somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কর্মস্থল পরিবর্তনের কিছু সমস্যা।

১৮ ই মার্চ, ২০১২ দুপুর ১২:৪৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পেশা জীবীদের কর্ম স্থল পরিবর্তন করেন না এমন লোকের সংখ্যা আমার মনে হয় নাই বললেই চলে। বর্তমান মুক্তবাজার অর্থনীতিতে নিজের বাজার মুল্য কত তা পরখ করা জরুরি বৈকি। এতে নিজের আত্নবিশ্বাস বাড়ানো যায়। আবার খোলা প্রতিযোগিতায় দুর্বলতা গুলোও চিহ্নিত করে পরবর্তির জন্য প্রস্তুতি নিতে সহায়তা করে।
নতুন কর্মস্থলে যোগদান করার আগে এটা অবশ্যই মনে রাখতে হবে নতুন কর্মস্থল পুরানোটার মত হবে না। এক্ষেত্রে প্রথম হল আপনার মানিয়ে নেওয়া। প্রশ্ন হল কতটুকু মানিয়ে নিতে পারবেন!। সবচাইতে বড় সমস্যা হল মধ্যম পর্যায়ের চাকুরির ক্ষেত্রে। এক্ষেত্রে যা হয় আপনার উপরওয়ালার প্রত্যাশা থাকবে আপনি নতুন ভাবে কিছু আনবেন যা তার কাজ কে সহজ করবে কিন্তু উনার করা কোন কিছুই আপনি পরিবর্তন করতে পারবেন না। সে ক্ষেত্রে আপনি যত ভাল কিছুই দিন না কেন উপর ওয়ালার প্রশ্ন হল পুরানোতে ও সমস্যা নাই।
আপনার নিচের দিক থেকে সমস্যা হল তারা আপনাকে বস হিসাবে কতটুকু নিতে পারে। সব থেকে বড় সমস্যা হল তারা যদি জোট বদ্ধ হয়ে কিছু করে। এটা শুনতে খারাপ শুনালে ও বাস্তবতা হল আমাদের জাতিগত কিছু সমস্যা আছে। বলা বাহুল্য এটা নির্ভর করে সামগ্রিক পরিবেশের উপর। মানুষের স্বভাব হল রক্ষনাত্ত্বক। পুরানোকে ছাড়তে চাইবে না। স্বাভাবিক ভাবেই প্রত্যেকের নিজস্ব কিছু কর্মশৈলি আছে। প্রত্যেকের অভিরুচিকে সম্মান জানিয়ে বলছি একটা একক ধারা “unique format” “টিমে” আনার জন্য কার ও না কার ও টা বিসর্জন দিতেই হয়। সেক্ষেত্রে জটিলতা সৃষ্টি হয়। আর একটা সমস্যা হল পুর্বের চাইতে যদি তাদের বেশি কিছু কাজ করতে হয়।
এই সব সমস্যা হল জন্মিলে মরিতে হইবে এরখম সত্য। এক্ষেত্রে চেষ্টা করতে হবে শৃঙ্খলা “chain of command” যাতে না ভাঙ্গে। যা কিছুই হোক না কেন আপনার উপর ওয়ালার কাছ থেকে আদায় করবেন নিজের কতৃত্ব আপনার জুনিয়রদের উপর। আমি বলছি না "force" দিবেন কিনবা জোরপুর্বক কিছু করতে। প্রেরনা এবং প্ররোনোদনার কোন বিকল্প নেই। কিন্তু সবার ক্ষেত্রে একই নিয়ম খাটে না। নিজেকে শক্ত রাখতে হবে “উদ্দেশ্যের” প্রতি। সময়ে মন্তর কিনবা ত্বড়িত কিছু করতে হবে। সবার চেয়ে বেশি প্রয়োজন হবে নিজের কাজের একাগ্রতা। যা নিচের দিকের কাছে উদাহরণ হিসেবে থাকবে। আর উপরওয়ালা পাবে আস্থা রাখার কারন।
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ড.....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৪৮

চট্টগ্রাম বন্দরঃ জাতীয় স্বার্থ, দক্ষতা ও ডিপি ওয়ার্ল্ডের সঙ্গে চুক্তি....

বন্দর শুধু রাজস্ব আয়ের প্রতিষ্ঠান নয়; এটি একটি দেশের অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ প্রতিযোগিতার অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি।
বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সামহোয়্যারইন ব্লগের সেরা ব্লগার

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ০৯ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:০৮



আমাদের দেশে যে কোনো ক্রিটিক্যাল সময়ে লক্ষ্য করা যায় কোনো না কোনো পণ্যের অভাব লেগে গিয়েছে। কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ, ভোজ্য তৈল এমনকি রিলিফ গায়েব হয়ে যায়। বন্যায় আক্রান্ত বন্যায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

তৌহিদি জনতা কবে দেশ রক্ষায় আন্দোলনে নামবে ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০১


আলহামদুলিল্লাহ। তৌহিদি জনতার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সুনামগঞ্জে মেয়েদের একটি প্রীতি ফুটবল ম্যাচ বন্ধ করা গেছে। ইসলামের দৃষ্টিতে মেয়েদের খেলাধুলা নিষিদ্ধ এবং অশ্লীল কাজ হিসেবে গণ্য করা হয়। সুনামগঞ্জের মাটিতে এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কি আসলেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন?

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:৪৪



“রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছিলেন “, “মূর্খের দেশে আবার কীসের বিশ্ববিদ্যালয়” – এসব প্রচারণা আমাদের দেশে অনেকদিন ধরেই হয়ে আসছে। বিশেষ করে ফেসবুকে আকছারই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৯৭১ঃ নদী-নালায় ভেসে থাকা স্বদেশের কান্নাঃ শহীদদের প্রতি নিবেদিত একটি কাব্যগাথা জাতির রক্ত, অশ্রু ও স্বাধীনতার অমর ইতিহাস

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১০ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:০৫


পঁচিশে মার্চ ১৯৭১
রাত্রি তখন গভীর, নগরীর বাতিগুলো
যেন অনাগত বিপদের সামনে অসহায়
ঢাকার আকাশে হঠাৎ গর্জে উঠল কামান
ট্যাংকের চাকার নিচে কেঁপে উঠল রাজপথ
গুলি ছুটে গেল মানুষের ঘুমন্ত জানালায়
আগুন ছড়িয়ে পড়ল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×