জিজ্ঞেস করা মাত্রই রেগে গেলেন, বললেন নাস্তিক দের মতন কথা বলছ কেন?
দুর্ভাগ্য আমার চাচা জানতেন না আমি আসলেই নাস্তিক। যাই হোক, চাচা কিন্ত সেইরকম অন্ধ মানে ধর্মান্ধ। বাচ্চাকাচ্চাদের ইসলাম ধর্ম শিক্ষা দান করেন কোন এক মাদরাসাতে। আমি হিন্দু ফ্যামিলির তারপরও চাচার কাছে ইসলাম ধর্মজ্ঞান নিতে এসেছি তাই চাচা অনেক খুশি হয়েছিলেন বটে। আমার প্রশ্নটা ছিল খুবই স্বাভাবিক।
আচ্ছা চাচা আল্লাহ্ দুনিয়ার সব সৃষ্টি করেছেন,হিন্দুদের ভগবান। কিন্তু আল্লাহ্কে বা ভগবানকে কে সৃষ্টি করেছিলেন।
আস্তিকরা বা বিশ্বাসীরা স্রষ্টা পর্যন্ত গিয়ে থেমে যান সৃষ্টির প্রশ্নের ব্যাপারে। রাগে গেলেন বললেন নাস্তিক দের মতন কথা বলছ কেন? শান্ত ভাবে বললাম চাচা ধরে নিন আমি নাস্তিক, উত্তরটা কি নাস্তিক দের দেয়া যায়না? চাচা নিতান্তই পদার্থ বিজ্ঞান এ অজ্ঞ ছিল তাই আমার প্রশ্নের উত্তর দিতে আমার এক বিজ্ঞানি বন্ধুর মতন পদার্থ বিজ্ঞান এর জ্ঞান দেয়ার বৃথা চেষ্টা করেননি। চাচা দাঁড়ীয়ে বললেন নাস্তিক দের সাথে কথা বলাই জায়েজ না। আস্তাকফিরুল্লাহ। চাচা জানতেন আমি হিন্দু, আর মুসলমানরা মুরতাদকে ইসলামের দাওয়াত দিতে পারাটা জায়েজ হলে, নাস্তিক এর সাথে কথা বলা নাজায়েজ কেন ।আবার, হিন্দু বা কাফের জেনে আমাকে ধর্মজ্ঞান দিতে এত আগ্রহ ছিল কিন্তু নাস্তিক জানার পর সেই আগ্রহটা নাজায়েজ হওয়ার কারণটা? যদি বলেন জায়েজ না তা হলে প্রশ্ন আসলো কেন জায়েজ না। তিনি তো মহান তার কাছে সামান্য এই প্রশ্নটা রাসুলই বা কেন পরিস্কার হননি? নাকি রাসূল সৃষ্টির প্রশ্নের ব্যাপারে গুজামিল দিতে পারেন নাই? রাসূল এর ভুল ধরা মাত্রই আরও একটা জগন্য কাজ করে ফেললাম। হুমকি দিলেন এই ছেলে তুই কি জানিস তুকে মেরে ফেলা জায়েজ। আমি বললাম হ্যাঁ নাস্তিক মারলে আপনার ডাইরেক্ট বেহেশত। ধাক্কা মারল, এলাকায় বড় ভাইয়ের নাম ডাক ছিল তাই সেদিন এ হয়ত ধাক্কাটা পর্যন্ত ছিল।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৫ সন্ধ্যা ৬:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




