বর্তমানে এইচআইভি/এইডস দেশে দেশে ছড়িয়ে যাচ্ছে । এইটা মানুষের বেপরোয়া জীবন যাপনের জন্য অনেকাংশে দায়ী। আবার অজ্ঞতা বা অসচেতনতা ও কিছু কিছু অংশে দায়ী হতে পারে। এইসআইভি/এইডস বিস্তারের একটি অন্যতম কারন হলো যৌনতা । আর ইসলামে বহুগামিতা ও অবৈধ যৌন মিলনকে হারাম এবং ব্যভিচারের সমতুল্য করা হয়েছে । কুরআনে আছে (তোমরা ব্যভিচারের নিকট বর্তী হইওনা,তা অশ্লীল কাজ এবং নৃকৃষ্ট পথ।) সুরা বনী ইসরাঈল, আয়াত-৩২।
এইচআইভি/এইডস বিস্তারের ক্ষেত্রে কেবল পুরুষরাই দায়ী নয়, নারী যারা অবৈধ যৌন মিলনের সঙ্গে জড়িত তাদের কথা ও বলা হচ্ছে। আল্লাহর মতে ( ব্যভিচারী মহিলা ও ব্যভিচারী পুরুষ উভয়কেই একশত বেত্রাঘাত কর ) সুরা নুর, আয়াত-২।
আল্লাহ আরো বলেন ( তোমরা তোমাদেরকে নিজ হাতে ধ্বংস করে দিওনা।) সুরা বাকারা -১৯৫। কিন্তু কোটি কোটি মানুষ নিজেদের ধ্বংস নিজেরাই ডেকে এনেছে। এইডসের মরন থাবায় কেউ মারা গেছে , কেউবা মৃত্যুর প্রহর গুনছে। অথচ পরিচ্ছন্ন জীবন যাপনের ব্যপারে ইসলাম বার বারই আমাদের তাগিত দিয়েছে । আল্লাহ বলেন,( মুমিনদের বলুন, তারা যেন তাদের নজর সংযত রাখে এবং তাদের যৌনাঙ্গ ও সংরক্ষন করে, এটা তাদের জন্য মঙ্গল) সরা নুর - ৩০ ।
সারাবিশ্বে নারী পুরুষের পাশা পাশি শিশুরাও আক্রান্ত হচ্ছে। অথচ এসব নিষ্পাপ শিশুদেরতো কোন দোষ নেই। অপর দিকে অজ্ঞতা, অসচেতনতার জন্য অনেক গৃহ বধু ও পুরুষ আক্রান্ত হচ্ছে । এ ব্যপারে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান গুলো নিতে পারে এক বলিষ্ট পদক্ষেপ ।
মসজিদ হচ্ছে মুসলমানদের জন্য একটি শক্তি শালী সামাজিক প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশের শতকরা প্রায় ৮৫ ভাগ মুসলমান। অপর দিকে বাংলাদেশে প্রায় ২ লাখ ৫০ হাজার মসজিদ রয়েছে। ধর্মীয় অনুভুতির কারনে আমাদের দেশ পাশ্ববত্তি দেশের তুলনায় অনেক ভালো আছে। বাংলাদেশের মসজিদের মাধ্যমে মানুষকে আরো সচেতন করতে হবে। এবং স্কুল, কলেজ, ধর্মীয় শিক্ষা আরো বাড়ানোর মাধ্যমেও সচেতনতা সৃষ্টি হবে। আর পরিবারে বাবা মা তাদের সন্তানদের ইসলামের দৃষ্টিতে , দোষ গুন গুলো আলোচনা করলে পরিবার থেকেই তারা শিক্ষা গ্রহন করে , তারা সামনে এগিয়ে যেতে পারবে। সন্তানদের ভালোর জন্য তাদেরকে ইসলামিক জ্ঞান অর্জন করতে দিতে হবে অবশ্যই।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই মে, ২০০৭ রাত ১২:৪৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




