Click This Link
লন্ডন থেকে অধ্যাপক ওমর ফারম্নক
গত ১৮ মার্চ শেখ হাসিনা বলেছেন, ঘুষখোর-সুদখোর, দুর্নীতিবাজ-জঙ্গিবাদীরা কখনো দেশ ও জনগণের মঙ্গল করতে পারে না।
নিউইয়র্কে সংবাদ সম্মেলনে শেখ হাসিনা বলেছেন, 'চোর বাটপারদের সঙ্গে বসে কী হবে?' দেশে বিরাজমান বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে বৈঠকে বসার প্রয়োজনীয়তা নাকচ করে দিয়ে বাংলাদেশের াপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ মনত্দব্য করেন। বর্তমানে বিরোধী দলীয় নেত্রী যিনি তিন' তিনবার দেশের প্রধানমন্ত্রী। তার সম্বন্ধে এমন উক্তি একটি দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখ দিয়ে মানায় না বলেই অভিজ্ঞমহল মনে করে। অথচ সংসদের বিরোধী দলীয় নেত্রী সম্পর্কে যিনি এমন কু মনত্দব্য করলেন তাঁর শেখ হাসিনা) সম্পর্কে কিঞ্চিত বিবরণ নিম্নরূপঃ
আমাদের সময় পত্রিকার ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর সংখ্যার একটি রিপোর্টের প্রতি দৃষ্টি নিবদ্ধ করি পাঠকদের। এতে বলা হয়েছে, সিদ্ধিরগঞ্জ পাওয়ার ্#২৪৭৪;্#২৫০৯;্#২৪৮২;্#২৪৯৪;্#২৪৭২;্#২৫০৯;্#২৪৬৩; (চড়বিৎ চষধহঃ) নির্মাণের কাজ দেয়ার বিনিময়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ব্যবসায়ী আজম জে চৌধুরীর কাছ থেকে ২ কোটি ৯৯ লাখ ৬৫ হাজার ৫০০ টাকা ঘুষ নিয়েছিলেন ২০০৪ সালের ২৪ অক্টোর থেকে ২০০১ সালের ২৩ মার্চ সময়কালে। শেখ হাসিনার ফুফাত ভাই শেখ সেলিমের বাসায় ওই ঘুষের টাকা ৮টি চেকের মাধ্যমে হসত্দানত্দর করা হয়। যার প্রমাণ স্বরূপ চেকের কপি ব্যাংক থেকে তুলে কোর্টে দাখিল করা হয়েছে। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের ২৪ অক্টোবর ২০০০ তারিখের ১৮১১৪১৪ নম্বর, ১৮১১৪১৫ নম্বর, ১৮১১৪১৬ ও ১৮১১৪১৭ নম্বর চেকগুলোর মাধ্যমে যথাক্রমে ২৫ লাখ টাকা, ২৫ লাখ টাকা, ২৭ লাখ ৭৫০০ টাকা ও ২৭ লাখ টাকা এবং সাউথ ইস্ট ব্যাংকের ১১ ফেব্রম্নয়ারি ২০০১ তারিখের ২২৮২৬৩২ চেকের মাধ্যমে ৫০ লাখ টাকা, ১৪ ফেব্রম্নয়ারি ২০০১ তারিখের ২২৮২৬৩৩ ও ২২৮২৬৩৪ দু'টি চেকের মাধ্যমে যথাক্রমে ৫০ লাখ টাকা ও ২ লাখ ৫৮ হাজার টাকা, ১৩ মার্চ ২০০১ তারিখের ২২৮৪০৩৪ নম্বর চেকের মাধ্যমে ২৫ লাখ টাকা ও ২৪ মার্চ ২০০১ তারিখের ২২৮৪০৩৫ চেকের মাধ্যমে ২৫ লাখ টাকা সর্বমোট ২ কোটি ৯৯ লাখ ৬৫ হাজার ৫০০ টাকা। শেখ হাসিনার নির্দেশে এ ঘুষের টাকা হতে ১ কোটি টাকা দেয়া হয়েছে ছোট বোন শেখ রেহানাকে এবং বাকী টাকা ঢাকার মতিঝিল থেকে প্রকাশিত অধৃনালুপ্ত বাংলার বাণী বের করতে খরচের জন্য নেয়া হয়। এ বিষয়ে শেখ সেলিম ১৬৪ ধারায় াের্টে জবানবন্দিও দিয়েছিলেন। শেখ সেলিমের এ বিষয়ে স্বীকার করার বিষয়টি ইউ টিউবে পাওয়া যাবে। যঃঃঢ়://িি.িুড়ঁঃঁনব.পড়স/ধিঃপয?া=ীষনঘ১ন৫চঙিি
