somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

খিচুড়ি চ্যানেল আর নকল অনুষ্ঠান চাই না

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:০৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

দেশে আরও কিছু টিভি চ্যানেলের অনুমোদন দেবে সরকার। ভালো খবর। কিন্তু লাভ কী ?
দেশে এখন ১১টি টিভি চ্যানেল, তবে একটা আরেকটার নকল। সবগুলি খিচুড়ি মার্কা চ্যানেল। নাটক, টক শো, সংবাদ, সিরিয়াল, ম্যাগাজিন ও অধুনা শুরু হওয়া রিয়েলিটি শো - এসব কিছুই আছে আমাদের চ্যানেলগুলোতে।
রিয়েলিটি শোগুলো সবই নকল। ভারতীয় চ্যানেলগুলো থেকে সরাসরি নকল করে নির্মিত হচ্ছে একাধিক অনুষ্ঠান। এক্ষেত্রে টিভি চ্যানেলগুলো ভারতীয় জি-বাংলা ও ইটিভিকে গুরু মনে করে। ওদের অনুষ্ঠানগুলো থেকে নির্দ্বিধায় নকল করা হয়। এ রকম নকল অনুষ্ঠান হল, ম্যারিডিয়ান ক্ষুদে গান রাজ, ক্লোজ আপ ওয়ান ইত্যাদি।
তাছাড়া একটি চ্যানেলে কোন অনুষ্ঠান জনপ্রিয় হলে অন্য চ্যানেলগুলো সেই আইডিয়া নকল করে প্রোগ্রাম বানাতে থাকে। যেমন : বাংলাদেশের প্রথম টিভি চ্যানেল ইটিভির সকল অনুষ্ঠান নকল করা হয়েছে দেদারসে। তাদের নিউজ, টক শো থেকে শুরু করে সব কিছুই পরবর্তীতে অনুসরণ করে গেছে অন্য টিভিগুলো।
ফলে টিভি চ্যানেল সংখ্যায় বাড়লেও বৈচিত্র্যে বাড়েনি। টিভির লোগো খেয়াল না করলে সব টিভিকে একই রকম মনে হয়। সবগুলো চ্যানেল খিচুড়ি মার্কা। নকলে ভরপুর।
বরং আমাদের দেশে চালু হতে পারত বিষয়ভিত্তিক টিভি চ্যানেল।
যেমন জি-সিনেমা, স্টার মুভিজ বা এইচবিওর মতো সিনেমাভিত্তিক চ্যানেল, বিবিসি, সিএনএন এর মতো নিউজভিত্তিক চ্যানেল, এমটিভির মতো মিউজিকভিত্তিক চ্যানেল, জি-টিভি বা স্টার প্লাসের মতো নাটক বা সিরিয়ালভিত্তিক চ্যানেল, টেনস্পোর্টস বা ইএসপিএন এর মতো স্পোর্টস চ্যানেল, ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের মতো পরিবেশভিত্তিক চ্যানেল এবং কার্টুন টিভি চ্যানেল । কিন্তু কেন যেন সেটা হয় নি। আমার কাছে মনে হয়, আমাদের টেলিভিশন সংশ্লিষ্ট লোকজনের নকল প্রবণতা এ জন্য দায়ী।
আমাদের দেশে বিষয়ভিত্তিক কেবল একটি চ্যানেল আছে , সেটা ইসলামিক টিভি।
আমার মনে হয়, এখন বিষয়ভিত্তিক চ্যানেল অনুমোদন দেয়ার সময় এসেছে। সেই টিভিগুলো আর খিচুড়ি হবে না, একটি নির্দিষ্ট বিষয়ভিত্তিক টিভি চ্যানেল হবে।
আর সরকার নাকি নীতিমালাও করবে। সেই নীতিমালায় অবশ্যই একটা কঠোর নীতি থাকা দরকার। কোন দেশী বা বিদেশী চ্যানেল থেকে অনুকরণ করে নকল অনুষ্ঠান নির্মাণ করা যাবে না। সেটা বেআইনী। তবেই ভবিষ্যতে টিভি চ্যানেলগুলোর মান বাড়বে এবং সৃজনশীল অনুষ্ঠান দেখতে পাবে দর্শক।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:১২
২৫টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রাজনৈতিক দল গঠনের মতো জনপ্রিয়তা ইউনুস সাহেবের ছিলো না ।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই মে, ২০২৬ রাত ২:২৬


মাঝে মাঝে আমি ইউটিউবে বা মাহফিলে গিয়ে হুজুরদের ওয়াজ শুনি। শোনার কারণটা ধর্মীয় যতটা না, তার চেয়ে বেশি হলো আমাদের সমাজের হুজুররা দেশীয় অর্থনীতি বা সামাজিক ইস্যুগুলো নিয়ে সাধারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

সীমিত মগজ, লিলিপুটিয়ান, ডোডো পাখি (সৌজন্যে - চাঁদগাজী)...

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ১১:২৯



১. যেনা করব আমরা, ৫০১-এ যাব আমরা, পার্কে যাব আমরা। তুমি তো আলেম। তুমি কেন যাবে? তুমি তো ইসলামের সবক দাও সবাইকে। তুমি মাহফিলে কোরআন, হাদীস বয়ান কর। তুমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

মহাজন জিন্দা হ্যায়!!!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭



মনে পড়ে, ঠিক এক বছর আগে গত বছর এই সময়ের দিকে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছিল 'মহাজন স্যারকে আরও ৫ বছর বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চাই' টাইপের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭



আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×