somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ZIA INTERNATION L AIRPORT !!!

২২ শে নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


প্রথম বার চোখে পড়লো জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রী আগমনী লাউঞ্জের পাকিং-এ অপেক্ষারত অবস্থায় টার্মিনাল ১ ও ২ এর মাঝামাঝিতে অবস্থিত লাল আলোক দ্বারা নির্মিত বিমানবন্দরের নাম ফলকটি। তাকিয়ে একটু ধাক্কা খেলাম ভূল দেখছি নাতো চোখে। না ঠিকই আছে। নামফলকে লেখা ZIA INTERNATION L AIRPORT। একটু খেলায় করলে বোঝা যায় “INTERNATIONAL”- এর A অক্ষরটির বাতিটি নষ্ট হয়ে আছে - জ্বলছে না। একটু হাসলাম। অপেক্ষার এক পর্যায়ে হঠাৎ সমস্বরে অট্টহাসির শব্দ। তাকিয়ে বুঝলাম পাঁচ-ছয় জনের একটি দল পাশে দাঁড়িয়ে বিমানবন্দরের ত্র“টিযুক্ত নামফলক নিয়ে হাসাহাসি করছে।

পরদিন উত্তরা থেকে ফেরার পথে নামফলকটির কথা মনে পড়াতে কৌতুহল বশতঃ বিমানবন্দরে ঢুকলাম । কিন্তু হায় আগের দিনের মতই-“A” অক্ষরটি ছাড়াই বিমানবন্দরের নামফলকটি লাল আভা ছড়াচ্ছে।

সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের লোকবলের অভাব আছে বলে তো কখনই শোনা যায় নি। ক্ষেত্র বিশেষে প্রয়োজনের তুলনায় তাদের জনবলের সারপ্রাস আছে। অথচ সামান্য একটি বাতি তাও আবার চোখের সামনে যা সহজেই চোখে পড়ে তা ঠিক করা ২ দিনেও হলো না । অথচ বাতিটি বদলাতে কতক্ষন সময় লাগে। কিন্তু সিভিল এভিয়েশন কর্তা ব্যক্তিদের চোখে তা পড়ছে না। ওনারা কি ঘুমান নাকি? তাদের কর্তব্য পালনে এই উদাসীনতা প্রতিদিন হাজার হাজার দেশী-বিদেশী যাত্রীর হাসির খোড়াক যোগাচ্ছে।

যাত্রী সেবায় সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ এমনিতেই বিখ্যাত!?! তাই হয়তো তাদের ঘুম ভাঙ্গছে না। কিন্তু আমাদের কাছে তো এই দায়িত্বহীনতা দৃষ্টিকটু মনে হয়।

সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের ঘুম অচীরেই ভাঙ্গবে এই আশায় রইলাম।


পুনশ্চঃ আমি জানি না ২য় দিনের পর বাতিটি ঠিক হয়েছে কিনা, না এখনও ওভাবেই আছে ।
১০টি মন্তব্য ৭টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রফিকুল ইসলামের ২য় বিয়ে করার যুক্তি প্রসঙ্গে chatgpt-কে জিজ্ঞেস করে যা পেলাম...

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ০৭ ই মে, ২০২৬ দুপুর ১২:৫০



ইসলামে একাধিক বিয়ে বৈধ, তবে সেটা বড় দায়িত্বের বিষয়। শুধু “বৈধ” হলেই কোনো সিদ্ধান্ত স্বয়ংক্রিয়ভাবে উত্তম বা সবার জন্য উপযুক্ত হয়ে যায় না। Qur'an-এ বহু বিবাহের অনুমতির সাথে ন্যায়বিচারের শর্তও... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এখনই কওমী মাদ্রাসাগুলো বন্ধ করে দিন

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৭ ই মে, ২০২৬ রাত ৮:৪৮


মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এখনই কওমী মাদ্রাসাগুলো বন্ধ করে দিন। এর জন্য যদি আকাশ ভেঙে পড়ে, তাহলে ভেঙে পড়ুক। এর কারণে যদি দেশে গৃহযুদ্ধ শুরু হয়, তবে তা-ই হোক। এখনই উপযুক্ত সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমজনতা আর রাজনীতি

লিখেছেন কিরকুট, ০৭ ই মে, ২০২৬ রাত ১০:১৮

দেশটা এখন এমন এক মোড়ে দাঁড়িয়ে, যেখানে চায়ের দোকানের বেঞ্চি থেকে শুরু করে ফেসবুকের কমেন্টবক্স পর্যন্ত সবাই ভূরাজনীতির গোপন উপদেষ্টা। কেউ ন্যাটো বুঝে, কেউ "র" এর ফাইল পড়ে ফেলেছে বলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাজনৈতিক দল গঠনের মতো জনপ্রিয়তা ইউনুস সাহেবের ছিলো না ।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই মে, ২০২৬ রাত ২:২৬


মাঝে মাঝে আমি ইউটিউবে বা মাহফিলে গিয়ে হুজুরদের ওয়াজ শুনি। শোনার কারণটা ধর্মীয় যতটা না, তার চেয়ে বেশি হলো আমাদের সমাজের হুজুররা দেশীয় অর্থনীতি বা সামাজিক ইস্যুগুলো নিয়ে সাধারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

সীমিত মগজ, লিলিপুটিয়ান, ডোডো পাখি (সৌজন্যে - চাঁদগাজী)...

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ১১:২৯



১. যেনা করব আমরা, ৫০১-এ যাব আমরা, পার্কে যাব আমরা। তুমি তো আলেম। তুমি কেন যাবে? তুমি তো ইসলামের সবক দাও সবাইকে। তুমি মাহফিলে কোরআন, হাদীস বয়ান কর। তুমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

×