somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভ্যাট নিয়ে ভ্যাটকি

১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১:৩৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আলিয়া ভাট নাকি তার নাম পালটে আলিয়া ভ্যাট রেখেছেন । যখন তাকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হয় তখন তিনি একটা ভ্যাটকি মেরে দেন ।
ভ্যাট নিয়া সবাই এতো বেশি স্ট্যাটাস দিছে যে আমি লেখার কিছু পাইনি । তবে আবুল মাল সাহেবের যিনি নাম লিখেছিলেন তাকে বেশ দুরদর্শি বলা যায় , তিনি আসলেই একটা মাল ।
মদ গাজা খাওয়ার উপর কোনো ভ্যাট নাই, এমনকি দেহপসারিনির কাছে গেলেও ভ্যাট দিতে হয় না। এখন আমার বন্ধু বাশখান যদি বিষয়টা সিরিয়াস নিয়া , ভার্সিটি যাওয়া বাদ দিয়া অন্য যায়গা যায় , তাহলে কিছু বলার পাইনা ।
একটা ছেলে তার মাকে বলছে "মা , বাবাকে কি খুব লাজুক ?" মা বলছে " তোর বাবা যদি লাজুক না হইতো তাহলে আরো ৮ বছর আগেই তোর জন্ম হইতো " আসলে আমার স্যারদের কিছুটা জ্ঞান বুদ্ধির অভাব ছিল , নয়লে কি আমার মত ছাত্র জন্ম দিতো ? থাকলে নিশ্চয় আমার মত ছাত্র বানাইতো না, বানাইলেও নিশ্চয় শিক্ষা দিয়াই বানাইতো ।
সিরিয়াস কথায় আসি ,
আমরা যখন শাহবাগ আন্দোলন শুরু করি তখন কিছু ছাগু যাইতো, যাইয়া বিতর্কিত কিছু কাজ কইরা নেট এ ছড়াইয়া দিত । নাম হইতো শাহবাগীরা খারাপ । আর কয়েকজন বিতর্কিত বিকৃত মস্তিস্কের নাস্তিক যাইয়া ব্যানার ধইরা খাড়ায়া ছবি তুললো আর তখন থেকেই শাহবাগ আন্দোলন হয়ে গেলো নাস্তিকদের আন্দোলন । কিন্তু তারা কিন্তু আন্দোলনের কেউ ছিল না । যেমন বলা যায় মগাচিপ ওরফে খাসি মহিউদ্দিন এর নাম । আর এদের কারনেই শাহবাগ আন্দোলন ধীরে ধীরে মানুষের মন উঠে যেতে লাগলো । ছিল অতিরিক্ত নেতা , আর চক্রান্ত । যার জন্য শাহবাগ আজ নিঃশেষ ।
ঠিক এই বিষয়টাই ‪#‎NO_VAT_ON_EDUCATION‬ এ ঘটছে । কিছু মানুষ রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে আন্দোলন করছে, আর কিছু মানুষ সেলফি তুইলা, অযাচিত কিছু ব্যানার নিয়া আন্দোলনে ব্যাঘাত ঘটানোর চেষ্টা করছে । এরা আন্দোলনের কেউ না । জাস্ট একটা গোষ্ঠীর পেইড এজেন্ট । যাদের কাজ হলো এই আন্দোলনকে বিতর্কিত করে তোলা ।
আমরা সাইবার ৭১ গ্রুপ কে বলিনি ওয়েবসাইট হ্যাক করতে , আসিফ নজরুল কিংবা ইমরান সরকার অথবা ছাত্রদল যা বলেছেন সেটা তাদের পারসোনাল মতামত । আমাদের আন্দোলনের সাথে দুরতম কোন সম্পর্ক নেই তাদের সাথে । পাবলিক ভার্সিটির সাথে আমাদের কোন রেশারেশি নাই । তারা আমাদেরই বন্ধু, ভাই স্বজন । আমরা এখন যেটা দাবি করছি সেটা হলো শিক্ষার উপর থেকে ভ্যাট । কারন যদি একবার এটা শুরু হয় , একটা পর্যায়ে দেখা যাবে প্রাইমারি স্কুলেও ভ্যাট দিতে হচ্ছে ।
রাজস্ব বোর্ড কিংবা সরকার যদি মনে করেন প্রাইভেট ভার্সিটি ব্যাবসার জন্য খোলা, সার্টিফিকেট বিক্রির কারখানা, তাহলে আপনারা সেটা নিয়ন্ত্রন করুন । আপনারা বেতন নির্ধারন করে দিন , ফি নির্ধারন করে দিন । এরপর দেখুন ভার্সিটি আমাদের উপর থেকে জুলুম করে কিনা । সার্টিফিকেট বানিজ্যের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিন । প্লিজ আমাদের শিক্ষা জীবন নষ্ট করবেন না । দেখুন আমরা কতটা শান্তিপুর্ন ভাবে আন্দোলন করছি ।
মাননীয় মন্ত্রি বলেছেন, তিনি ৩০ টা ভার্সিটিতে খোজ নিয়েছেন ছাত্রদের ডেইলি খরচ একহাজার টাকা । মাননীয় মন্ত্রির কাছে আবেদন দয়া করে সেই সব ভার্সিটির নাম প্রকাশ করুন । এবং তদন্ত করুন তাদের টাকার উৎস কোথায় । ওই ভার্সিটী গুলোকে ধরুন, কেন তারা এত টাকা নিচ্ছে ।

