somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রহস্যাবৃত ৯/১১

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৫৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

৯/১১ – ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে হামলার প্রায় এক যুগ পুর্ন হল। এই তথাকথিত ‘হামলা’ নিয়ে এখনও অনেক সন্দেহের ধুম্রজাল রয়ে গেছে। দিন দিন এই সন্দেহের আঙ্গুলটি আমেরিকার দিকেই নির্দেশিত হচ্ছে। ৯/১১ তদন্তের জন্য বুশ ‘৯/১১ কমিশন’ গঠন করেছিলেন তাতেও হাজারটা ধোকাবাজির প্রমান মিলছে আজ। এমনই কিছু অজানা তথ্য আছে যা সন্দেহকে আরও প্রবল করে যে এটা আমেরিকারই কর্মঃ

* ৯/১১ – সেদিন দুটি প্লেন আঘাত করার পর ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের টুইন টাওয়ারের মাটিতে মিশে যাওয়ার কথা আমরা সবাই জানি। কিন্তু সেদিন আসলে ৪৭ তলা বিশিষ্ট বিশাল আরও একটি বিল্ডিংও যে মাটিতে মিশে গিয়েছিল সেটাকে অত্যন্ত সুকৌশলে গোপন করা হেয়েছে। ঐ বিল্ডিঙটার নাম ছিল “ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার বিল্ডিং- ৭ (WTC-7)”। টুইন টাওয়ার থেকে এই স্টিল স্ট্রাকচারের কংকৃট বিন্ডিংটি মাত্র ৩০০ ফুট দূরে ছিল এবং এতে কোন প্লেন আঘাত করেনি বা নর্থ বা সাউথ টাওয়ারের কোন অংশও তার উপর ভেঙ্গে পড়েনি। তারপরও কোন কারন ছাড়াই সেটা সেদিন বিকেলের দিকে মাত্র ৭ সেকেন্ডে বালুর ঘরের মত ধুলোয় মিশে গিয়েছিল – ভিডিও ফুটেজ দেখলে নিশ্চিত ভাবে বুঝা যায় যে সেটা ‘কন্ট্রোলড ডেমোলিশন’ এর মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়েছে । অথচ খবরে বা ‘৯/১১ কমিশন’ রিপোর্টে এই ঘটনা বেমালুম চেপে যাওয়া হয়েছে। ঐ বিল্ডিং এ মেয়র জুলিয়ানির ‘অফিস-কাম-কমান্ড সেন্টার’ ছিল, কিন্তু তিনি সেদিন ঐ অফিসে না যেয়ে আর একটা অস্থায়ি অফিসে অবস্থান করছিলেন যখন প্লেন টুইন টাওয়ারে আঘাত হানে। “ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার বিল্ডিং-৭” এর ধ্বংসাবশেষ থেকে প্রায় তিন মাস পর্যন্ত প্রচণ্ড তাপের আগুন জ্বলছিল – যা ব্যাবহ্রত বিস্ফোরকেরই ইঙ্গিত দেয়। আরও আবাক করার বিষয় হল, এই তিনটি দালানের কোনটিই ভেঙ্গে পরার সময় হেলে গিয়ে ডানে বামে পরে যায়নি বরং ঠিক লম্বালম্বি ভেঙ্গে পরে যা শুধুমাত্র কন্ট্রোলড ডেমোলিশন দ্বারাই সম্ভব। মাত্র ৬০ ফুট দূরে অবস্থিত পোস্ট অফিস ও অন্যান্য বিল্ডিঙের কোন ক্ষতিই হয়নি এত বড় বড় দালান গুলো ভেঙ্গে পড়ার পরও !!!

(wtc 7 এর অবস্থান )

(টুইন টাওয়ার ভেঙ্গে গেলেও এখনো wtc 7 অক্ষত)

WTC-7 ভেঙ্গে পরার দৃশ্য- বিস্ফোরনের আলামত দেখুন লক্ষ্য করে এই ভিডিও ক্লিপটিতে। (ক্লিক করুন)

ষড়যন্ত্রের প্রমান দেখুন এই ভিডিও চিত্রটিতে। (ক্লিক করুন)

(৪৭ তলা বিশিষ্ট WTC-7 বিল্ডিং ভেঙ্গে পরার পরও আশেপাশের বিল্ডিং এর কিছুই হয়নি !!!)

