somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অহন কই যাই?-শেষ

৩১ শে জুলাই, ২০০৬ ভোর ৬:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কদম মিঞা এবার কই যাবেন? তিনি চিন্তা করছেন কিভাবে এই যন্ত্রনা থেকে বাঁচা যায়। অবশেষে তিনি একটি উপায় বের করলেন। তিনি ফোন করলেন। আই,এস,ডি কল। বেশ কয়েকবারের চেষ্টার পর লাইণ পেলেন।

-হুজ দেয়ার?
-কদম হেয়ার।
-আবে হারামী হালায় এতোদিন কই আছিলা? এভরিথিং অলরাইট?
-খবর ভালো নারে বদনা।
-হোয়াট হ্যাপেন্ড?
-আর কইসনা এক হারামী আমার জীবনডা ক্যাদো ক্যাদো কইরা ফালাইছে।
-আব্বে হালায় খুইলা না কইলে বুঝুম কেমনে?
(নেংটা কালের দুই দোস্তের আনেক দিন পর কথা তাই আনন্দের অতিশায্যে জগা খিচুড়ি ভাষায় কথা চলছে আরকি)

কদম মিঞা তার পরানের দোস্তরে সব কথা খুলে বললেন এবং আরো বেশী জোর
দিয়ে বললেন যে, তিনি আর এখনে থাকতে চান না। তার বন্ধু সব কথা মনোযোগ দিয়ে শুনলেন। কিন্তু তিনি ভেবে পেলেনা না যে তার বন্ধু কদম এরকম গবর ভর্তি মগজ নিয়ে এরকম একটা জায়গায় এতোদিনে কিভাবে টিকে আছে। তিনি নাসার প্রধান ঝাড়ুদার হবার আগে জানতেন SOMEWHEREINBLOG.COM ছিল তূখোড় লেখকদের অসাধারন প্রতিভা বিকাশের জায়গা। কদমের মত মানুষ এটার খোঁজ পেল কিভাবে তার বরই আশ্চর্য লাগল। যাই হোক পরানের দোস্তরে তিনি কিছু বললেন না শুধু তার ওখানে যেতে বললেন।

তার কিছুদিন পর কদম মিঞাকে দেখা গেল নাসার এলিয়েন গারবেজ ডিসপোজিং-এর ট্রেনিং সেন্টারে ট্রেনিং নিতে। ট্রেনিং এর চোটে তার "ছাইরা দে মা, কাইন্দা বাঁচি" অবস্থা। তবে তার একটাই শান্তি মানুষের মত এলিয়েনদের গারবেজে তেমন একটা গন্ধ নাই। তিনি ব্লগের যন্ত্রনা থেকেরা পাবার জন্য সব কিছুই সহ্য করে গেলেন।

বাঙালী বলে কথা। একদিন একটি গারবেজ কন্টেইনারে উঠে তিনি নিজেই রওয়ানা হলেন অমঙ্গল গ্রহের দিকে। ভীষন অসুপারম্যানিক পরিশ্রম করে তিনি তার গন্তব্যে পৌঁছালেন। কন্টেইনার গুলোর সাথে তিনিও ডিসপোজ হয়ে গেলেন। সবাই চলে যাবার পর তিনি বের হলেন সেখান থেকে। তারপর হেঁটে হেঁটে সেই জায়গাটা পার হয়ে ফাঁকা জায়গাায় আসলেন। চারিদিকে দেখটে দেখতে তিনি এগুতে লাগলেন। হটাৎ তিনি অনেক দূরে একটি স্ট্রিট সাইন দেখতে পেলেন। একটা আজানা আশংকা তার বুকের ভেতর হাতুরি মােতে লাগল। (এই অংশটুকু ফাস্ট ফরোয়ার্ড বাটন চেপে লিখা)

তিনি এগিয়ে গেলেন সাইনটির দিকে। গিয়ে যা দেখলেন তাতে উজ্জল মুখটা পাংশু হয়ে গেল। সাইনটিতে লেখা আছে-

[সাইজ=6]SOMEWHEREINBLOG.NET [/সাইজ]

