somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কিছু দুর্লভ ছবি (পর্ব-৩)

১৫ ই জুলাই, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
১.


মাদাগাস্কারের Andasibe-Mantadia জাতীয় পার্ক থেকে তোলা এই ছবিটি দেখুন। শিকারি থেকে বাঁচতে লুকিয়ে আছে এক ধরণের টিকটিকি। বৈজ্ঞানিক নামঃ Uroplatus phantasticus.
২.


বিশ্বের ১০টি বিপদজনক রাস্তার মধ্যে এটি একটি। বিপদজনক এই রাস্তাটি ফিলিপাইনে অবস্থিত।
৩.


সমুদ্রের উপরে নির্মিত এই ব্রীজটির দৈর্ঘ্য ৭ মাইল। এই ব্রীজটি ফ্লোরিডায় অবস্থিত।
৪.


পৃথিবীতে আলোড়ন সৃষ্টি করা ছবিগুলোর মধ্যে একটি । বাচ্চাটার মা নাই ... মা কে কখনো সে দেখেও নাই ...
অনেক ইচ্ছা করে তার, মায়ের কোলে ঘুমাতে ... তাই মেঝেতে মা কে এঁকে তার কোলে ঘুমিয়ে পড়ে বাচ্চাটা .........
৫.


প্রাচীন বিশাল আকৃতির একটা পাথর রয়েছে সৌদিআরবের Al-Hassa গ্রামে। পাথরটি বছরের নির্দিষ্ট সময়ে মাটি থেকে ১১ সে:মি: শূন্যে ভেসে থাকে। ইতিহাসে জানা যায়, ১৯৮৯ সালে একজন মুজাহিদকে এই পাথরের উপর/পাশে গুলিবিদ্ধ করে হত্যা করা হয়। ঘটনাটি ছিল এপ্রিল মাসের। তারপর থেকে প্রতি বছর এপ্রিল মাসের নির্দিষ্ট এই দিনে পাথরটি আধা ঘন্টা মাটির উপর ভাসমান হয়ে থাকে। আরও মজার ব্যাপার হচ্ছে, য…খন এই ঘটনা ঘটে তখন পাথরটিতে লেগে থাকা রক্ত তাজা/ভেজা দেখা যায় এবং উজ্জ্বল হয়ে গাঢ় বর্ন ধারন করে। স্হানীয়রা পাথরে লেগে থাকা এই রক্ত মোছার অনেক চেষ্টা করেছে কিন্তু পরবর্তীতে আবারও পাথরের গায়ে রক্ত দেখা যায়।
৬.


বিশ্বের সবচেয়ে লম্বা মোটরসাইকেল।
৭.


এটিকে বলা হয় বলা হয় মেক্সিকোর গুপ্ত সৈকত। এটি মেক্সিকোর ম্যারিয়েটা দ্বীপে অবস্থিত। এর চারপাশ ঘেরা পাথরে, মাঝখানে একটি বৃত্তাকার অংশ দিয়ে দেখা যায় আকাশ। এ সৈকতটিকে লুকিয়ে রাখার চেষ্টায় কোনো ত্রুটিই যেন করেনি প্রকৃতি। সৈকতটিতে পৌঁছতে গেলে সাঁতরে যাওয়ার বিকল্প কোনো রাস্তা নেই। আবার সাঁতার কাটার পথটাও কম রোমাঞ্চকর নয়। প্রথমে বিশাল সমুদ্র, তারপর ম্যারিয়েটা দ্বীপ, দ্বীপের ভেতর একটি গুহা। সাঁতার কাটতে হবে এ গুহার ভেতর দিয়েই। গুহার ভেতর দিয়ে ৪০ থেকে ৪৫ ফুট গেলেই দেখা যাবে প্রকৃতির সযত্নে লুকিয়ে রাখা সৈকতটিকে। বলা হয়ে থাকে, কয়েক হাজার বছর আগে অগ্ন্যুৎপাতের কারণে ম্যারিয়েটা দ্বীপটির জন্ম। সেখানে কোনো মানুষ বাস করে না।
৮.