বাংলাদেশ দ-বিধির ৩৮৪, ৩৮৫ ও ৩৪ ধারায় এ অপরাধের জন্য শেখ হাসিনার সর্বোচ্চ সাজা হওয়ার কথা ১৪ বছর সশ্রম কারাদ-। ২০০৭ সালের ১৩ জুন এ সংক্রানত্দ শেখ হাসিনার বিরম্নদ্ধে গুলশান থানায় একটি দুর্নীতির মামলা দায়ের করা হয় । পরে আদালত শুনানী শেষে চার্জশিট গ্রহণ করে এবং শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানার বিরম্নদ্ধে চার্জ গঠন করে। মামলাটির বিচারকার্য চলে বিশেষ জজ আদালতে, সাৰ গ্রহণ হয় এবং রায় ঘোষণার কাছাকাছি পর্যনত্দ পৌছায়। এরপর ২০০৮ সালের নির্বাচনের পূর্বাহ্নে জেনারেল মঈনের সাথে গোপন সমঝোতার ফলে রহস্যজনক কারণে হঠাৎ মামলাটির বিচারকার্য বন্ধ হয়ে যায়। মঈন ফখরম্নদ্দিনরা একইভাবে বিএনপি এর সাথেও সমঝোতা করতে চেয়েছিল। কিন্তু খালেদা জিয়ার অনড় মনোভাবের কারণে সেটি ফলপ্রসূ হয় নি। ২৯ ডিসেম্বর ২০০৮ এর নীল নকশার নির্বাচনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার আঁতাতের সরকার গঠিত হলে এক পর্যায়ে এ মামলার বাদী আজম জে চৌধুরীকে চাপ দিয়ে মামলাটি প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। শুধু এ মামলটিই নয়, ফেরেশতার চরিত্রে সুশোভিত নারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরম্নদ্ধে মোট ১৫টি মামলা দায়ের হয়। এরমধ্যে পল্টনে লগি বৈঠা দিয়ে সভায় অংশ গ্রহণকারী ১২ জন নিরিহ মানুষকে হত্যা করার হুকুমের আসামী হিেেসব ১টি খুনের মামলা এবং ১৪টি দুর্নীতির মামলায় মোট চৌদ্দ হাজার কোটি টাকার বেশি দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও অনিয়মের অভিযোগ আনা হয়। প্রায় ২০ কোটি টাকার ঘুষ গ্রহণ ও চাঁদাবাজির অভিযোগ ছিল বাংলাদেশের ব্যবসায়ীদের দায়ের করা বেশ কয়েকটি মামলায়। ২০০৯ সালে শেখ হাসিনা দেশীয় ও বিদেশি প্রভূদের সহায়তায় একটি নীল নকশার নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট বাংলাদেশের ৰমতার মসনদ দখল করে নিলে এই পূত পবিত্র ব্যক্তিটি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হন। তিনি অর্থাৎ শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর তার বিরম্নদ্ধে দায়েরকৃত সবকটি মামলা একে একে সরকার তুলে নেয়। অর্থাৎ নিজেদের তৈরি করা আওয়ামী লীগের অঙ্গ সংগঠন সুপ্রীমকোর্টে দায়িত্বরত আওয়ামী বাকশালী বিচারপতিদের দ্বারা বাতিল করানো হয়। শেখ হাসিনা এতেই খুশিতে টগবগ হয়ে গেলেন। তিনি মনে করে নিলেন যে, নিজেদের তৈরি কোর্ট দ্বারা যখন চুরি ও দুর্নীতির মামলা তুলে নেয়া হয়েছে, তখন এবার তিনি ধোয়া তুলসী পাতাতে রূপানত্দরিত হয়েছেন। একটুও তিনি ভাবতে সময় পেলেন না যে, জনগণ তো জানে কে চোর এবং ডাকাত। দেশের বেশিরভাগ জনগণই জানে শেখ হাসিার এ চুরি, দুর্নীতি ও জনগনের অর্থ সম্পদ লোপাটের কথা। আজ যখন শেঞখ হাসিনা এবং তার গুণধর পুত্র যখন দেশের মানুষকে নতুন নতুন উপদেশ দেয় তখন দেশপ্রেমিক জনগণ শুধু হাসে। মহান স্রষ্টাও মানুষের অলৰ্যে হয়ত হাসে।
