somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

আনন্দ বড়ুয়া
''আমিই আমার সবচেয়ে বড় শত্রু'' " আমি আবেগের সন্তান । আমার ছোট্ট যুক্তির নৌকো যেন ভয়াল ঝড়ের মাঝখানে উত্তাল তরঙ্গে আছাড় খাচ্ছে ।'আমার সমালোচক যদি আমার সমস্ত ত্রুটির কথা জানতেন তাহলে আরও জোর সমালোচনা করতে পারতেন ।' "আমি আদৌ সর্বদোষ মুক্ত নই

এত খুশীর মাঝে আমার প্রিয় বন্ধু শুভকামনা রইলো তামিমুল ,

২০ শে জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

এশীয় গেমসের পর্দা উঠবে ৫ ফেব্রুয়ারি। ভারতের গুয়াহাটি ও শিলংয়ে অনুষ্ঠেয় এই প্রতিযোগিতা ঘিরে বাংলাদেশের প্রস্তুতি কেমন? গেমসের বিভিন্ন খেলায় আমাদের সাফল্যই বা কী? এসএ গেমসের প্রস্তুতি নিয়ে এই ধারাবাহিেক আজ আর্চারি

ইমদাদুল হক মিলন, তামিমুল ইসলামদের দেখে অন্য খেলোয়াড়েরা ঈর্ষা করতেই পারেন। দীর্ঘমেয়াদি অনুশীলনের জন্য যেখানে বেশির ভাগ ফেডারেশনের খেলোয়াড়দের কণ্ঠে নিত্য হাহাকার, সেখানে উজ্জ্বল ব্যতিক্রম আর্চারি। এসএ গেমসের জন্য বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশন (বিওএ) আগস্ট থেকে সব ফেডারেশনকে অনুশীলন ক্যাম্প শুরুর নির্দেশনা দিয়েছিল। কিন্তু আর্চারি অনুশীলন শুরু করে গত বছর জানুয়ারি থেকেই।

টঙ্গীর শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টার স্টেডিয়ামে চলমান আবাসিক ক্যাম্পে আছেন ১৬ জন আর্চার। বিশ্ব আর্চারি চ্যাম্পিয়নশিপ, এশিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপ, এশিয়ান কাপ, যুব কমনওয়েলথ চ্যাম্পিয়নশিপ এবং এসএ গেমস মাথায় রেখেই ফেডারেশনের এই দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা। এরা সবাই অনুশীলন করছেন দক্ষিণ কোরিয়ান কোচ হাগ ইয়ং কিমের অধীনে। বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টের সাফল্য, সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতি মিলিয়ে সোনা জয়ের স্বপ্ন দেখছে আর্চারি ফেডারেশন। আত্মবিশ্বাসী আর্চাররা দিন গুনছেন এসএ গেমসে জ্বলে ওঠার অপেক্ষায়।
বাংলাদেশে আর্চারির চর্চাটা খুব বেশি দিনের নয়। ২০০১ থেকে খেলাটা শুরু হলেও দ্রুতই পরিচিতি পেয়েছে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বেশ কয়েকটি সোনা ও রুপার পদক জেতার সুবাদে। সর্বশেষ লন্ডন অলিম্পিকেও খেলে এসেছে আর্চারি। এসএ গেমসে আর্চারির অভিষেক ২০০৬ শ্রীলঙ্কা গেমসে। সেবার ৭০ মিটার অলিম্পিক রাউন্ডে ব্যক্তিগত ইভেন্টে প্রথম ব্রোঞ্জ পদক জেতেন নূরে আলম। একই ইভেন্টে দলগত ব্রোঞ্জ জেতে বাংলাদেশ। পরেরবার ২০১০ ঢাকা গেমসে ৭০ মিটার অলিম্পিক রাউন্ডের ব্যক্তিগত ইভেন্টে রুপা জেতেন শেখ সজীব। একই ইভেন্টে দলগত রুপাও পায় বাংলাদেশ। মেয়েদের ৭০ মিটার অলিম্পিক রাউন্ডে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন মাথুই প্রু মারমা এবং দলগত ব্রোঞ্জ জেতে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশের আর্চারির বড় বিজ্ঞাপন ইমদাদুল হক মিলন আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে সর্বশেষ রুপা জেতেন ২০১৩ সালে, ইসলামিক সলিডারিটি গেমসে। পদক-খরায় ভুগতে থাকা মিলন এবার স্বপ্ন দেখছেন এসএ গেমসে ভালো কিছু করার, ‘অনেক দিন কোনো পদক জিততে পারি না বলে খারাপ লাগে। এবারের এসএ গেমসে ভালো আমাকে করতেই হবে। সেই লক্ষ্যে কঠোর অনুশীলন করছি।’
গত এসএ গেমসে অল্পের জন্য সোনা জিততে পারেননি শেখ সজীব। ওই ‘ব্যর্থতা’ এখনো তাঁকে পোড়ায়, ‘ভারতের আর্চারের কাছে হেরে সেবার রুপা পাই। এবার সোনা জিতে সেই দুঃখ ঘোচানোর স্বপ্ন দেখি।’
আর্চারিতে সবচেয়ে বড় স্বপ্ন দেখাচ্ছেন উদীয়মান তামিমুল ইসলাম। গত সেপ্টেম্বরে সামোয়াতে যুব কমনওয়েলথ গেমসে সোনার পদক জেতেন বিকেএসপির তরুণ। বড় মঞ্চে নিজেকে প্রমাণের পর স্বাভাবকিভাবেই প্রত্যাশার চাপ বেড়ে গেছে তামিমুলের, ‘বাবা-মা থেকে শুরু করে ফেডারেশনের সবাই চাইছেন এসএ গেমসেও যেন আমিই সোনা জিতি। নিজের পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চাই আমি। গেমসেও ওড়াতে চাই লাল-সবুজের পতাকা।’
আর্চারিতে বাংলাদেশের পদক
সোনা : ০
রুপা : ২
ব্রোঞ্জ : ৪
২০০৬ শ্রীলঙ্কা গেমসে শুরু আর্চারি ।
প্রথম আলো ।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জানুয়ারি, ২০১৬ দুপুর ১:৩৪
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

