খবরটা এরখম "২০১২ সালে ‘হিরোস অব হলিউড’ হিসেবে হলিউড চেম্বার কমিউনিটি ফাউন্ডেশন ঘোষণা করেছে প্লেবয় প্রতিষ্ঠাতা হিউ হেফনারের নাম।
প্লেবয় ম্যাগাজিনের মাধ্যমে প্রকাশনা জগতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখার স্বীকৃতি হিসেবে এই ‘হলিউড ডিস্টিংগুইসড সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড’ তুলে দেওয়া হবে ৮৬ বছর বয়সী মিডিয়া মোগল খ্যাত হেফনারের হাতে। তিনিই প্রথম ব্যক্তি যিনি এই পুরস্কারটি পেতে যাচ্ছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রখ্যাত রেডিও ও টিভি ব্যক্তিত্ব প্রয়াত জনি গ্র্যান্ট স্মরণে ‘হলিউড ডিস্টিংগুইসড সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড’ অনুষ্ঠানটির আয়োজক হলিউড চেম্বার কমিউনিটি ফাউন্ডেশন। চলতি বছরের ৭ জুন অনুষ্ঠিতব্য এই পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে সম্মাননা জানানো হবে হিউ হেফনারকে।
উল্লেখ্য, হেফনারের হাত ধরে ১৯৫৩ সালে প্লেবয় ম্যাগাজিন যাত্রা শুরু করেছিল। হলিউডের অভিনেত্রী মেরিলিন মনরোর বিবসনা ছবি প্রকাশের মাধ্যমে বাজিমাত করে ম্যাগাজিনটির প্রথম সংখ্যা, বিক্রি হয়েছিল ৫০ হাজারেরও বেশি কপি।"
এই ছিল প্রথম আলোর খবর। আমার প্রশ্ন হল বাংলাদেশের মত রক্ষনশীল একটি দেশে এই সংবাদের সংবাদ মুল্য কতটুকু? যার সাফল্য গাথা রচনা করা হয়েছে তাঁর কর্মিটি কি এদেশে গ্রহন যোগ্য? যদি আমাকে আমার ছোট ভাই প্রশ্ন করে ঊনি কি অবদানের জন্য হলিঊডের মত প্রতিষ্টানে সম্মানিত হয়েছেন, আমি কি বলতে পারব উনি গত ৬০ বছর ধরে প্রত্যেক মাসে অন্তত একজন নগ্ন নারীর ছবি ছেপেছেন তাঁর পত্রিকায়। এবং অন্তত সবার সাথে উনি যৌন সম্পর্ক স্থাপন করেছেন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