এই মানুষটি টুইন টাওয়ারে হামলার পর বেঁচে থাকার শেষ চেষ্টা করেছিলেন। এই বহুতল ভবন থেকে এভাবেই ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন তিনি। দুর্ভাগ্য, চেষ্টাটা সফল হয়নি তার। অন্যদিকে বিরল আর বেদনাদায়ক ওই মূহুর্তটি ধারণ করতে সফল হয়েছিলেন এপি’র ফটোগ্রাফার রির্চাড ড্র। এ নিয়ে অবশ্য তাকে অনেক সমালোচনা আর তিরস্কার শুনতে হয়েছে। তার মতো ফটোগ্রাফারকে 'লোভী' বলতেও ছাড়েননি অনেকে।
৯.


জন এফ কেনেডি মারা গেছেন। ছেলে জুনিয়র কেনেডি বাবার কফিনে শ্রদ্ধাময় স্যালুট দিচ্ছে। জুনিয়র কেনেডির আবেগঘন এই শ্রদ্ধা প্রকাশের চেষ্টা ‘আ লিটল স্যালুট’ নামেই পরিচিত হয়ে যায় গোটা বিশ্বে। বাবার প্রতি শিশুপুত্রের শ্রদ্ধা প্রকাশের এ এক বিরল দৃশ্য।
১০.


এটি মালেশিয়ার একটি জঙ্গলের রাস্তা। তবে বিশ্বাস করতে মন চায় না!!!!
১১.


এটি ক্যামেরায় তোলা কোন ফটোগ্রাফ বা আলোকচিত্র নয়, বরং হাতে আঁকা একটি ছবি! অথচ বিশ্বাস করা কঠিন। এ ধরণের ছবিতে বাস্তব দৃশ্যের সূক্ষাতিসূক্ষ বিষয়গুলো এমনভাবে ফুটিয়ে তোলা হয় যে হাতে আঁকা ছবি আর ক্যামেরায় তোলা ছবির মধ্যে পার্থক্য করা যায় না। বাস্তব কোন দৃশ্যকে ক্যানভাসে অবিকল অংকন করার এই চিত্রকলার নাম ফটোরিয়ালিজম বা চিত্রবাস্তবতা।
১২.


ছবিটি দেখে কি মনে হচ্ছে? এটি কোনো লাইব্রেরির ছবি নয়। জাপানের একটি বাসস্ট্যান্ডের ‍দৃশ্য এটি। দুর্ভাগ্য আমাদের ! এ ধরনের দৃশ্য আমাদের দেশে চিন্তাও করতে পারি না।
১৩.


ভূমিকম্পের পর ব্রিজ ভেঙে গেলে এভাবেই কিছুদিন স্কুলে যাতায়াত করতে হতো ভুটানের স্কুল ছাত্রীদের!
১৪.


দেখে কি বোঝা যাচ্ছে এখানে কিছু লুকায়িত আছে?
১৫.


বিশ্বের সেরা ফুটবলার লিয়োনেল মেসি ও তাঁর ছেলে
১৬.


ওয়াসিক ফারহান রূপকথা। ছয় বছর বয়সী এক বাংলাদেশী বালক। এই বয়সেই বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ কম্পিউটার প্রোগ্রামারের পদবীটি দখল করে রূপকথা বিশ্বে ইতিহাস সৃষ্টি করেছে। শিরোনাম হয়েছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের। রূপকথার এই গল্প বাংলা রূপকথাকেও হার মানিয়েছে। দি নিউইয়র্ক হেরাল্ড ট্রিবিউন, ক্যালিফোর্নিয়া অবজারভার, এস্টেট নিউজ, চিল্ড্রেন পোস্ট এবং অনেক আন্তর্জাতিক ওয়েবসাইট তাকে বিশ্বে সর্বকনিষ্ঠ কম্পিউটার প্রোগ্রামার হিসাবে অভিহিত করেছে।
১৭.