এক সেকেন্ডের নেই ভরসা

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ২৮ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৩


সংসারের শত দায়িত্ব কাঁধে। ধাপে ধাপে সব পালন করতে হবে। মোটরসাইকেল নিয়ে ভালো মনে রাস্তায় নামলেন রাইড শেয়ার করবেন বলে। হঠাৎ একটা প্রাইভেট কারের সাথে ধাক্কা লাগল। আপনি রাস্তায়... ...বাকিটুকু পড়ুন

অসমাপ্ত নীহারিকা - কেয়া ।

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ২৮ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৩:৪৭



বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাকে দেখলে মানুষের প্রথম যে কথাটা মনে হতো, তা হলো—ছেলেটার নিশ্চয়ই কোনো সমস্যা আছে।
কালো জিনস। কালো টি-শার্ট। টি-শার্টে কখনো Behemoth, কখনো Slayer, কখনো Cannibal Corpse। কানে হেডফোন। চোখে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভবিষ্যতের জন্য শুভকামনা

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:১৮


বাংলাদেশের সমাজে একটি নীরব বিপ্লব ঘটে গিয়েছে। দুই বছর আগে ব্লগে অ্যাকাউন্ট খোলার পর থেকে এই পরিবর্তন নিয়ে কম করে হলেও বিশটির বেশি পোস্ট লিখেছি। এই বিপ্লবের সাথে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনন্ত সেই ভালবাসার স্রোত

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:৫৬

অনন্ত সেই ভালবাসার স্রোত



সময় চলেছে তার আপন খেয়ালে,
নদীর স্রোতেরা হারায় কালের বুকে;
আমি শুধু এক অনন্তকাল ধরে,
ডুবে আছি প্রিয়, তোমার চাওয়া পাওয়ার ওই সুখে।

বাহিরের সব নিয়ম চলুক তার মতো,
মহাবিশ্ব... ...বাকিটুকু পড়ুন

চলার পথে ক্ষণিক দেখা – (১১)

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:০২

পূর্বের পোস্টঃ ক্ষণিকের দেখা, মায়াময় এ ভুবনে -১০


অবশেষে আমার কিছু কথা শুনে ওরা হাসিতে ফেটে পড়লো। সবার মুখে ছিল উজ্জ্বল হাসি।

আজ দুপুরে একটি এলাকার মাসজিদ সংলগ্ন পুকুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×