কোথায় হারিয়ে গেলো ওনদীর জল
নদী জোড়ে খেলা করে এখন নতুন-
জলের কনা,
তবুও তাদের মতো হতেই পারেনী
তোমার ছোয়াতে যারা পেয়েছিলো নীপূন
শিশিরের আল্পনা।
ভাত আর চিনি খেতে মজা লাগে দারুনের শেষ, কেনো জানো, তখন তোমা হতে পেয়েছিনু ঘিয়ে ভাজা কিছু এস. এম. এস।
আচ্ছা তুমি ভাবতে পারো, আর কোন দিন তোমাকে দেখবোনা। অথচ সারা দুনিয়ার মানুষ তোমাকে দেখেবে-
আর--
অমিও মথিয়া তোলা লাবনী মাখা হাসি মুখ
১৪২৫ বাংলায় হবে সুর্য়ের সুখ,
সূর্য এখন থেকেই সুখ পেতে আরম্ব করেছে, সুখি আমিও, কেনো সুখী?
আমি সুখি কারণ আমার আর হারাবার কিছু নেই। হারাবার ছিলে একমাত্র তুমি।
এখন তুমি পাবার যোগ্য, হারাবার যুগ্যতা হারিয়েছো গেল চৈতের শেষ রজনীতে।
বাদ দাও এসব, এবার চমৎকার একটা খাবারের কথা বলি। সেটা তোমার সেই ঘিয়ে ভাজা ডিমের মত নয়। সম্পুর্ণ আলাদা।
তখন এস. এস. সি, পরীক্ষার্তী, সদরে এসেছি পরীক্ষা দোবার জন্য, থাকতে হয় মেস করে।
হঠাত করে একদিন মেসের মেনাজার জানালো তার কাছে টাকা নাই, সুতরাং খালি ভাত লবন দিয়ে খেতে হবে, কোন তরকারী পাক হবেনা।
ঘটনা ভয়াবহ, আশ্চর্য টাকা নাই আপনি একদিন আগে কইবেন না?" -- সবাই মেনেজাররে উপর হামলে পড়লাম।
কিন্তু লাভ হলোনা। তখন আবার বিকাশ ও বিকাশ লাভ করনাই, তাই উপবাস ই নিয়তী।
সেদিন "মাহা রেকটু" লজেন্স দিয়ে বাত খেয়েছিলাম জানো। এখনো শাদ মুখে লেগে আছে।
কথা দিলেম যদি সুযোগ পাই তোমাকে একদিন চকলেটের ভাত খাওয়াবো।
হয়তো পাবন।- তবু হাবারবনো পতিক্ষার বিলাশ,
যে দেখা পারিনি দিতে হয়নি অবকাশ--
তারে যে দিতেই হবে কোন একদিন-
শোধ করে যেতে হবে হৃদয়ের ঋন।
তুমি হারাতে পারোনি, কারণ পৃথিবে আছে ফেসবুক/গুগোল
আর পৃথিবীটাও পুরা না হলোও কিঞ্চিত গোল।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



