somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

কান্ডারি অথর্ব
আমি আঁধারে তামাশায় ঘেরা জীবন দেখেছি, আমার বুকের ভেতর শূণ্যতা থেকে শূণ্যরা এসে বাসা বেঁধেছে, আমি খুঁজেছি তোমাকে সেই আঁধারে আমার মনের যত রঙ্গলীলা; আজ সাঙ্গ হতেছে এই ভবের বাজারে।

অসুর মানবঃ রহস্যাবৃত এক লুকানো সত্য

৩০ শে মে, ২০১৪ সন্ধ্যা ৭:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আমরা রূপকথার গল্পে দৈত্য কিংবা অসুরদের নিয়ে পড়েছি কিন্তু বাস্তব বলে মেনে নিতে পারিনা। অথচ উপরের ছবিতে দেখুনতো ক্রেটাসিয়াস চুনাপাথরে পাওয়া সংরক্ষিত একটি আঙুলের মধ্যভাগের ভগ্ন অংশ যার পরিমাপ প্রায় ৩ ইঞ্চি। এর পূর্ণ দৈর্ঘ্য পরিমাপ করলে হবে প্রায় ৬ ইঞ্চি।





আমাদের হাতের আঙুল ঠিক আমাদের মুঠোবদ্ধ হাত হিসাবে দীর্ঘ। কিন্তু সেই আঙুল যদি ১৪ ইঞ্চি হয় তাহলে মুঠো খুললে হাত হবে ২৮ ইঞ্চি।



এও কি সম্ভব? হ্যাঁ অসুর মানবদের হাত এর চেয়েও লম্বা হওয়াটাই স্বাভাবিক এবং তা কোন রূপকথার গল্প নয়, বরং বাস্তব। নিচের ছবিটিতে মানুষের হাড়ের একটি অংশ দেখুনতো কি মনে হচ্ছে?



ছবিতে মানুষের মাথার খুলী দেখুন; এত বড় মাথা নিশ্চয় কোন সাধারন মানুষের হতে পারে না!





উইসকনসিনের মাটির অতল থেকে আবিষ্কৃত মানুষের কঙ্কালের ছবি দেখুন; এটাও নিশ্চয় গড় উচ্চতার সাধারন মানুষের কঙ্কাল হতে পারে না!





সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম, মুসনাদে আহমদ, সহীহ ইবনে খুযায়মা প্রভৃতি হাদীসগ্রন্থে হযরত আবু হুরায়রার রেওয়ায়েতে একটি হাদীস উদ্ধৃত হয়েছে, যাতে বলা হয়েছে,

আদি মানব হযরত আদম (আঃ) ৬০ হাত বা ৯০ ফুট দীর্ঘ দেহের অধিকারী ছিলেন।

যার সত্যতা ইসলামের কয়েকজন নবী-রাসুলগণের মাজার শরীফ দেখলেই প্রমানিত হয়। নিচের ছবিগুলো দেখুন;









পৃথিবীতে লুকানো আরও এক প্রজাতির অসুর মানব আছে যারা হলেন ইয়াজুজ মাজুজ। এই ইয়াজুজ মাজুজের সত্যতা সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক তাহলে;

ইয়াজুজ মাজুজ এরা তুরস্কের বংশোদ্ভুত দুটি জাতি। কোরআন মাজীদে এ জাতির বিস্তারিত পরিচয় দেয়া হয়নি। খালেদ বিন আব্দুল্লাহ্‌ থেকে বর্ণিত, নবী করীম (সাঃ) বলেন, “তোমরা তো মনে কর যে, তোমাদের কোন শত্রু নেই! (অবশ্যই নয়; বরং শত্রু আছে এবং শত্রুদের বিরুদ্ধে) তোমরা যদ্ধু করতে থাকবে। অবশেষে ইয়াজূজ-মাজূজের উদ্ভব হবে। প্রশস্ত চেহারা, ক্ষুদ্র চোখ, কৃষ্ণ চুলে আবছা রক্তিম। প্রত্যেক উচ্চভূমি থেকে তারা দ্রুত ছুটে আসবে। মনে হবে, তাদের চেহারা সুপরিসর বর্ম” [মুসনাদে আহমদ, তাবারানী] অর্থাৎ মাংসলতা ও স্থূলতার ফলে তাদের চেহারা বর্ম সদৃশ দেখাবে। আব্দুল্লাহ্‌ বিন আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, নবী করীম (সাঃ) বলেন, “ইয়াজূজ-মাজূজ আদম সন্তানেরই একটি সম্প্রদায়। তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হলে জনজীবন বিপর্যস্ত করে তুলবে। তাদের একজন মারা যাওয়ার আগে এক হাজার বা এর চেয়ে বেশি সন্তান জন্ম দিয়ে যায়। তাদের পেছনে তিনটি জাতি আছেঃ তাউল, তারিছ এবং মাস্ক” [তাবারানী]। এশিয়ার উত্তর পুর্বাঞ্চলে অবস্থিত এ জাতির লোকেরা প্রাচীন কাল হতেই সভয় দেশ সমুহের উপর হামলা করে লুটতরাজ চালাত। মাঝে মাঝে এরা ইউরোপ ও এশিয়া উভয় দিকে সয়লাবের আকারে ধবংসের থাবা বিস্তার করত।



