somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মোহাম্মদ আলী আকন্দ
আমি ময়মনসিংহ জেলা স্কুল থেকে ১৯৭৭ সালে এস.এস.সি এবং আনন্দ মোহন কলেজ থেকে ১৯৭৯ সালে এইচ.এস.সি পাশ করেছি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৪ সালে এলএল.বি (সম্মান) এবং ১৯৮৫ সালে একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএল.এম পাশ করি।

বাস্তববাদী ইন্ডিয়ান ভাববাদী বাংলাদেশী

০৭ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৯:৫৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাস্তববাদী ইন্ডিয়ান
স্টুডেন্ট ভিসায় পড়তে আসা একজন ইন্ডিয়ান ছাত্র তার আনুসাঙ্গিক খরচ চালানোর জন্য এক রেস্টুরেন্টে পড়াশুনার ফাঁকে ফাঁকে পার্টটাইম কাজ করে. যাতায়াতের জন্য তার সামর্থ অনুসারে একটা পুরানো গাড়ি কিনেছে. কিছুদিন কাজে আসার পর হিসাব করে দেখলো যাতায়ত খরচ অনেক বেশি হচ্ছে.

সে চিন্তা করলো চাকরিটা বজায় রেখে কি ভাবে যাতায়ত খরচ কমানো যায়. সে তার মালিককে বলে তার তিনজন ইন্ডিয়ান বন্ধুকে কাজ জোগাড় করে দিলো, তাদের যাতায়তের জন্য কোনো গাড়ি নেই. ওই তিনজন হিসাব করে দেখলো ট্যাক্সি ভাড়াকরে আসলে খরচ অনেক বেশি পরবে. তাই তারা গাড়িওলা বন্ধুকে প্রস্তাব দিলো তারা প্রত্যেকে ৫ ডলার করে যাতায়ত খরচ বাবদ দিবে. গাড়িওলা বন্ধু সানন্দে প্রস্তাব গ্রহণ করলো. উভয় পক্ষই লাভবান.

ভাববাদী বাংলাদেশী
ঠিক একই ধরণের পরিস্থিতিতে এক বাংলাদেশী ছাত্র আরেক বাংলাদেশী গাড়িওলা ছাত্রকে অনুরোধ করলো তাকে যাতায়াতে সাহায্য করতে. গাড়িওলা বন্ধু অনেক 'যদি' 'কিন্তু' বলার পর তার গাড়িতে নিতে রাজি হলো. গাড়িওলা বন্ধু দুই তিনদিন যাতায়ত করার পর, সবসময় শুনাতে থাকলো, গাড়িতে কত খরচ. তেল খরচ, মেরামত খরচ ইত্যাদি.

বন্ধু বুঝতে পারলো এবং অনুধাবন করতে পারলো কিছু খরচ শেয়ার করা দরকার. সে খুব বিনয়ের সাথে যাতায়ত খরচ বাবদ কিছু টাকা শেয়ার করতে চাইলো. গাড়িওলা বন্ধু খবেই ক্ষেপে যেয়ে বলতে থাকলো, সে এত ছোটোলোক না যে বন্ধুর কাছ থেকে টাকা নেবে ইত্যাদি.

এর দুই একদিন পর থেকেই গাড়িওলা বন্ধুর ব্যস্ততা অনেক বেড়ে গেলো. ইচ্ছা থাকা স্বত্তেও তার পক্ষে বন্ধুকে যাতায়াতে সাহায্য করা আর সম্ভব হচ্ছেনা.

সর্বশেষ
এখন গাড়িওলা বন্ধু বলে বেড়াচ্ছে, তার বন্ধু খুবেই অকৃতজ্ঞ, সে তাকে যাতায়াতে কত সাহায্য করেছে, কোনো টাকা নেয়নি ইত্যাদি. সে শুধু অকৃতজ্ঞই না, সে হারকিপটে. সে অন্যের উপর চলতে চায়.

আর অপর বন্ধু বলে বেড়াচ্ছে, তার বন্ধু ছোটোলোক, ভাড়া বাবদ টাকা দাবি করে ছিল, টাকা না দেওয়াতে ব্যাস্ততার অজুহাতে তাকে নেয়া বন্ধ করে দিয়েছে ইত্যাদি.
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই মার্চ, ২০১৭ রাত ৯:৫৫
১৪টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আত্মহনন ও পক্ষপাতিত্ব

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:২৮


রবীন্দ্রনাথ কি বাংলাদেশের নাগরিক ??!! শুধুমাত্র জাতীয় সংগীতের রচয়িতা এবং বাংলাদেশে কিছু সুশীলদের (ভালো নাপিত) তাকে নিয়ে নানা রকমের কলহ-বিবাদ-বিভক্তি তৈরী ব্যতিত; বাংলাদেশে তার আর অবদান কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

তারা ভারতের এই সফট টুলস রবীন্দ্রনাথকে রক্ষা করবে।

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:০৩


কয়েকদিন আগে পাকিস্তান রাষ্ট্রের জাতীর পিতা মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর ছবি ছিঁড়ে ফেলা হলো, সেখানে তো গ্রেপ্তার দেখলাম না! সেখানে কি পাকিস্তানের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্কের অবণতির শঙ্কা ছিলো না? পাকিস্তানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপি হল অথর্ব আর ইডিয়েটদের দল। বর্তমানে এদের দেশ পরিচালানার করার কোন যোগ্যতা ই নেই।

লিখেছেন তানভির জুমার, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:২৩

রবীন্দ্রনাথের ছবিতে কালি দেয়াটা নিন্দনীয় কিন্ত তার বিচার হবে কিসে? রাষ্ট্রদ্রোহিতা মামলায়?? রিমান্ডে নিয়ে?

চৈতালি চক্রবর্তী সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী, সে আইন বুঝে। প্রায় প্রতিদিন জুলাই, আবু সাইদ, বাংলাদেশ সব কিছু সম্পর্কে... ...বাকিটুকু পড়ুন

এআই মন্তব্যের পর ব্লগারগণের পোষ্ঠ ভালো বুঝে আসে

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২০



চাঁদগাজী/সোনাগাজী বলতেন অনেক ব্লগার গরুর রচনা এবং অনেক ব্লগার গার্বেজ লেখেন। তাঁর এমন মন্তব্যের কারণে তাঁর বিরোধী ব্লগার সংখ্যা বেড়ে যায়। ফলে তিনি বার বার ব্যানের শিকার... ...বাকিটুকু পড়ুন

=মনে রং নেই আর=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৫২


মন তো ছিল গোলাপী রঙ আভায় বন্দি, মন ছিল চন্দ্র মল্লিকা,
মন আর সেই মন নেই, মনের চারিপাশে এক সমুদ্দুর কুহেলিকা;
মন যেন পাথর হয়ে আছে, নেই অফুরন্ত ফুরসত
মন গোলাপী রঙ নয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×