রামুর ঘটনায় প্রতিক্রীয়া মিশ্র। যারা নাস্তিকরা আরেকটা হাতিয়ার পেলো ইসলামকে খাটো করার। শুরু হয়ে গেলো একটা অদরকারী যুদ্ধ।
অন্যদিকে যারা এটা ঘটালো, তাদের কোনো বিকার নাই।
আমি দুটো বিশ্লোষন করব।
যারা নাস্তিক, বিশেষ করে যারা ইদানিং ব্লগ ভিত্তিক নাস্তিকতা করে, তারা মনে করে নাস্তিকতা মানে হলো শুধুই ইসলামকে খাটো করা, তারা কখোনই খ্রীষ্টান ধর্মকে দুষবে না হিটলারের কিংবা ব্রৈইভকিরে (নরওয়ে) জন্য, কখোনই রোহিংগা নির্যাতনের জন্য বৌদ্ধদের দুষবে না, আর ইসরাইলিদের তো কোনো দোষই নাই, ফিলিস্তিনিদের মারা তো কোনো অন্যায় না, অন্যায় হলেও সেটা ইহুদি ধর্মের কোনো দোষ না। আর দোষ হলেও ইসরাইলিদের সেই অধিকার আছে কারন তাদের উপর নির্যাতন করা হয়েছে যুগ যুগ ধরে।
আর যারা মুসলনাম হয়ে পবিত্র আল্লাহর নামে, নিরীহ মানুষ, অন্য ধর্মের উপাসনালয় কিংবা কোনো মাধ্যমকে (যেমন YouTube) ব্যান করার মাধ্যমে নিজের পরহেযগারী দেখায়, তারতো আসলে নিজের ধর্মকেই অপমান করে, অস্বীকার করে। আমাদের নবী(সা
রামুতে ফেসবুকে ইমেজ ট্যাগ করা নিয়ে বৌদ্ধদের উপরে হামলা, কতটা অযৌক্তিক এবং হাস্যকর একটা ব্যপার। আচ্ছা নাহয় মানলাম যে কোরআনকে অবমাননা করা হয়েছে এর মাধ্যমে, তাই বলে তাদের মন্দির পুড়ে ফেলতে হবে? আমাদের নবীর(সা
যখন কোরআনের দোহাই দিয়ে দোররা মারা হয় তখন কোরআনের অবমাননা হয় না, মাদ্রাসায় যখন ছাত্রদের উপর যৌন নির্যাতন করা হয়, তখন ইসলামের অবমাননা হয় না? আরামবাগের দেওয়ানবাগী কি আমাদের নবী(সা
প্রকৃত মুসলমান শুধু নামাজ পরলে আর হজ্ব করলে কিংবা তথাকথিত জিহাদ কিংবা আমেরিকা/ইহুদি/নাসারাদের ঘৃনা হত্যা আক্রমনের মাধ্যমে হওয়া যায় না, সততা, পরোপকারিতি, সত্য বলার মধ্যমেই ভালো মানুষ এবং মুসলমান হওয়া যায়।
আর আমাদের আলেম সমাজ তো পরিনীত হয়েছে মুর্খের দলে, নির্বিকার, সত্য প্রকাশে দায়িত্বহীন, আর কেনোই বা হবে না? অংক, বিগ্গান না জেনে যারা কোরআন বুঝতে চায়, বুঝাতে চায় তারা মানুকে কি শিখাবে?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