নিউইয়র্ক গিয়ে শেখ হাসিনা হোটেল হিলটনে তার দলের পৰ থেকে দেয়া সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বলেন, দেশে জঙ্গি তৎপরতা বন্ধ রয়েছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া এগিয়ে চলছে। দেশে এখন কোন হাহাকার নেই। দ্রব্যমূল্য মানুষের নাগালের মধ্যে। সড়ক দুর্ঘনা নেই। শেখ হাসিনার এ শাসনামলে কোন সন্ত্রাস ও দুর্নীতি নেই। ৰমতাশীন দলের কর্মী ও নেতারা এক একজন ফেরেশতা সমতুল্য। কোন পাপই তাদের স্পর্শ করতে পারছে না। দেশে কোন চাঁদাবাজি নেই। সন্ত্রাস নেই। যেসব লোকেরা সন্ত্রাস, দুর্নীতি, হত্যা, ধর্ষণ ও চাঁদাবাজি করছে এরা চেহারায় দেখতে ৰমতাশীন দলের নেতা ও কর্মী হলেও আসলে এরা সকলেই বিরোধী দলেরই নেতা ও কর্মী। মূলত ৰমতাশীন দলের দুর্নাম করাই তাদের উদ্দেশ্য। প্রধানমন্ত্রীর ছেলে জয়ও স্বাগত বক্তব্যে বলল - দেশে এখন অনেক শানত্দি। জনগণের সুখের পায়রা উড়িয়ে নেচে গেয়ে বেড়াচ্ছে। শুধু খালেদা জিয়া, তার দু ছেলে, বিএনপির নেতা ও কর্মীরাই শানত্দিতে নেই। কেননা এরা সকলে দুর্নীতি ও চুরি ডাকাতি করেছে। এজন্য ফেরেশতাদের চরিত্র সমতূল্য আওয়ামী লীগের এ সরকার তাদের বিচার করতে চায়। আর তাই বিচারের ও রিমান্ডের ভয়ে তারা শানত্দিতে নেই। আর শানত্দিতে নেই যুদ্ধাপরাধীরা।
জয় কোটি কোটি টাকা ঘুষ নেই। ছি ছি সবই মিথ্যে কথা। সত্যবাদী মায়ের সত্যবাদী সনত্দান। কথা বার্তায় এবারে মনে হল - লাইক মাদার লাইক সন। জ্বালানি উপদেষ্টা এইচ টি ইমামও ঘুষ নেয় নি। আওয়ামী লীগের এ সরকারে যত মন্ত্রীরা আছেন, তারা সকলেই সৎ ও নিষ্ঠাবান। ২০০৫ সাালে বিএনপি ৰমতায় থাকাকালে দেশের সড়কগুলো নষ্ট করে গেছে। এ দোষ বিএনপি'র। বর্তমান সরকারের কোন মন্ত্রীর বা দফতরের নয়। এখন দেশে প্রতিদিন পরিচয়হীন লাশের মিছিলে সরকারি হাসপাতালগুলো ভারী হচ্ছে না। যেগুলো হচ্ছে এগুলো সবই রাজাকাররা পূর্ব জনমে লাশ করে রেখে গেয়েছিল, তাই। এ সরকারের মন্ত্রীরা তাদের কার্যকলাপের মাধ্যমে সকলেই খোলাফায়ে রাশেদিনের যুগের সততা ও দায়িত্বশীলতাকেও হার মানায়। দেশে একমাত্র সমস্যা এখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দ্রম্নততার সাথে সম্পন্ন করতে পারা, দেশে মাদ্রাসাগুলো আরও বড় সমস্যা এ সব মাদ্রাসাগুলো শুধু জঙ্গি উৎপদান করে। বিশ্বের দরাবারে বাংলাদেশের সকল অর্জনই মস্নান হতে বসেছে এসব মাদ্রাগুলোর কারণে। মসজিদের বেশিরভাগ ইমাম ও আলেম ওলামারাও দেশের ভাবমূর্তিকে ধূলিস্যাত করার জন্য অনেকাংশে দায়ী। শুধুমাত্র