আন্দোলনরত ভাইয়েরা, চোখ কান খোলা রাখুন । আমরা নেতা হতেও আসিনি, রাজনীতি নিয়েও আসিনি । আমরা আমাদের মৌলিক অধিকার নিয়ে এসেছি ।
যারা কষ্ট করে যাতায়াত করছেন তাদের বলি, আমরা আপনাদেরই ভাই ,বোন সন্তান । আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে , তাই আমরা বাধ্য হচ্ছি । আপনাদের কাছে আন্তরিক ভাবে দুঃখিত "

বিঃদ্রঃ যে সব ছাত্র সংগঠন ছাত্র অধিকার বলে চিল্লান একমাত্র ছাত্র ইউনিয়ন বাদে কাউরেই দেখলাম না কিছু কইতে ।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ রাত ১:৩৭
৪টি মন্তব্য ৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গালিব সাহেব, মিথ্যারও তো একটু সামাজিক মর্যাদা আছে!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:১৩



মির্জা গালিব বলেছেন -
“পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি মিথ্যা বলা হয় ধর্মগ্রন্থ ছুঁয়ে, যেটা আদালতে। আর সবচেয়ে বেশি সত্য বলা হয় মদ ছুঁয়ে, যেটা পানশালা।”

গালিব সাহেব, আপনার কথায় যুক্তি আছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

লাউঞ্জ এন্ড ফুড রিভিউ; দ্যা সেন্স

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:৪২


নিয়মিত-অনিয়মিত গত এক যুগ ধরে ভ্রমণ করছি এবং প্রায়োরিটি পাস দিয়ে বিভিন্ন দেশের এয়ারপোর্টে লাউঞ্জ ব্যবহার করছি প্রায় ৪ বছর ধরে। দীর্ঘ ফ্লাইট, লং ট্রানজিটের মধ্যে এয়ারপোর্টে ফ্রিতে দৃষ্টিনন্দন,... ...বাকিটুকু পড়ুন

অধরা বালিকা

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ভোর ৬:১৮




লোভনিয়া তুমি এক অধরা বালিকা
ঘুমগুলো কেড়ে নাও ধুম করে তুমি
অথচ আমার জন্য তুমি মরুভূমি
পর ঘরে মহারানি হয়ে থাক চাই।
পরের হৃদয় রাজ্যে থাকবে মালিকা
তেমনটা আশাকরি। তাতেই যে আমি
অনেক প্রশান্তি... ...বাকিটুকু পড়ুন

যেখানে খোদা নেই; সেই ঠিকানার সন্ধানে( একটি দীর্ঘ সুফি দার্শনিক আত্মজিজ্ঞাসা)

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


প্রথমেই জানাই আমার এই লেখাটি ব্লগার মরুভুমির জলদস্যুর লেখা “শরাব পিনে দে”
হতে উৎসারিত, তাই তাঁর প্রতি জানাই কৃতজ্ঞতা ।

সেই লেখাটিতে তিনি মির্জা গালিব এর বিখ্যাত শেরটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

২৮ বছর পর ঋণের খোঁজে সন্তান বনাম হাজার কোটি টাকার খেলাপি: আমাদের ব্যাংকিং ও শেয়ারবাজারের ট্র্যাজেডি

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৫৯

সংবাদের পাতার দুটি বিপরীতমুখী ছবি সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের চরম এক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈপরীত্যের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়।

একদিকে আমরা দেখি, ২৮ বছর আগে বাবার নেওয়া মাত্র ১০ হাজার টাকার দাদন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×