বাংলাদেশে বর্তমান রাজনৈতিক দৈন্যদশা ও প্রায় 'একক রাজনৈতিক দল নির্ভর গণতন্ত্র' এর অবস্থায় আসার পেছনে বড় একটা কারণ হল, বর্তমান ক্ষমতাসীন দলের দুঃশাসনের কেউ সমালোচনা করতে গেলেই তাকে 'স্বাধীনতা বিরোধী', 'শিবির' বলে আখ্যায়িত করে দেওয়া। এই অপপ্রচারের ফলেই হয়তো অধিকাংশ বিবেকবান, 'সু'-শিক্ষিত কিন্তু অসহায় মানুষ কথা বলতে সাহস করেন না। আর আছে কিছু 'জ্ঞান পাপী' মানুষ, যারা এসব কর্মকাণ্ডকে অবলীলায় সমর্থন দিয়ে যান।
ফলে আমাদের মুখোমুখি হতে হয়- ৫ই জানুয়ারীর নির্বাচন, বাকশালীয় সম্প্রচার নীতিমালা, দ্বিগুণেরও বেশি গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি, দলীয় কর্মীদের গনাহারে চাকরী প্রদান বা আরও অনেক কিছু।
স্পস্ট ভাষায় বলতে চাই- আওয়ামী সরকারের সমালোচনাকারীরা শুধু 'বি এন পি' বা 'শিবির' না। এই সমালোচনাকারীদের অনেকেই স্বাধীনতা সংরামের আদর্শে বিশ্বাসী, অনেকেই ২০০৯ সালের ভোটে আওয়ামীলীগ কে ভোট দিয়েছিল। এই সমালোচনা আওয়ামীলীগ কে শোধরানোর তাগিদ হিসেবেই দেখাটা অধিক যুক্তিযুক্ত।
কোন বাংলাদেশী মুক্তিযুদ্ধের বিপক্ষের চেতনায় বিশ্বাসী হতে পারে না। যদি সে হয়, তবে সে বাংলাদেশী নয়। কিন্তু এই মুক্তিযুদ্ধের ধুয়া তুলে দেশে ঘটা অন্যায়- অবিচার ও সহ্য করা ঠিক হবে না।
আওয়ামীলীগ এর চামচামি করে এমন মানুষের অভাব নেই, কিন্তু এই ঐতিহ্যবাহী দলটার মঙ্গল কামনা করে এমন মানুষ খুবই কম। যারা আছে তাদের তাড়িয়ে দেবেন না........ না হলে একদিন পস্তাতে হবে..............
এখনও সময় আছে.................

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