আওয়ামী ওলামা লীগের সেকুলার ধর্মাবলম্বী কথিত এসব আলেমগণ ছাড়া আর সকলেই দেশে জঙিবাদ ও মৌলবাদ বিসত্দার লাভ করাচ্ছে। তারা ঠিকমতে মুসলমানদেরকে হিন্দুদের পূজা পার্বনে সেখানে যেতে বারণ করে। যদিও পূজা একটি সার্বজনীন উৎসব। ঈদ ও অন্যসব মুসলমানদের ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলো শুধু মুসলিম মৌলবাদীদের উৎসব। জামায়াতসহ সকল ইসলামি দলগুলোকে নিষিদ্ধ ঘোষণা ও নির্মূল করতে হবে। শুধু জামায়াত ও পরে বিএনপিকে নিশ্চিহ্ন করতে পারলে দেশে আর কোন সমস্যাই থাকবে না। এজন্য শেখ হাসিান নিউইয়র্ক থেকেই হুঁংকার ছেড়ে জামায়াতকে খামোস বলেছেন। মির্জা ফখরম্নল ইসলাম। বেশি কথা বল। তোমাকেও সুযোগমত সাইজ করব। সেকুলার ধর্মাবলম্বী মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম তো বলেই ফেলছে। কোন কথা গোপন রাখেনি। মির্জা ফখরম্নল ইসলাম নাকি কাকের মত কা কা করে বেড়াচ্ছে। তাকে ৰমতাশীন দল আওয়ামী লীগ কাকের মত কা কা করার মত কিছুদিন দয়া করে সুযোগ দিয়েছে। একটু কিছুদিন সময় তো দিতে হবেই। বড় দলতো। তবে জামায়াতের কয়েকজন নেতা সাইজ হওয়ার পরই তোমাকে ধরব। এটিএম আজহারম্নল ইসলামের মত তোমাকে পিটিয়ে চৌদ্দ পুরম্নষ উদ্ধার করে ডান্ডা বেড়ি লাগিয়ে কোর্টের্ আনব। এই যেন ৰমতাশীন দলের হাব ভাব।
ওয়েবসাইট উইকিলিকসের ফাঁস করা তারবার্তায় শেখ হাসিনার আরও অনেক থলের বিড়াল বেরিয়ে এসেছে। এক এগারো তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় কারাগারে আটক থাকাবস্থায় সহায়তার জন্য বিশেষ করে কংগ্রেস পার্টির কাছে বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঋণী আছেন। পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা গওহর রিজভী ঢাকায় তৎকালীন রাষ্ট্রদূত জেমস এফ মরিয়ার্টিকে এ কথা বলেছিলেন। এজন্য এখন শেখ হাসিনা এবং তার দলবল ভারতকে কিভাবে কি দিয়ে তুষ্ট করবে সে নিয়ে ব্যসত্দ হয়ে পড়েছে। তাদের পৰে বাংলাদেশের জনগণের কোন সমস্যা বা দাবী দাওয়া জানার সময় নেই। তারা মনে করে নিচ্ছে ভারতীয় দেব দেবীরা খুশি থাকলে দেশের জনগণের কোন তোয়াক্কা না করলেও এবং জনগণের ভোট না পেলেও আবার ৰমতায় আসা সম্ভব হবে।
আজকের লেখাটা পাকিসত্দানে গত বৃহস্পতিবার (২৯ সেপ্টেম্বর ২০১১) ইসলামাবাদে সর্বদলীয় বৈঠকের কিছু তথ্য দিয়ে শেষ করতে চাই এবং মহান আলস্নাহ্র দরবারে কায়মনো বাক্যে দোয়া করতে চাই - হে আলস্নাহ আমাদের দেশের রাজনীতিবিদদের দেশের স্বার্থে পাকিসত্দানের রাজনীতিবিদদের মত ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা রাখার তৌফিক দাও। সন্ত্রাসবাদী যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের চাপের মুখে পাকিসত্দান আর বেশি কিছু করতে রাজী নয় বলে