ছবিতে জায়ান্ট মানুষের কঙ্কাল



ছবিতে জায়ান্ট মানব

তাদেরকে হযরত নুহ (আঃ) এর পুত্র ইয়াকেলের বংশধর বলা হয়ে থাকে। মুসলিম ঐতিহাসিক গন ও একথাই মনে করেন রাশিয়া ও ঊওর চীনে এদের অবস্থান বলে বর্ণনা পাওয়া যায়। সেখানে অনুরুপ চরিত্রের কিছু উপজাতি রয়েছে যারা তাতারী, মঙ্গল, হুন ও সেথিন নামে পরিচিত। ইয়াজূজ এবং মাজূজ হচ্ছে আদম সন্তানের মধ্যে দুটি গোত্র, যেমনটি হাদিসে এবং বিভিন্ন গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে। তাদের মধ্যে কিছু মানুষ অস্বাভাবিক বেঁটে, আবার কিছু অস্বাভাবিক লম্বা। কিছু অনির্ভরযোগ্য কথাও প্রসিদ্ধ যে তাদের মাঝে বৃহৎ কর্ণবিশিষ্ট মানুষও আছে, এক কান মাটিতে বিছিয়ে এবং অপর কান গায়ে জড়িয়ে বিশ্রাম করে। বাদশা যুলকারনাইনের যুগে তারা অত্যধিক বিশৃঙ্খল জাতি হিসেবে প্রসিদ্ধ ছিল। অনিষ্টটা থেকে মানুষকে বাঁচাতে যুলকারনাইন তাদের প্রবেশ পথ বৃহৎ প্রাচীর নির্মাণ করেছিলেন। তাছাড়া একথাও জানা যায় যে, তাদের আক্রমন থেকে আত্নরক্ষার জন্য ককেম্পসের দক্ষিণাঞ্চলে দরবন্দ ও দারিয়ালের মাঝখানে প্রাচীর নির্মান করা হয়েছিল। ইসরাঈলী ঐতিহাসিক ইউসীফুল তাদেরকে সেথীন জাতি মনে করেন এবং তার ধারণা তাদের এলাকা কৃষ্ণ সাগরের উওর ও পুর্ব দিকে অবস্থিত ছিল। জিরোম এর বর্ণনামতে মাজুজ জাতির বসতি ছিল ককেশিয়ার উওরে কাস্পিয়ান সাগরের সন্নিকটে। নবী করীম (সাঃ) বলে গেছেন যে, ঈসা নবী অবতরণের পর তারা সেই প্রাচীর ভেঙে বেরিয়ে আসবে। আল্লাহ্‌র আদেশে ঈসা (আঃ) মুমিনদেরকে নিয়ে তূর পর্বতে আশ্রয় নেবেন।

এবার স্টোনহেঞ্জের ছবি দেখুনতো কি মনে হয়?






A Giant helps Merlin build Stonehenge. From a manuscript of the Roman de Brut [1100s] by Wace in the British Library (Egerton 3028).



সান ফেলিস সিরসিয়েও কেন্দ্রিয় ইতালির লাযিও অঞ্চলের লাতিনা প্রদেশের একটি শহর







আশিনি



জ্যামিতিক নকশাকৃতির গঠনে কাটা পাথর যা একেঅপরের সাথে পুরোপুরি লাগানো।

নরবা







For many generations…they obeyed the laws and loved the divine to which they were akin…they reckoned that qualities of character were far more important than their present prosperity. So they bore the burden of their wealth and possessions lightly, and did not let their high standard of living intoxicate them or make them lose their self-control… But when the divine element in them became weakened…and their human traits became predominant, they ceased to be able to carry their prosperity with moderation.

