somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

শচীনের কেরলকে হারিয়ে ফের আইএসএল চ্যাম্পিয়ন সৌরভের কলকাতা

১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৬ দুপুর ১:২১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



কেরালা ব্লাস্টার্স: ১ (রফি) পেনাল্টি – ৩
অ্যাটলেটিকো ডি কলকাতা: ১ (সেরেনো) পেনাল্টি – ৪

গ্যালারি ভর্তি দর্শক৷ টানটান উত্তেজনা৷ রবিবার কোচির জওহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে রূদ্ধশ্বাস একটি ফাইনালের সাক্ষী থাকলেন ৬০ হাজার দর্শক৷ এদিন দু’বছর আগের আইএসএল ফাইনালের স্মৃতি ফিরল কোচিতে৷ সেবার মুম্বইয়ে এই কেরলের বিরুদ্ধেই রফিকের একমাত্র গোলে প্রথমবার ইন্ডিয়ান সুপার লিগের উদ্বোধনী ট্রফি ঘরে তুলেছিল অ্যাটলেটিকো ডি কলকাতা৷ সেই ইতিহাসেরই পুনরাবৃত্তি ঘটল৷ দ্বিতীয়বারের জন্য আইএসএল চ্যাম্পিয়ন হল কলকাতা৷



এটিকে কোচ মোলিনা আগেই জানিয়ে দিয়েছিলেন কেরলের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই আক্রমণ শানাবেন৷ তেমনটাই হল৷ গোলের মুখ খুলে কেরলের আত্মবিশ্বাসে জোর ধাক্কা দিতে সর্বশক্তি দিয়ে ঝাঁপালেন হিউম, পোস্তিগারা৷ উল্টোদিকে কেরলও কম গেল না৷ এটিকে রক্ষণে বারবার আঘাত হানলেন রফি, বেলফোর্টরা৷ ফল মিলল ৩৭ মিনিটে৷ মেহতাবের কর্নার থেকে মহম্মদ রফির মাপা হেডে এগিয়ে গেল শচীন তেণ্ডুলকরের দল৷ গোলের পর চনমনে ফুটবলাররা আক্রমণে আরও একটু ঝাঁঝ বাড়িয়ে দেন৷ কিন্তু কলকাতাও নাছোড়বান্দা৷ ৭ মিনিট পর ফের একটা ডেডবল সিচুয়েশন৷ কর্নারের দৌলতে এবার ম্যাচে ফিরল এটিকে৷ প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার এক মিনিট আগে ডাউটির নিখুঁত কর্নার থেকে দুরন্ত হেডে কলকাতাকে সমতায় ফেরালেন পর্তুগালের সেরেনো৷ কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের খেলায় কোথায় যেন খেই হারিয়ে গেল৷ নির্ধারিত সময়ে আর গোলই এল না৷


আক্রমণ-প্রতি আক্রমণে জমজমাট হয়ে উঠল অতিরিক্ত সময়৷ কিন্তু খেলার মীমাংসা হল না৷ পেনাল্টি শুটআউটে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারিত হল৷ তবে শুরুতেই হিউম পেনাল্টি মিস করলে মাথায় হাত পড়ে যায় কলকাতাবাসীর৷ শুটআউটের মোড় ঘুরল সেভজিত দেবজিতের পায়ের টাচে৷ কেট্রিকের শট বাইরে বেরিয়ে গেল৷ শেষে জুয়েল রাজার শটে জয় নিশ্চিত হল৷ এটিকে’র প্রাক্তন কোচ অ্যান্তোনিও হাবাসকে এরচেয়ে ভাল উপহার আর কী-ই বা দিতে পারতেন মোলিনা৷



শচীন তেণ্ডুলকর থেকে অমিতাভ বচ্চন, সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় থেকে নীতা আম্বানি- কোচির স্টেডিয়ামে এদিন যেন চাঁদের হাট বসেছিল৷ কিন্তু ঘরের মাটিতে সেই দাদার কাছে ফের হারতে হল ছোটবাবুকে৷ ৭৯ দিনের লম্বা টুর্নামেন্টের যবনিকা পতন ঘটল কলকাতার জয় দিয়ে৷
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৬ দুপুর ১:২৩
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অভিনন্দন নাবিহা সাকলায়েন: ৩০ বছর পরের এআই পটেনশিয়াল

লিখেছেন কলাবাগান১, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:৩৮


কনসেপ্ট টা খুবই সোজা...পৃথিবীর তাবত মানুষ ই জানে যে আপনার বিশ বছর বয়সে শরীরে যে কোষ গুলি আছে তা আপনার ৬০ বছর বয়সের কোষ আর সেইম না ..লম্বা সময়... ...বাকিটুকু পড়ুন

যাদের স্বপ্নের দেশ আমেরিকা: তাদের জন্যে আজকের পোস্ট

লিখেছেন অপলক , ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:১৮



এমন এক সময় ছিল, ছেলে বা মেয়ে ডিভি লটারীতে স্বপ্নের দেশে গেছে, বাপ মায়ের পাড়া প্রতিবেশী গর্বে কথা বলাই মুশকিল। সেখানে গিয়ে OC(Office Cleaner) নাকি DC(Dish Cleaner) হবে তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

”আমার রাজনীতির রূপরেখা” -- জিয়াউর রহমান

লিখেছেন প্রামানিক, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:০০


শহীদুল ইসলাম প্রামানিক
আমি তখন দৈনিক দেশ পত্রিকায় চাকরি করি। এটা আমার দ্বিতীয় চাকরি। প্রথম চাকরি নিয়েছিলাম ব্রিটিশ আমলের প্রকাশিত দৈনিক আজাদ পত্রিকায়। আজাদ পত্রিকাটি ব্রিটিশ আমলে মুসলমানের পক্ষের একমাত্র... ...বাকিটুকু পড়ুন

শহীদ জিয়া ২৭ মার্চের ভাষণে 'জয় বাংলা' বলেছিলেন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৭ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:১১





সূত্রঃ আমার রাজনীতির রূপরেখা
লেখকঃ জিয়াউর রহমান
পৃষ্ঠাঃ ১৭৭

...বাকিটুকু পড়ুন

ওরা জিডিপি আর সেমিকন্ডাক্টরে ব্যস্ত , আমরা ব্যস্ত গোরুর জিয়াফত নিয়ে ....।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩৫


গতকাল মামার ফোন এল দুবাই থেকে, রাতের বেলা। বললেন, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে গরু জবাই করে জিয়াফত খাওয়ার খবর এখান পর্যন্ত পৌঁছে গেছে, ব্যাপার কী? আমি বললাম, মামা, ওরা গরুর মাংস... ...বাকিটুকু পড়ুন

×