৭১-এর অপরাধের কারণে জামাতের নিবন্ধন বাতিল হয়নি। হয়েছে পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে 'আল্লাহর উপর পুর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস' উঠিয়ে দেয়ার কারনে। পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে এই বিষয়টি তুলে দিয়ে সেকুলারিজম ( ধর্মীয় প্রভাবমুক্ত রাস্ট্র ব্যাবস্থা ) সংবিধানে সংযোজনের ফলেই জামাতের নিবন্ধন সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক হয়েছে। জামাতের গঠনতন্ত্রে 'সকল ক্ষমতার উৎস আল্লাহ' এই বিশ্বাসটি বর্তমান সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক হওয়ায় নিবন্ধন বাতিল হয়েছে। 'আল্লাহর উপর পুর্ণ বিশ্বাস' বা 'আল্লাহ সকল ক্ষমতার উৎস' এই বিশ্বাস -প্রতিটি প্রকৃত মুসলমানের। এটা মুসলমানের অন্যতম মৌলিক বিশ্বাস। আর এই বিশ্বাস থাকার কারণে দল হিসাবে জামাতের নিবন্ধন বাতিল হয়েছে।
এটা একেবারে কনক্রিট সত্য যে, এই বিশ্বাস থেকে আমি একজন মুসলমান হিসাবে মোটেই বিচু্যত হতে পারি না। নাগরিক হিসাবে আমারও নিবন্ধন রয়েছে। এখন পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বর্তমান যে সেকুলার সংবিধান, এর আওতায় আমার নিবন্ধন বাতিল হবে কিনা কর্তৃপক্ষের কাছে আমার জিঞ্জাসা।
নিবন্ধন বাতিল হলে আমি ভোট দেবার অযোগ্য হব। নানা কেচাল থেকেও বেঁচে যেতে পারবো।
নির্বাচন কমিশন থেকে একটা স্পষ্ট দিক নির্দেশনা চাই।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা আগস্ট, ২০১৩ রাত ১১:২৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


