somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভিক্ষা করে ঘি খাইতে আমি পারলাম না!!!।

৩০ শে জুন, ২০১২ দুপুর ১:০৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমি একটা ভিক্ষুক সমিতির দলনেতা। আমারে ভিক্ষুকরা নেতা বানাইছে বছর তিন- চারেক হল। তারা আমারে ভিক্ষুক সমিতির নেতা বানাইছে কারন আমি ভিক্ষুকদের আশ্বাস দিছিলাম আমি তাদের পক্ষ থেকে ভিক্ষা করে একখানা সাকো করে দিব। যাতে ভিক্ষা করতে আর নৌকায় ঊঠতে না হয়।

একটা ভিক্ষার থালা নিয়ে গিয়েছিলাম সাথে থলে ছিল। থালাতে ভিক্ষা পরলে থলেতে নিব। পাশের সমিতিতে। ঐ সমিতি অনেক বড় লোকের সমিতি। মহাজনের সমিতি। এরা চাঁদা দেয় সমিতিতে। সেই চাঁদা দেওয়া হয় আমাদের মত অভুক্ত, আশ্রয়হীনদের।

আমরা ভিক্ষা চাইছিলাম একটা সাকো করব বলে। ওরা ভিক্ষা দেবার আগে যাচায় বাছায় করে। তার জন্য একজনকে মাসোহারা দিয়ে দায়িত্ব দিয়েছিলাম সব কিছুর ব্যাবস্থা করতে। নাম দিয়েছিলাম সাকো তত্ত্বাবধায়ক। সব ছিল ঠিকঠাক মতই। বাধ সাধল সমিতি। তারা বলেছে ভিক্ষা দিবে না। একটা লাথি দিয়ে মুখের উপর দরজা বন্ধ করে দিল। বুঝি নাই। লাথি প্রথমে দিল পায়ে। মনে করেছিলাম ভুলে লাথি পড়েছে। উনারা বললেন তোরে লাথি দিছি কারন তুই ভিক্ষা নিয়ে ঘি খাবি। তুই না খেলে তোর কর্মচারী খাবে। ১০ % খাইতে চায়। অস্বীকার করলাম। দিল আরেক লাথি। এই বার পাছা বরাবর। কারন দেখাল একই। সাথে বলে দিল তোর এই এই জায়গায় ভিক্ষার চাল সরানোর পকেট তৈরি করছস। আগে অইগুলো কাট। তবু ভাব নিলাম আমি ঠিক আছি। পকেট দেখা যাচ্ছে না। এর পর আজ মূখের উপর লাথি দিয়ে দরজা বন্ধ করে দিল।

আমি নিশ্চিন্ত। আজকে ভিক্ষুক সমাবেশে আমি ভাষন দিলাম “আমি কথা দিলে কথা রাখি, বাস্তবায়ন করি”

আমার নতুন কাজ আগেই শুরু করেছিলাম। এখন আর এক মহাজনের কাছে যাব। সেই ভিক্ষার থালা নিয়েই। সে বলেছে আমাকে ভিক্ষা দিবে। পকেটে ডুকালেও সে কিছুই বলবে না। শর্ত একটাই ভিক্ষা চার্জ ৩ গুন দিতে হবে। আমি না বলি নাই।

আসল কথাটা বলি। ভিক্ষার ১০% আসলেই আমার কাছে আসত। আমিই বলেছিলাম নিতে। তাই যারা ভিক্ষা তত্ত্বাবধায়ক ছিল তাদের চুলের (হিন্দি উচ্চারন করুন) গোরা দুরের কথা আগায় ও হাত দিতে পারলাম না।
আপনারা দোয়া রাখবেন যাতে আমি ভিক্ষায় সফল হতে পারি।
৪টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শেষ বিকেল Last Afternoon

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৫:০৫

এই পৃথিবীতে শেষ বিকেলে আমরা কেটে ফেলি দিনগুলো
আমাদের শরীর থেকে, আর গুনি সেই হৃদয়গুলো যা আমরা নিয়ে যাব
এবং যেগুলো যাব এখানে রেখে। সেই শেষ বিকেলে
আমরা কোনো কিছুকে বিদায় বলি না,... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফাউ খাওয়ার ফাঁদ

লিখেছেন আবু সিদ, ১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৯

এ পাড়ায় দশ - বারো জন ছেলেপেলে মিলে আমরা খেলাধুলা করি। খেলা মানে নানান ধরনের খেলা। তার মধ্যে ফুটবল আর ক্রিকেট বেশি। আমাদের কারও ওরকম খেলোয়াড় হওয়ার স্বপ্ন নেই। তাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

দক্ষতাসম্পন্ন শিক্ষকের হারে দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বনিম্ন অবস্থানে বাংলাদেশ

লিখেছেন ঢাকার লোক, ১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:১৬

দক্ষতাসম্পন্ন শিক্ষকের হারে দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বনিম্ন অবস্থানে বাংলাদেশ। ইউনেস্কো প্রকাশিত বিশ্ব শিক্ষা পরিসংখ্যানের তথ্যে বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, ভুটান এবং মালদ্বীপের মাধ্যমিক ও প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে করা... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিজয় দিবস, সংবিধান, পহেলা বৈশাখ, পান্তা-মাছ কিছুই ভালো লাগে না

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১১:৪১


ধরুন আপনি একদিন ঘুম থেকে উঠলেন আর সিদ্ধান্ত নিলেন যে আপনার চারপাশের সবকিছুই ভুল। ক্যালেন্ডারের তারিখ ভুল, রান্নাঘরের খাবার ভুল, দেশের সংবিধান ভুল, এমনকি বাইরে যে ঝড়ো হাওয়া বইছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

পরীক্ষায় নকল ও বাস্তবতা

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:১৬



শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন সাহেবের বক্তব্য পরীক্ষায় নকল প্রতিরোধের বিষয়টি গত কিছুদিন যাবত সোশ্যাল মিডিয়াতে খুব আলোচনা সমালোচনা হচ্ছে। এমনকি সামহো্য়্যারইন ব্লগেও সমালোচনা হয়েছে! বাংলাদেশে স্কুল কলেজ পরীক্ষা সহ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×