ছোট্ট একটা বাজারের পাশেই একটা বাড়ী।
সেই বাড়ী থেকে বের হওয়া হয় না। বের হতে ইচ্ছা করে না। কোন কাজ নেই, তবুও দুতলা আর তিনতলা করতে করতে পা ব্যথা হয়ে যায়। সেই বাড়ীতে সারাক্ষণ মানুষ আসছে, যাচ্ছে, এই নিচ্ছে ওই দিচ্ছে।
সেই বাড়ীতে কারেন্ট চলে যায় হুটহাট, রাত ৮ টায় সব নিস্তব্ধ। ইয়া বড় বড় টিকটিকি যখন তখন ঠিক ঠিক ঠিক করে চমকায়ে তোলে।
সেই বাড়ীতে হাসতে কোন কারণ লাগে না। যখন তখন গল্পের ঝাপি খুলে যে কেউ বসে পড়ে।
সেই বাড়ীতে মুখের কথা মুখে রাখতেই সব হাজির, মহা সমারোহে সবই হচ্ছে।
প্রতিবার বাড়ী ছেড়ে চলে আসার সময় ভাবী, কি লাভ এই মাথামুন্ডু পড়ালেখা করে...হাতের ব্যাগ ফেলে দিয়ে বাড়ী থাকি। যখনই কেউ বলে, কবে যাচ্ছো, কবে যাবা, টিকিট কাটছো?
চিৎকার করে বলতে ইচ্ছা করে, যাবো না আমি বাড়ী থেকে আমি থাকবো।
তা করা হয়না।
যা করা হয়, তা হলো, ট্রেনে উঠে চোখের পানি আড়াল করার চেষ্টা।
অপেক্ষা কুরবানী ঈদের। তখন আবার এই বাড়ীতে ছোট্টু কাকুর "চান্দের বাজার" বসবে।সব কিছুর পুনরাবৃত্তি হবে।
তখন সবাই ছোট্টূ কাকুকে বলবে, কি ব্যাপার? ভাইপো ভাইজি আসলে যে তোমার দেখা পাওয়া যায় না।
তখন সহাস্যে কাকু উত্তর দিবে, বাড়ী আমার চান্দের বাজার, আমি এখানে আসবো কেন???
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জুলাই, ২০১৮ রাত ১০:৫১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


