ZIA INTERNATION L AIRPORT !!!
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
Tweet
প্রথম বার চোখে পড়লো জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রী আগমনী লাউঞ্জের পাকিং-এ অপেক্ষারত অবস্থায় টার্মিনাল ১ ও ২ এর মাঝামাঝিতে অবস্থিত লাল আলোক দ্বারা নির্মিত বিমানবন্দরের নাম ফলকটি। তাকিয়ে একটু ধাক্কা খেলাম ভূল দেখছি নাতো চোখে। না ঠিকই আছে। নামফলকে লেখা ZIA INTERNATION L AIRPORT। একটু খেলায় করলে বোঝা যায় “INTERNATIONAL”- এর A অক্ষরটির বাতিটি নষ্ট হয়ে আছে - জ্বলছে না। একটু হাসলাম। অপেক্ষার এক পর্যায়ে হঠাৎ সমস্বরে অট্টহাসির শব্দ। তাকিয়ে বুঝলাম পাঁচ-ছয় জনের একটি দল পাশে দাঁড়িয়ে বিমানবন্দরের ত্র“টিযুক্ত নামফলক নিয়ে হাসাহাসি করছে।
পরদিন উত্তরা থেকে ফেরার পথে নামফলকটির কথা মনে পড়াতে কৌতুহল বশতঃ বিমানবন্দরে ঢুকলাম । কিন্তু হায় আগের দিনের মতই-“A” অক্ষরটি ছাড়াই বিমানবন্দরের নামফলকটি লাল আভা ছড়াচ্ছে।
সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের লোকবলের অভাব আছে বলে তো কখনই শোনা যায় নি। ক্ষেত্র বিশেষে প্রয়োজনের তুলনায় তাদের জনবলের সারপ্রাস আছে। অথচ সামান্য একটি বাতি তাও আবার চোখের সামনে যা সহজেই চোখে পড়ে তা ঠিক করা ২ দিনেও হলো না । অথচ বাতিটি বদলাতে কতক্ষন সময় লাগে। কিন্তু সিভিল এভিয়েশন কর্তা ব্যক্তিদের চোখে তা পড়ছে না। ওনারা কি ঘুমান নাকি? তাদের কর্তব্য পালনে এই উদাসীনতা প্রতিদিন হাজার হাজার দেশী-বিদেশী যাত্রীর হাসির খোড়াক যোগাচ্ছে।
যাত্রী সেবায় সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষ এমনিতেই বিখ্যাত!?! তাই হয়তো তাদের ঘুম ভাঙ্গছে না। কিন্তু আমাদের কাছে তো এই দায়িত্বহীনতা দৃষ্টিকটু মনে হয়।
সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের ঘুম অচীরেই ভাঙ্গবে এই আশায় রইলাম।
পুনশ্চঃ আমি জানি না ২য় দিনের পর বাতিটি ঠিক হয়েছে কিনা, না এখনও ওভাবেই আছে ।
১০টি মন্তব্য ৭টি উত্তর
আলোচিত ব্লগ
কি আছে কারবার

ঐ যে হেঁটে যাচ্ছিলাম- দেখলাম
ভণ্ডামি আর প্রলোভন কাণ্ড;
ক্ষমতায় যেনো সব, ভুলে যাচ্ছি অতীত-
জনগণ যে ক্ষেতের সফল ভিত
অবজ্ঞায় অভিনয়ে পাকাপোক্ত লঙ্কা;
চিনলাম কি আর খেলেই ঝাল ঝাল
তবু ভাই চলো যাই, হেঁটে- হেঁটেই... ...বাকিটুকু পড়ুন
সিংহাসনের লড়াই: নেকড়ের জয়ধ্বনি ও ছায়ার বিনাশ

“Game of Thrones: Winter is coming” - এর ছায়া অবলম্বনে।
বাংলার আকাশে এখন নতুন সূর্যের আভা, কিন্তু বাতাসের হিমেল পরশ এখনো যায়নি। 'পদ্মপুর' দুর্গের রাজকীয় কক্ষের একপাশে বিশাল মানচিত্রের দিকে তাকিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন
৭১ পরবর্তি বাংলাদেশ ( পর্ব ০৮)
মুক্তিযুদ্ধে ‘ত্রিশ লাখ শহিদ হয়েছে'— এই দাবি বিশ্ববাসী প্রথম জানতে পারে ৩ জানুয়ারি ১৯৭২ সালে সোভিয়েত রাশিয়ার কমিউনিস্ট পার্টির পত্রিকা ‘প্রাভদা'তে প্রকাশিত এক সংবাদ নিবন্ধে। দু'দিন পর চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত... ...বাকিটুকু পড়ুন
আজ শবে বরাত!!

ইসলামি বিশ্বাস মতে,
এই রাতে আল্লাহ তার বান্দাদেরকে বিশেষ ভাবে ক্ষমা করেন। ফারসি 'শবে বরাত' শব্দের অর্থ ভাগ্য রজনী। দুই হাত তুলে প্রার্থনা করলে আল্লাহ হয়তো সমস্ত অপরাধ... ...বাকিটুকু পড়ুন
ফেলে আসা শৈশবের দিনগুলি!

চট্টগ্রামে আমার ছোটবেলা কেটেছে নানুর বাড়িতে। চট্টগ্রাম হলো সুফি আর অলি-আউলিয়াদের পবিত্র ভূমি। বেরলভী মাওলানাদের জনপ্রিয়তা বেশি এখানে। ওয়াহাবি কিংবা সালাফিদের কালচার যখন আমি চট্টগ্রামে ছিলাম তেমন চোখে পড়েনি।... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।