• বিল্ডিং গুলোর ধ্বংসাবশেষ সরানোতে অসীম গোপনীয়তা আর দ্রুততা অবলম্বন করা হয়েছিল। ‘ক্রাইম সিন’ হিসেবে এর সকল প্রটোকল উপেক্ষা করে ১৮৫,১০১ টন স্টিল অতি দ্রুত গলিয়ে চীন আর ভারতে রপ্তানি করে দএয়া হয়েছিল।
• বিবিসি আর গার্ডিয়ান পত্রিকার ভাষ্য অনুযায়ী, বিমান নিয়ে “আত্মঘাতী” হামলাকারীর ঝাঁপিয়ে পরলের এখনও ৬ জন হামলাকারী নাকি জীবিত (!?)।
• মুসলিম উগ্রবাদীদের দায়ী করলেও, ‘তদন্তে (!)’ প্রকাশ, তারা নাকি “আত্মঘাতী” হামলার পূর্বের রাতে মদ্যপান আর নারীতে মত্ত ছিল। যে গোড়া মুসলমানটি পরদিন মারা বা আত্মহনন করতে যাচ্ছে এটা তার জন্য খুব অস্বাভাবিক আচরণ নয় কি?
• “হামলায়” ব্যবহ্রত প্লেন গুলো সেদিন অস্বাভাবিক রকম খলি ছিল; ফ্লাইট -১১, ১৭৫, ৭৭ এবং ৯৩ এর সিট গুলো যথাক্রমে ৫১%, ৩১%, ২০% এবং ১৬% পুর্ন ছিল, যা অন্যান্য দিন পুর্ন থাকে!
• হামালার ৪২২ দিন পর প্রেসিডেন্ট বুশ এই হামলার ঘটনা তদন্তের জন্য ‘৯/১১ কমিশন’ গঠন করেছিলেন, যা আমেরিকার মত দেশের জন্য খুবই অস্বাভাবিক রকম দেরি!! এরা অন্য দেশে হামলা করতেও এর চেয়ে কম সময় নেয় (!)


৯/১১ ষড়যন্ত্র – মজাদার এবং তথ্যবহুল ভিডিও চিত্রটি দেখুন এই লিঙ্ক থেকে (ক্লিক করুন)]

এমন আরও হাজারটা অতি-কাকতালীয় ঘটনার সমীকরণ মিলবে না। নিজেদের কূটনীতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য এমন ‘নিজের নাক কেটে অপরের যাত্রা ভঙ্গ” ধরনের ঘটনা নতুন নয়। কেনেডি হত্যার আজও সুরাহা হয়নি; ধারণা করা হয় এটা সিআইএ এর কাজ। সিআইএ যখন পাকিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউল হক এর বিমানে বোমা মেরে তাঁকে হত্যা করে, তখন সেই বিমানে খোদ আমেরিকার রাষ্ট্রদূত হাজির ছিলেন এবং জিয়াউল হকের সাথে তাকেও বলি দেয়া হয়। ভেবে দেখার বিষয়, নিজেদের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য ওরা কতদূর যেতে পারে আর কি ই না করতে পারে!?



সর্বশেষ এডিট : ১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০১২ রাত ৯:০৩
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চা এর আড্ডা।

লিখেছেন নাহল তরকারি, ০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:১৬



শনিবার
৭ নভেম্বর ২০২৬
২২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
২৬ জমাদিউল আ. ১৪৪৮ হিজরি

কিছু মুহূর্ত কখনো হারিয়ে যায় না, সময়ের স্রোতে শুধু স্মৃতি হয়ে মনের গভীরে জমা থাকে।

২০১১ সাল। তখন আমি ইন্টারে পড়ি। নানীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

২৪'র ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে দেশে ডানপন্থা ও মৌলবাদী চেতনা-রাজনীতির চরম উত্থান

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:২৩



২৪-এর ৫ আগস্টের পর দেশ দীর্ঘদিনের স্বৈ/রাচারী শাসন থেকে মুক্ত হয়েছিল ঠিকই; কিন্তু দুঃখজনকভাবে দেশ চলে গিয়েছিল বিপুল সংখ্যক ডা*নপন্থী বা মৌ*লবাদী চেতনা বা রাজনীতির ধারক-বাহক-সমর্থকদের কবলে।
হ্যাঁ, হাসিনার পতনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

৭ নভেম্বরঃ যা ঘটেছিল এবং ভাবুন- না ঘটলে কী হতো?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১২:০৭

৭ নভেম্বরঃ
যা ঘটেছিল এবং ভাবুন- না ঘটলে কী হতো?

১৯৭৫ থেকে ২০২৬, মাঝখানে পেরিয়ে গেছে অর্ধশত বছর! এই সময়ের মধ্যে ঘুরেফিরে সরকার পরিচালনা করেছে- বিএনপি, জাতীয় পার্টি এবং আওয়ামী লীগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

পদ্মা সেতু চালুই কি বিআইডব্লিউটিসির লোকসানের একমাত্র কারণ? নাকি প্রশাসনিক স্থবিরতার মাশুল?

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:০১

টানা পাঁচ বছর ধরে ধারাবাহিক লোকসান গুনছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থা (বিআইডব্লিউটিসি)। সম্প্রতি নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সংস্থার নিজস্ব মূল্যায়নে সোজাসাপ্টা বলে দেওয়া হলো—পদ্মা সেতু চালু হওয়ার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পুরানো সেই দিনের কথা ....

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৫৭


নওগাঁর বদলগাছীতে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ১৫ জন শিক্ষার্থীর মাথার চুল কাঁচি দিয়ে এলোমেলোভাবে কেটে দিয়েছেন। তাঁর যুক্তি, শিশুদের চুল বড় হয়ে চোখের ওপর পড়ছিল, দেখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×