ইসলাম ধ্বংসের ষরযন্ত্রে শেষ কোথায় ?
১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৩ সকাল ১১:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পৃথিবীতে বহু ধর্ম রয়েছে। রয়েছে অনেক মত ও মতবিরোধ। কিন্তু মহান আল্লাহ তা’য়ালা দ্বীন ইসলামকে এক মাত্র ধর্ম হিসাবে মনোনিত করেছেন। আল্লাহ তা”য়ালা তাঁন দ্বীনকে প্রতিষ্ঠিত করবেন যদিও কাফেররা তা অপছন্দ করে (সুরা সফ আয়াত নং ৯)। এরপরও ইসলাম ধর্মকে দুনিয়াকে থেকে উড়িয়ে দিতে কাফির মুশরিক থেকে নিয়ে আজকে কিছু নামদারী মুসলমান ও ইহুদীদের এজেন্ট হয়ে সর্বাত্বকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। লেখক,কলামিষ্ট, মিডিয়ার মাধ্যমে ইসলামকে বিভিন্ন ভাবে কলুষিত করা হচ্ছে। পশ্চিমা দেশের কথা আমি বলছিনা। যে দেশে ৯০ভাগ মুসলমান বাংলাদেশের কথা আমি এখানে উল্লেখ করছি। দেশের বর্তমান সরকারের আমলে চরমভাবে বিদ্বেষের শিকার হয়েছে ইসলাম। ইসলামকে ধ্বংস করার জন্য বিদেশী প্রভুদের খুশি করতে এবং ক্বোরআন-সুন্নাহ সঙ্গে সাংঘর্ষিক কথা বার্তার মাধ্যমে একের পর এক ইসলাম বিরোধী কর্মকান্ড চালিয়ে যাচ্ছে নামধারী মুসলমান ইহুদী এজেন্ডরা। যেমন ভাবে ৯০% মুসলমানের দেশে সংবিধান থেকে আল্লাহর উপর আস্থা বাদ এবং ধর্ম নিরপেক্ষতা প্রতিস্থাপন আইন প্রনোয়ন করেছে। দেশের মন্ত্রী-এমপির থেকে শুরু করে বামপন্থী নেতার আজকে ইসলামে বিরোদ্ধে কথা বলতে একটু ব্র“ক্ষেপ করেনা যদিও তারা মুসলমানের বাচ্চা। ক্বোরআনের তেলাওয়ার আপত্তি,আযানের শব্দ নিয়ে কটুক্তি,বোরকা নিয়ে কটুক্তি করা থেমে নেই। বিশেষ করে জঙ্গি অপবাদ দিয়ে হক্বানী আলেম উলামাদের হয়রানী করা যেন তাদের পেশা হয়ে দাড়িয়েছে। মনে হয় যেন ইসলামকে ধ্বংস করার জন্য ঠিকাদারী নিয়োগ পেয়েছে। সংবিধান থেকে আল্লাহর উপর আস্থা তুলে ফেলা,সব ধরনে ফতোয়া নিষিদ্ধ করা,নারী সমঅধিকার বাস্তবায়ন করা। ওইসব ক্বোরআন বিরোধী আইন কি ইসলামকে ধ্বংসের ষরযন্ত্র নয়? দৈনিক আমার দেশ সূত্রে জানা যায়, গত ৩বছরে সরকারী বেসরকারী বিভিন্ন মহল থেকে আল্লাহ রাসুল (স

ও ইসলাম নিয়ে অসখ্য কটুক্তি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের শাস্তির দাবিতে ব্যাপক প্রতিবাদ বিক্ষোভ সত্বেও সরকার তাদের শাস্তির পরিবর্তে অনেককে পুরস্কৃত করেছেন। ২০১০ সারের ১আগস্ট বিশ্বশান্তি পরিষদের প্রেসিডেন্ট দেবনারায়ণ মহশ্বের পবিত্র কোরআন শরিফের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। রিট আবেদনে তিনি দাবি করেন,হযরত ইব্রহিম আ: তাঁর বড় ছেরে ইসমাইল আ: কে কোরবানির জন্য নিয়ে ছিলেন বলে পবিত্র কোরআনের আয়াত রয়েছে তা সঠিক নয়। ৯০ভাগ মুসলমানের দেশে এই দেশেরই আদালতে ইসলাম ধর্মীয়গ্রন্থ ও ধর্মকে রীট আবেদন করার সাহস কোথায় থেকে পেলেন তিনি। বর্তমান সরকারের কাছে মুসলমানদের কোন দাম নেই। তাদের কাছে আছে নাস্তিকবাদী-মুরতাদদের দাম। আসলে সরকার ইসলাম ধ্বংসের এজেন্ডা নিয়েই ক্ষমত্য়া এসেছে এবং সেই কাজই করে চলছে। তাই এই সরকারের পতন ছাড়া এ দেশে ইসলাম রক্ষার আর কোন পথ খোলা নেই।
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
লিখেছেন
রাজীব নুর, ২৬ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:০৮

সময় তখন ১৯৫০ সাল।
ওমর আলীর জ্বর এসেছে। জ্বর নিয়েই তিনি পত্রিকা পড়ছেন। দীর্ঘদিনের অভ্যাস। টারজান গিয়েছে বাজার করতে। এর আগেও টারজান বেশ কয়েকবার বাজার করেছে। বাজার করতে...
...বাকিটুকু পড়ুন
শীতের সময়ে রাত ১০ টা অনেক রাত। আর তা যদি হয় শহর থেকে দূরে শহরতলীতে,আবাসিক এলাকার আশপাশে,তাহলে তো কথাই নেই। রাত আটটা বাজতে না বাজতেই পাড়ার সকলে সেখানে...
...বাকিটুকু পড়ুন
২০০৯ সাল। একটি ছেলে। সে তার নানা নানীর সাথে মুন্সীগঞ্জ এ থাকতো। নানা তার নাতিকে একটি মোবাইল উপহার দেয়। নকিয়া ১৬৬১। সেই মোবাইলে এফএম রেডিও ছিলো। সে...
...বাকিটুকু পড়ুন
থাপ্পড়-কাণ্ডের পর দেশ ছেড়েছেন শাহজালাল রুমি। টঙ্গীতে নিজের মেয়ের সঙ্গে ঘটে যাওয়া অন্যায়ের প্রতিবাদ করাই যেন কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে তাঁর জন্য। গণমাধ্যমের সামনে প্রকাশ্যে হত্যার হুমকি, ব্যক্তিগত বার্তায় ভয়ভীতি প্রদর্শন,...
...বাকিটুকু পড়ুনএ আমি কী দেখলাম! ব্লগের প্রতিবাদী মুখ, ভারতের যম, ওসমান হাদীর মুখপাত্র, একাত্তরকা গণ্ডগোলের ব্যাপারে সচেতন মুখ সৈয়দ মশিউর রহমানের ব্লগটি স্থগিত অথবা বাতিল করা হয়েছে। দেশে যখন সামান্য চুমু... ...বাকিটুকু পড়ুন