somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মোহাম্মদ আলী আকন্দ
আমি ময়মনসিংহ জেলা স্কুল থেকে ১৯৭৭ সালে এস.এস.সি এবং আনন্দ মোহন কলেজ থেকে ১৯৭৯ সালে এইচ.এস.সি পাশ করেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৪ সালে এলএল.বি (সম্মান) এবং ১৯৮৫ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএল.এম পাশ করি।

ব্রিটেনের সাথে দ্বন্দ্ব-সংঘাত

০৭ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ১:২৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ব্রিটেনের সাথে উত্তর আমেরিকার উপনিবেশগুলির দ্বন্দ্ব-সংঘাত অনিবার্য হয়ে উঠে. ব্রিটিশরা মনে করতো মূল ভুখন্ডের কল্যাণের জন্যই উপনিবেশগুলির অস্থিত্ব টিকিয়ে রাখতে হবে. আর এ ধরণের মনোভাবের কারণেই আমেরিকায় বসতি স্থাপনকারীদের মাঝে অসন্তোষ জন্মনেয়. ১৬৫১ সালে ব্রিটিশ সংসদে ন্যাভিগেশন এক্ট নাম একটা আইন পাস হয়. এই আইনে বলা হয়, ইউরোপের বাইরে কোনো পণ্য উৎপন্ন বা তৈরি হলে, সেই পণ্য ইংল্যান্ডে রফতানি করতে হলে, ইংল্যান্ডের জাহাজ ব্যবহার করতে হবে. আরো কিছু পণ্যপরিবহন আইন প্রণয়ন করা হয়, সে গুলিতেও একই শর্ত এরূপ করা হয়. ১৬৬০ সালের ন্যাভিগেশন এক্টএ বলা হয়, আমেরিকাতে উৎপন্ন কতিপয় পণ্য, যেমন, তুলা, নীল, চিনি এবং তামাক শুধুমাত্র ব্রিটেনে বা ব্রিটিশ উপনিবেশগুলিতেই রফতানি করা যাবে, এর বাইরে কোনো দেশে রফতানি করা যাবে না. ১৬৭০ এবং ১৬৭৩ সালেও এই ধরণের আরো কিছু আইন প্রণয়ন করা হয়. প্রথম দিকে ব্রিটিশরা আইনগুলি বাস্তবায়নের জন্য তেমন উদ্যোগ নেয়নি এবং মার্কিন উপনিবেশগুলিও ব্যাপকভাবে তা অবজ্ঞা করতে থাকে. ১৭৬৩ সালের পর থেকে ব্রিটিশরা আইনগুলি বাস্তবায়নের জন্য কঠোর উদ্যোগ নেয়, এতে উপনিবেশগুলেতে অসন্তোষ দেখাদেয়.

অষ্টাদশ শতাব্দীর শুরুতে উত্তর আমেরিকার উপনিবেশগুলোতে জনসংখ্যা দ্রুত বাড়তে থাকে. সপ্তদশ শতাব্দীর শেষ দিকে জনসংখ্যা যেখানে ছিল প্রায় ৩ লক্ষ্, সেখানে ১৭৬০ সালে জনসংখ্যা দাঁড়ায় ১০ লক্ষে. ১৭৮০ সালে এটা হয়ে যায় দ্বিগুন. অষ্টাদশ শতাব্দীর শুরুতে উত্তর আয়ারল্যান্ড থেকে বিপূল সংখ্যক অভিবাসী আসতে থাকে, তারা ছিল ধর্মমতে স্কটিশ প্রেসবিটেরিয়ান্স. তা ছাড়াও স্কটল্যান্ড থেকেও অনেক অভিবাসী আসতে থাকে. অষ্টাদশ শতাব্দীর শুরুতে জার্মানি থেকেও বিপূল সংখ্যক মানুষ এখানে আসে. উত্তর আমেরিকাতে জমি খুব শস্তা এবং উন্নত জীবন যাপনের আশায় মানুষ বিপূল সংখ্যায় উত্তর আমেরিকাতে বসতি গড়তে আসে.
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ১:২৬
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আত্মহনন ও পক্ষপাতিত্ব

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:২৮


রবীন্দ্রনাথ কি বাংলাদেশের নাগরিক ??!! শুধুমাত্র জাতীয় সংগীতের রচয়িতা এবং বাংলাদেশে কিছু সুশীলদের (ভালো নাপিত) তাকে নিয়ে নানা রকমের কলহ-বিবাদ-বিভক্তি তৈরী ব্যতিত; বাংলাদেশে তার আর অবদান কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

তারা ভারতের এই সফট টুলস রবীন্দ্রনাথকে রক্ষা করবে।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৩


কয়েকদিন আগে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জাতীর পিতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেলা হলো, সেখানে তো গ্রেপ্তার দেখলাম না! সেখানে কি পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের অবণতির শঙ্কা ছিলো না? পাকিস্তানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপি হল অথর্ব আর ইডিয়েটদের দল। বর্তমানে এদের দেশ পরিচালানার করার কোন যোগ্যতা ই নেই।

লিখেছেন তানভির জুমার, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:২৩

রবীন্দ্রনাথের ছবিতে কালি দেয়াটা নিন্দনীয় কিন্ত তার বিচার হবে কিসে? রাষ্ট্রদ্রোহিতা মামলায়?? রিমান্ডে নিয়ে?

চৈতালি চক্রবর্তী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, সে আইন বুঝে। প্রায় প্রতিদিন জুলাই, আবু সাইদ, বাংলাদেশ সব কিছু সম্পর্কে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এআই মন্তব্যের পর ব্লগারগণের পোষ্ঠ ভালো বুঝে আসে

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২০



চাঁদগাজী/সোনাগাজী বলতেন অনেক ব্লগার গরুর রচনা এবং অনেক ব্লগার গার্বেজ লেখেন। তাঁর এমন মন্তব্যের কারণে তাঁর বিরোধী ব্লগার সংখ্যা বেড়ে যায়। ফলে তিনি বার বার ব্যানের শিকার... ...বাকিটুকু পড়ুন

=মনে রং নেই আর=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৫২


মন তো ছিল গোলাপী রঙ আভায় বন্দি, মন ছিল চন্দ্র মল্লিকা,
মন আর সেই মন নেই, মনের চারিপাশে এক সমুদ্দুর কুহেলিকা;
মন যেন পাথর হয়ে আছে, নেই অফুরন্ত ফুরসত
মন গোলাপী রঙ নয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×