুমে তাদের খরচের টাকা তোলাই দায় হয়ে পড়বে। নদীতে পানি না থাকায় নদী তীরবর্তী অঞ্চলে তার বিরূপ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। পাকশী, বাঘইল, দিয়াড় বাঘইল, নতুন রূপপুর, সাহাপুরসহ বিভিন্ন এলাকার টিউবওয়েলগুলোতে পানি উঠছে না।
নদীতে পানি না থাকায় নৌ চলাচল ব্যাহতসহ কৃষি, সেচ, শিল্প ও পরিবেশ হুমকির মুখে পড়েছে।
এ অবস্থা একটানা চলতে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে পদ্মাসহ উত্তরাঞ্চলের নদনদী শুকিয়ে বিশাল এলাকা মরুভূমিতে পরিণত হওয়ার আশঙ্কা করছেন সচেতন নাগরিকরা।
আসুন, আমরা ইনডিয়ার এই বেআইনী, অমানবিক ও অবন্ধুসুলভ কাজের প্রতিবাদ করি।
আমরা আমাদের ন্যায্য ও ন্যায়সংগত দবীর প্রতি সোচ্চার হই।
নদী বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


