somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পরীক্ষার আগেরদিন প্রেম বিষয়ক গরু খোঁজা(=গো+এষণা=গবেষণা)

১১ ই অক্টোবর, ২০১২ রাত ১০:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

হায়রে কপাল!আমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না!আগামীকাল প্রাচ্যের অক্সফোর্ডে ভর্তি পরীক্ষা(যেখানে একবার আমি ব্যার্থ হয়ে দ্বিতীয়বারের মত চেষ্টা চালাচ্ছি) আর আজকে আমার মাথায় প্রেম বিষয়ক চিন্তা ঘুরপাক খাচ্ছে!!!যাই হোক কথাটা প্রকাশ না করলে পেটের মধ্যে গুড় গুড় করবে।আর পরীক্ষার আগে আমি এই গুড় গুড় করা মোটেও সহ্য করব না :P আগেই বলে রাখি আমি প্রেমি নই(যে ব্যাক্তি প্রেম করে=প্রেমি;আমার অতি ঘনিষ্ট একজন বন্ধুর দেয়া বিশেষণ।খুব পছন্দ হয়েছে তাই মেরে দিলাম!)।তবে কারো প্রেম এ পতিত হইনি এমনটা বলা ভুল হবে(সব বয়েসের দোষ!)।যাই হোক কাহিনী শুরু গতকাল রাতে।একজন ঘনিষ্ট একজন বন্ধু আছে যার সাথে বিভিন্ন বিষয়ে আমার চিন্তা ভাবনার খুউউব মিল খুঁজে পাই।সেই বন্ধুকে গতকাল রাতে বদনকিতাবে বললাম,
আমিঃ দোস্ত প্রেম বিষয়ক তোর চিন্তাটা কি রকম?
বন্ধুঃ কি বলতে চাচ্ছিস একটু বুঝায় বল।
আমিঃ এই আজকের যুগের জান জান করা কেএফসি প্রেমিকদের বিষয়ে তোর মতামত।
বন্ধুঃ ও।দোস্ত আমরা সব ক্ষেত্রে পশ্চিমা সংস্কৃতি থেকে কম করে হলেও ১০০ বছর পিছায় আছি।আর কোন ক্ষেত্রে চেষ্টা না করলেও এই একটা ক্ষেত্রে আমরা এই ১০০ বছর গ্যাপটা পূরণ করার চেষ্টা করতেসি।যেহেতু সব কিছু ১০০ বছর পিছায় আসে কিন্তু প্রেম বিষয়টা পিছায় নাই তাই খিচুড়ী টাইপ অবস্থা হয়ে গেসে।
আমিঃ দোস্ত খুব ভাল বলেছিস আমারও একি ধারণা।জান জান করা আর কেএফসি খাওয়া যদি প্রেম হইতো তাইলে এই জিনিসটা মানুষের কাছে পান্তা ভাত হইয়া যাইত।প্রেমের প্রতি মানুষের এই দুর্নিবার আদম্য আকর্ষণ থাকতো না।
এবার নিজের কথা বলি।গতকাল রাত ১.০০ টায় আমি পড়াশুনা শেষ করে ঘুমানোর চেষ্টা করতিসি।হঠাত মনে হইল আসলে প্রেম জিনিসটা কি?সকালে আমার গবেষণার ফলাফল বা প্রেম বিষয়ে আমার নিজস্ব মতামত, “প্রেম হচ্ছে কারো প্রতি প্রচণ্ড আকর্ষণ বোধ করা।তার প্রতিটি কাজের প্রতি অদ্ভুত ভাল লাগা বোধ করা।প্রেম হচ্ছে কারো জন্য ব্যাখ্যাতীত কাজ করা কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেই কাজের কোন অর্থ খুঁজে না পাওয়া।নিজের সমস্ত কিছু দিয়ে কারো প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা।আর সব থেকে বড় কথা প্রেম হচ্ছে কারো অস্তিত্ব সবসময়ের জন্য অনুভব করা।“
সব কথার এক কথা হচ্ছে সারাদিন মুঠোফোনে জান জান করা আর সকাল বিকাল কেএফসি তে খাওয়া দাওয়া করে যদি কারো অস্তিত্ব বজায় রাখা হয় তাহলে সেটা প্রেম না সেটা হচ্ছে মোহ।
সকল আধুনিক প্রেমি ভাই ও বোনেদের প্রতি আমি ক্ষমা প্রার্থনা করে তাদের প্রতি লেখা উৎসর্গ করলাম।
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মহাজন জিন্দা হ্যায়!!!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭



মনে পড়ে, ঠিক এক বছর আগে গত বছর এই সময়ের দিকে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছিল 'মহাজন স্যারকে আরও ৫ বছর বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চাই' টাইপের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭



আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ পাখির জগত

লিখেছেন ইসিয়াক, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০০



টোনাপাখি লেজ নাচিয়ে গাইছে মধুর গান।
গান শুনে টুনিপাখি আহ্লাদে আটখান।

টোনা যখন উড়ে ঘুরে অন্য ডালে বসে।
টুনি এসে ঠিক তখনই বসে তারই পাশে।

বুলবুলিদের পাড়ায় আজ দারুণ শোরগোল।
নানা শব্দের... ...বাকিটুকু পড়ুন

মোহভঙ্গ!

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৯ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:৪৮



পদ্মা সেতু নিয়ে কত অপবাদই না দেয়া হয়েছিলো! বলা হয়েছিলো- বাংলাদেশ কখনো নিজস্ব অর্থায়নে এত বড় প্রকল্প করতে পারবে না। দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিশ্বব্যাংক সরে দাঁড়ায়। অথচ শেষ পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন

×