somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আজ আমার অফিসের একটি মজার ঘটনা

০২ রা এপ্রিল, ২০০৭ সকাল ৮:৫১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ছোট বেলায় বাসার ইলেকট্রিসিটি চলে গেল এক ধরনের মজাই হত। কারণ এ সময় পড়াশোনা করতে হতনা মানে আপাতত কিছু সময়ের জন্য বন্ধ থাকা, এটাই তো অনেক কিছু, কিভাবে ফাাঁকি দেয়া যায় এই আর কি!

আমাদের বাসা যেখানে ছিল তার আশেপাশেই প্রায় 7-8 জন ক্লাসফ্রেন্ড থাকত, ইলেকট্রিসিটি চলে গেলেই হয়েছে ওমনি "ওওওইইইইইইইইইইইইই.................. করে জোড়ে চিৎকার দিয়ে সাবাই একসাথে বাসার সামনের মাঠে হাজির। তারপরে ইলেকট্রিসিটি না আসা আর বাসায় ফেরার নাম নেই।

আজ হঠাৎ করে এই লেখা লেখার একটি কারণ আছে। এখন বড় হয়েছি, চাকরিও করছি, কিন্তু পুরাতন স্মৃতিগুলো এমনভাবে মাথায় আসে তার ফলে যে রেজালট ভয়াবহ হতে পারে সেরকমই একটি প্রতিদানই আজ পেলাম

আজ সকালে অফিসে আসার পরপরই সকাল 10 টার দিকে ইলেকট্রিসিটি চলে গেল দু-দফা। একটি ইমারজেনসী লাইট আর আমার পিসিটা সহ আর একটি পিসি ইউপিএস দিয়ে চলছে। ইলেকট্রিসিটি আবার এল । এ সময় আইটির চার কলিগের সাথে নিজের ডেস্কে বসে গল্প করছি। ঠিক কিছুক্ষন পরেই আবার চলে গেল। এবার প্রথমেই আমি "ওওওইইইইইইইইইইইইই................. করাতে বাকী সবাই একসাথে চিৎকার দিয়ে উঠলাম। অফিস নিস্তব্দ হয়ে গেল। অন্ধকারের হলেও সবার দৃষ্টি আমাদের দিকে। কেউ কোন কথা বলছেনা। এমনই সময় বসের রুমের কলিং বেলটা বেজে উঠল। যা ভাবলাম তাই। ডাক পড়ল কে জোড়ে চিৎকার দিয়েছি, আমি প্রথমে ঢুকলাম, স্যার বাকীদের সবাইকে হাজির হতে বললেল, সবাইকে নিয়ে হাজির হলাম, তারপর যা যা বলল শুধু হজম করা ছাড়া আর কোন উপায় ছিলনা।

সবাই মাথা নিচু করে বের হয়ে আসলাম, বাহিরের ডেস্কের সবাই যেন আমাদের এমন চেহারা দেখার জন্যই বোধহয় অপেক্ষা করছিল। আমি আমার ডেস্কে এলাম, কিছুক্ষন পরেই আবার ডাক আসল বসের কাছ থেকে, বসের সামনে গিয়ে দাড়াতেই বস বললেন " ইলেকট্রিসিটি তো নেই, আসতেও দেরী হবে, কি আর করবে যাও সবাই বাইরে থেকে ঘুরে আস"

তখন কি যে অনুভূতি, আবারও চিৎকার দেয়ার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম কোন মতে নিজেকে সংবরন করে বাহিরে বের হয়ে এসে সবাইকে নিয়ে পাক্কা দেড় ঘন্টার মামলা, বাহির থেকে সবাই আড্ডা মেরে তারপর ফিরলাম।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কবিতাঃ খোকার অভিমান

লিখেছেন ইসিয়াক, ২০ শে জুন, ২০২৬ ভোর ৬:৪৬


খোকা খাবে মুড়ি মুড়কি, মা দিলো খই
এই নিয়ে অশান্তি, ব্যাপক হই চই।

বাবা যাচ্ছে হাটে, খোকা পিছু ছোটে
বকা খেয়ে ঘরে ফিরে কাঁদছে মাথা খুঁটে। 

কত কাজই... ...বাকিটুকু পড়ুন

অপারেশন ইকারুস: বালির নীল গোলকধাঁধা

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:১২



কুয়ালালামপুর অপারেশনের ঠিক সাতদিন পর। ইন্দোনেশিয়ার বালি দ্বীপের ‘নগুরা রাই’ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যখন একটি প্রাইভেট চার্টার্ড বিমান ল্যান্ড করল, তখন বালির আকাশ জুড়ে গোধূলির রক্তিম আলো।

বিমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

যদি কামের কাম না হয়, সংখ্যা দেখলে বিগাড় ওঠে

লিখেছেন অপলক , ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:২২



বগুড়া জিয়াউর রহমান মেডিকেল বর্তমানে ৫০০ শয্যা বিশিষ্ট। এতেই রুগিরা সেবা পায়না, অপরিচ্ছন্ন, লোকবল নেই, যন্ত্রাংশ নষ্ট, ওষূধ নেই, ১৫০০ শষ্যাবিশিষ্ট করে লাভ কি? সেবা নিশ্চিত হবে না...

এখন ডাক্তাররা... ...বাকিটুকু পড়ুন

তুমি কার জন্য বাঁচো? কীভাবে এ-আই দিয়ে কভার সং তৈরি করি?

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৩৩

প্রথমত, এ-আই দিয়ে গান তৈরি করা অনেক সহজ। আপনি নিজে কোনো লিরিক না লিখে, কোনো সুর তৈরি না করেও এ-আই-তে প্রম্পট দিয়েই গান তৈরি করে ফেলতে পারেন। তবে সেটা আপনার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পলাশবাড়ীর মূর্তি বিতর্ক, ধর্মীয় স্থাপনার আড়ালে কি অন্য কোনো নীলনকশা?

লিখেছেন ওয়াসিম ফারুক হ্যাভেন, ২০ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ২:১৪

সাম্প্রতিক ভূরাজনীতি ও জাতীয় নিরাপত্তার সমীকরণে হাইব্রিড ওয়ারফেয়ারবা অপ্রতিসম যুদ্ধকৌশল এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে, যার প্রধান লক্ষ্যবস্তু রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ সামাজিক ফাটল ও অননুমোদিত কাঠামোর মাধ্যমে মানুষের মনস্তত্ত্ব নিয়ন্ত্রণ করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×