পাকিসত্দানের প্রধানমন্ত্রী ইউসুফ রাজা গিলানি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন। গত ২৯ সেপ্টেম্বর ইসলামাবাদে সর্বদলীয় বৈঠকে গিলানি এ কথা বলেন। পাকিসত্দানের সেনাবাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার বিরম্নদ্ধে জঙ্গিদের সহযোগিতা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র একের পর এক অভিযোগ তোলার প্রেৰিতে দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা ও যুক্তরাষ্ট্রের চাপ মোকাবেলায় নিজেদের মধ্যে সংহতি জোরদারের লৰ্যে এদিন সর্বদলীয় বৈঠক ডাকেন পাকিসত্দানের প্রধানমন্ত্রী গিলানি। প্রধান বিরোধী দল পাকিসত্দান মুসলিম লীগ-নওয়াজ (পিএমএল -এন) নেতা নওয়াজ শরিফসহ অন্য সবদলের নেতারাও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া সেনাপ্রধান জেনারেল আশফাক পারভেজ কায়ানি এবং আইএসআই-এর প্রধান লে. জেনারেল আহমেদ সুজা পাশা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিনা রাব্বানী খারসহ মন্ত্রী পরিষদের অন্য সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন। গিলানী আরও বলেন, 'যুক্তরাষ্ট্রের উচিৎ পাকিসত্দানের বিরম্নদ্ধে দোষারোপ বন্ধ করা এবং পাকিসত্দানের স্পর্শকাতর জাতীয় স্বার্থের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা।' গত ২৯ সেপ্টেম্বর এর এ সর্বদলীয বৈঠক ডাকার উদ্দেশ্য সম্পর্কে রাজনৈতিক বিশেস্নষক সাবেক জেনারেল তালাত মাসুদ বলেন, 'দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর পৰ থেকে আমেকিাকে একটি জোরালো বার্তা পৌছে দেয়ার জন্য এ বৈঠক ডাকা হয়েছে। তাদের বার্তাটি হল, মার্কিন চাপের মুখে সব রাজনৈতিক দল সেনাবাহিনীর পেছনে ঐক্যবদ্ধ আছে।'
বাংলাদেশের সব রাজনৈতিক দলগুলোর পাকিসত্দানের এ সর্বদলীয় বৈঠক থেকে শিৰা নিতে আমি আহবান জানাই। ভারত মাতার পূজা না করে দেশপ্রেমিক হউন। নিজের বিবেক আপনাকে শানত্দি দেবে। দেশের মানুষ ভালবাসবে। দেশের সাধারণ জনগণেরও উচিত এ থেকে শিৰা নেয়া। আলস্নাহ আমাদের বোধোদয় ঘটিয়ে দিন। আমরা যেন আমাদের নিজেদের বুঝতে পারি। একমাত্র আলস্নাহ ছাড়া আর কারো কাছে মাথা নত না করি। যতই ভারতকে কিংবা অন্য কোন সাম্রাজ্যবাদী শক্তিকে সন্তুষ্ট রেখে ৰমতায় আঁকড়িয়ে থাকতে চাইবেন জনগণ থেকে ততই দূরে সরে যাবেন
উপরের পুরো প্রক্রিয়া কারো কৃতকর্মের সাথে সম্পুর্ন বা আংশিক মিলে গেলে ঐ পারভার্টের কুৎসিত মুখ বরাবর থাকলো আমার মুখের এক দলা থু থু।
(অধ্যাপক ওমর ফারম্নক। সুলেখক, সামাজিক গবেষক, সাংবাদিক, ইংরেজি সাপ্তাহিক ঢাকা পোস্ট সম্পাদক এবং ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক নির্বাহী সদস্য)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