তিনি স্তব্ধ হয়ে গেলেন। যার জন্য এতকিছু করা সে কিনা তার আগেই এখানে। তিনি এবার কি করবেন তা বুঝে উঠতে পারলেন না। তিনি সাইনটিতে হেলান দিয়ে গভীর চিন্তায় মগ্ন হয়ে গেলেন। ধীরে ধীরে তার পাংশু মুখ উজ্জল হয়ে উঠল। আস্তে আস্তে সেখানে মুচকি হাসি দেখা দিল। মুচকি হাসি একসময় অট্টহাসিতে পরিনত হল।

(আবার ফাস্ট ফরোয়ার্ড)তিনি পৃথিবীতে ফিরে আসলেন (কেমনে আসলেন জানিনা)। এক সময় তাকে দেখা গেল তিনি একদল লোকের সামনে বক্তৃতা দিচ্ছেন। কিন্তু একি তার সামনে দাড়ানো লোক গুলো সব একই রকম কেন। আরে সাবই কদম মিঞার মত দেখতে। তবে কি এরা কোন???

আপনার নিজের এতগুলা কোন কেন?

এই প্রশ্নের জবাবে তিনি জানলেন যে, ব্লগটির যন্ত্রনার বিনিময়ে তিনি ব্লকে কষ্ট দেবেন। ব্লগটিকে তিনি গাধায় গাধায় ভরে দেবেন। এত বড় যন্ত্রনার বোঝা গাধা ছাড়া বইবে কে?


[রং=খরসব][লিখাটা যে আগ্রহ নিয়ে শুরু করেছিলাম পরে সেরকম আগ্রহ না থাকায় বিশ্রী ভাবে শেষ করলাম বলে দুঃখিত][/রং]
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে জুলাই, ২০০৬ ভোর ৬:১৫
৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শহীদ জননী জাহানারা ইমাম: আপসহীন সংগ্রামের এক জীবন্ত ইশতেহার।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ২৬ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ২:০১




​ইতিহাস কেবল বিজয়ীদের খতিয়ান নয়, ইতিহাস মূলত লড়াইয়ের ময়দানে টিকে থাকা কিছু অবিনাশী কণ্ঠস্বরের গল্প। আজ ২৬ জুন। ১৯৯৪ সালের এই দিনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের এক হাসপাতালে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেছিলেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দাওয়াত দিয়েছে

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ২৬ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭

দাওয়াত দিয়েছে
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

এক পছন্দের মানুষ দাওয়াত দিয়েছে
তার ‍সুন্দর জেলা দেখার জন্য
আমিও বলেছি চলে আসবো হঠাৎ-
একদিন দেখতে, দেখবো ঘুরে ঘুরে
তার পুরো শহর , তার গ্রাম, তার বাড়ি
বিশেষ করে তাকে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ মোহমায়া

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৬ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ২:৪৬



খরস্রোতা নদীও একসময়
ক্ষীণ নালায় পরিণত হয়
কালের পরিক্রমায়,সময়ের চাহিদায় ।
তবু আশা বেঁধে রাখি।

ফিরবে সব আগের মত
চলবে জীবন অবিরত
কোন একদিন।


হারানো মুহুর্তরা কি সত্যিই  ফিরে আসে?
শত ব্যস্ততায়- মায়ের মত... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙালি মুসলমান সম্বন্ধে ChatGPT র মূল্যায়ন !

লিখেছেন ঢাকার লোক, ২৬ শে জুন, ২০২৬ রাত ৮:০৯

ChatGPT কে "বাঙালি মুসলমান বনাম প্রকৃত ইসলাম" এর উপর একটা প্রবন্ধ লিখতে বলেছিলাম, কয়েক সেকেন্ডে যা লিখেছে হুবুহু তুলে দিলাম ! আপত্তি থাকলে চ্যাটজিপ্ট দায়ী !!

বাংলার মুসলমান সমাজকে দেখলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

মন্তব্যে অনন্য রাজীব নূর

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৬ শে জুন, ২০২৬ রাত ১০:৩২



অনন্য রাজীব নুর মন্তব্য বেলায়
পাওয়া ও দেওয়ায় লক্ষ করে পার
সম্মুখে এগিয়ে চলে গন্তব্যে অপার
প্রতিটি পোষ্টের ক্ষেত্রে তার আছে টান।
মন তার দোলে চলে আনন্দ ভেলায়
ব্লগেতে নিশ্চুপ দেখে পোষ্ট... ...বাকিটুকু পড়ুন

×