কোটা পদ্ধতি নিয়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিপক্ষে অযথাই বিতর্ক হচ্ছ বলে মনে করি। যার কোটা পদ্ধতি তুলে দিতে চাইছেন তারা এই পদ্ধতির প্রয়োজনীয়তাটা উপলদ্ধি করছেন না। সমাজের পিছিয়ে পরা জনগোষ্ঠিকে প্রাধান্য দেবার জন্যই এই পদ্ধতি, সারা বিশ্বেই কোটা পদ্ধতি চালু আছে। পত্রিকা মারফত যেটা জানতে পারছি তাহলো এই প্রথমবার প্রিলি থেকেই এই কোটা বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে, যেটা অযৌক্তিক, এর কারন হিসেবে বলা হচ্ছে যে কোন বছরই কোটা পরিপূর্ন হচ্ছে না যার জন্য অনেক পদ খালি পরে থাকছে।
একটা সাধারন ব্যপার আমার মাথায় ঢুকে না যে যখন কোটা দিয়ে কোন পদ পূর্ন করা যাচ্ছে না সেখানে এর আসন সংখ্যা না কমিয়ে কেনো উল্টোটা করা হচ্ছে? অথবা যখন কোন পদ খালি থাকছে তখন মেধা তালিকা অনুযায়া অন্য প্রার্থিকে কেনো সুযোগ দেয়া হচ্ছে না? যারা মুক্তিযোদ্ধা কোটার সমালোচনা করছেন তারা ঠিক এতটা কঠোর না হলেও পারতেন, ৩০ ভাগের স্থানে ৫ কিংবা ১০ ভাগ কোটা রাখার প্রস্তাব করা যায়, একইসাথে এই কোটার অবশ্যই সময়সীমা নির্ধারন থাকা প্রয়োজন। আর মুক্তিযোদ্ধাদের নাতি পুতিরা কেনো এই কোটার অন্তর্ভুক্ত হবেন সেটা আমার বোধগম্য নয়। অনেক মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্ম কোটা বিরোধীদের কঠোর সমালোচনা করছেন আবার আরেক পক্ষ মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মকে সমালোচনা করছেন, এর মধ্য জড়িয়ে যাচ্ছে জামাত শিবীর আর ছাত্রলীগ। এখানে দুটো পক্ষ নেবার কোন অবকাশ নাই। কোন পক্ষেরই এত হার্ডলাইনে যাবার দরকার ছিলো না।মুক্তযোদ্ধা প্রজন্মকে এত বাজে ভাবে গালাগালি করাটা একেবারেই দু:খজনক এবং যারা কোটাবিরোধিদের সমালোচনা করছেন তাদেরও বাস্তবতা বোঝার দরকার। সবচেয়ে ভালো হতো যদি এই মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্মরা এই কোটা সংস্কার করার জন্য আন্দোলন করতেন এবং নিজেদের কোটা কমানোর দাবী করতেন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