আমাজনে নদীর নিচে তোলা একটি অ্যানাকোন্ডা সাপের ছবি!!
১৮.


২০২২ সালের ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে কাতার তৈরি করতে যাচ্ছে বিশ্বকে অবাক করে দেয়ার মতো কিছু স্টেডিয়াম।। ছবিতে যেই স্টেডিয়ামটির নকশা দেখতে পাচ্ছেন তা কাতারের দোহা বন্দর সংলগ্ন স্টেডিয়াম।। একটি সামুদ্রিক প্রাণীর আকৃতিকে প্রাধান্য দিয়ে স্টেডিয়ামটি বানানো হচ্ছে।।
১৯.


জর্ডানের ডেড সী পৃথিবীর একমাত্র সাগর যেখানে কোন মানুষ ডোবে না। এ হ্রদে কোন উদ্ভিদ বা মাছ বাঁচে না বলেই মূলত একে মৃত সাগর বলা হয়ে থাকে। এর লবণাক্ততা শতকরা ৩০ ভাগ এবং এটি সমুদ্রের পানির চাইতে ৮.৬ গুণ বেশি লবণাক্ত। উচ্চ লবণাক্ততার ফলে সৃষ্ট প্লবতায় ভেসে আছেন এক পর্যটক।
২০.


ছবিটি দেখে মনে হতে পারে অবাস্তব। আসলে এটি আমেরিকার সান ফ্রান্সিসকোর বাস্তবের একটি রাস্তা।
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই জুলাই, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:৩২
৮টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

”আমার রাজনীতির রূপরেখা” -- জিয়াউর রহমান

লিখেছেন প্রামানিক, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০০


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক
আমি তখন দৈনিক দেশ পত্রিকায় চাকরি করি। এটা আমার দ্বিতীয় চাকরি। প্রথম চাকরি নিয়েছিলাম ব্রিটিশ আমলের প্রকাশিত দৈনিক আজাদ পত্রিকায়। আজাদ পত্রিকাটি ব্রিটিশ আমলে মুসলমানের পক্ষের একমাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

শহীদ জিয়া ২৭ মার্চের ভাষণে 'জয় বাংলা' বলেছিলেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১১





সূত্রঃ আমার রাজনীতির রূপরেখা
লেখকঃ জিয়াউর রহমান
পৃষ্ঠাঃ ১৭৭

...বাকিটুকু পড়ুন

ওরা জিডিপি আর সেমিকন্ডাক্টরে ব্যস্ত , আমরা ব্যস্ত গোরুর জিয়াফত নিয়ে ....।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩৫


গতকাল মামার ফোন এল দুবাই থেকে, রাতের বেলা। বললেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জবাই করে জিয়াফত খাওয়ার খবর এখান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, ব্যাপার কী? আমি বললাম, মামা, ওরা গরুর মাংস... ...বাকিটুকু পড়ুন

মীর জাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির ঐতিহাসিক চুক্তি! যে চুক্তির জন্য বাংলার স্বাধীনতার সূর্য ২০০ বছরের জন্য অস্তমিত হয়েছিল!

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৪২


আমরা পলাশী যুদ্ধের কথা জানি। কিন্তু এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার আগে যে একটি ঐতিহাসিক চুক্তি হয়েছিল মীরজাফর ও ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্ণধার লর্ড ক্লাইভের এর সাথে সেটা সম্পর্কে খুব কমই... ...বাকিটুকু পড়ুন

যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৯:১০


যার যার ধর্ম, তার তার উৎসব....

“ধর্ম যার যার, উৎসব সবার”- শুনতে চমৎকার, জনপ্রিয়ও বটে। কিন্তু কথাটি কি ধর্মীয় বিশ্বাসের বাস্তবতার সঙ্গে পুরোপুরি সংগতিপূর্ণ?
আমার কাছে তা নয়। এধরণের বাণী... ...বাকিটুকু পড়ুন

×