
আমার এই ২৫ বছরের জীবনে এই রকম অভিজ্ঞতা আর হয় নি। গতরাতে যেটা হল। একটানা ৩ ঘণ্টা একাধারে বজ্রবিদ্যুত চমকাতে দেখিনি কোনদিন। এত বিকট আওয়াজ হচ্ছিল যে, ঘরের ভিতর ও নিরাপদ বোধ করতে পারিনি। মনে হচ্ছিল, এই বুঝি আশেপাশে এসে আঘাত করল। আল্লাহ এর অশেষ রহমতে তেমন কিছু হয়নি। এরকম ঘটনা ঘটার কারণ কি তা আবহাওয়াবিদরা ভাল বলতে পারবেন।
But the funny thing is, যখন আকাশে একটানা বিদ্যুৎ চমকাচ্ছিল তখন মাথায় কোথা থেকে যেন চকিতে কয়েকটা ভাবনা খেলে গেল। একবার মনে হল, ব্যাপারটা কি আসলে প্রাকৃতিক?
আমেরিকার একটা প্রজেক্ট এর কথা পড়েছিলাম। HAARP (হার্প)। হার্পের পুরো নাম হলো হাই ফ্রিকোয়েন্সি একটিভ অরোরাল রিসার্চ প্রোগ্রাম। যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী ও নৌবাহিনীর আর্থিক সহায়তায় আলাস্কা বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রতিরক্ষা উন্নয়ন গবেষণা কর্মসূচী সংস্থা (ডিআরপিএ) হার্প গবেষণা চালাচ্ছে ১৯৯৩ সাল থেকে। এ কর্মসূচির প্রধান উদ্দেশ্য হলো আবহাওয়াকে নিয়ন্ত্রণ করে রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে আয়নমন্ডলের সৌরবিদ্যুতের ওপর প্রভাব তৈরি করা। যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে হার্প দিয়ে মানব বিধ্বংসী অস্ত্রের পরীক্ষার অভিযোগ দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। হাইতির প্রলয়ংকরি ভূমিকম্প, জাপানের ফুকুশিমা, কিংবা সম্প্রতি নেপালের ধ্বংসযজ্ঞ এসবের পিছনে অনেক বিজ্ঞানীই আঙ্গুল তুলেছে হার্পের দিকে। হতে পারে কনস্পিরেসি থিওরি এগুলো, কিন্তু যা রটে তার কিছু তো বটে!!
ভাবতে পারেন, মানুষ ক্ষমতা বজায় রাখার জন্য কি করতে পারে!! হার্প দিয়ে ওজনমন্ডলের নির্দিষ্ট জায়গা ছিদ্র করে দিয়ে সেখান দিয়ে সুর্য থেকে আসা ক্ষতিকারক ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক পালস ঢুকিয়ে দেয়া যায় পৃথিবির নির্দিষ্ট জায়গায়। আবহাওয়া কে এলোমেলো করে দেওয়া যায়। ভূ-রাজনীতির কবলে পড়ে আমাদের এইটুকু দেশ যে কত ক্ষমতাধর দেশের টার্গেট হতে পারে তার কথা কে বলতে পারে।
আরেকটা হাস্যকর ভাবনা মাথায় এসেছিল। গ্রীক দেবরাজ জিউস কি টাইটান দের সাথে যুদ্ধ শুরু করে দিল নাকি খুলনার আকাশে, খান জাহান আলি হলের উপরে!! হা হা হা। (বেশি বেশি ফ্যান্টাসি পড়ার সাইড ইফেক্ট আর কি!!)
বন্ধু মিরাজ এর তোলা কিছু ছবি দিলাম দুর্যোগটার।



সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুন, ২০১৬ বিকাল ৩:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