--- Plato, Timaeus







কোন হামানদিস্তা ব্যবহার ছাড়াই বেশ কয়েক টন ওজনের কেবল কিছু পাথরের ব্লক দিয়ে নির্মিত ভিত্তিপ্রস্তর দেয়াল।

পিয়েট্রাব্বন্ডান্টে





He who has not seen the so-called Cyclopean cities of Latium…those marvels of early art, which overpower the mind with their grandeur, bewilder it with amazement, or excite it to active speculations as to their antiquity, the race which erected them, and the state of society which demanded fortifications so stupendous on sites so inaccessible as they in general occupy; — he who has not beheld those sublime trophies of early Italian civilization — the bastion and round tower of Norba — the gates of Segni and Arpino — the citadel of Alatri — the many terraces of Cora — the covered way of Praeneste, and the colossal works of the same masonry in the mountains of Latium, Sabina, and Samnium, will be astonished at the first view of the walls of Cosa. Nay, he who is no stranger to this style of masonry, will be surprised to see it on this spot, so remote from the district which seems its peculiar locality. He will behold in these walls immense blocks of stone, irregular polygons in form, not bound together with cement, yet fitted with so admirable nicety, that the joints are mere lines, into which he might often in vain attempt to insert a penknife: the surface smooth as a billiard-table; and the whole resembling, at a little distance, a freshly plastered wall, scratched over with strange diagrams.

--- George Dennis, The Cities and Cemeteries of Etruria, London, 1848


সেগনি





প্রাচীন সিগনিয়ার দুর্গ বর্তনী অংশ যা প্রাচীর বহুভুজ চুনাপাথর ব্লকের নির্মিত।

অ্যালবা ফিউসেন্স









Ages before the Romans existed, the fair land of Italy was inhabited by nations who have left indestructible monuments as the only records of their history. Those wonderful cities of early Italy which have been termed Cyclopean, are thickly scattered throughout certain districts, and are often perched like eagles’ nests, on the very crests of mountains, at such an elevation as to strike amazement into the traveler who now visits them, and to bewilder him with speculations as to the state of society which could have driven men to such scarcely accessible spots for habitation, and to entrench themselves therein with such stupendous fortifications.

--- Louisa Caroline Tuthill, History of Architecture, 1848


কসা







তুস্কানি ইতালির মধ্যে রোমান উপনিবেশ থেকে বহুভুজ গাঁথনির চুনাপাথরে তৈরি দুর্গ দেয়াল।





There were Giants in the earth in those days.

--- Genesis 6-4

প্রতিটি ব্লকের ওজন কয়েক টনের সমান হবে। যা সাধারন মানুষের পক্ষে উত্তোলন করা সম্ভব নয়। তাহলে কি সত্যিই জায়ান্টদের অস্তিত্ব ছিল যা বর্তমান বিজ্ঞান স্বীকার করেনা? আসলেই কি সাধারণ মানুষের পক্ষে এত উচ্চতায় কয়েক টন ওজনের পাথর উঠানো সম্ভব ছিল? নাকি জায়ান্টদের কাজ? কেন এত বড় পাথর ব্যবহার করা হল? নাকি তাদের কাছে পাথরগুলো স্বাভাবিক আকৃতির ছিল?

এখানে জায়ান্ট বা অসুর মানব সম্পর্কিত কোরআনের কিছু আয়াত উল্ল্যেখ করছি;

তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, আমার আনুগত্য কর। ভয় কর তাকে যিনি তোমাদেরকে দিয়েছে সেই সমুদয় বস্তুসমূহ যা তোমরা জান। তোমাদেরকে দিয়েছেন চতুষ্পদ জন্তু ও সন্তান-সন্ততি। এবং উদ্যান (জান্নাত) ও ঝর্ণাধারা।

--- সূরা শুআ’রা - ১৩১-১৩৪

এবং যাদেরকে আমি দিয়েছিলাম পার্থিব জীবনে প্রচুর ভোগ-সম্ভার।

--- সূরা মু’মিনুন - ৩৩

আল্লাহ তোমাদেরকে তাদের স্থলাভিষিক্ত করেছেন এবং তোমাদের আকার-আকৃতি অন্যদের অপেক্ষা শক্তিতে অধিকতর সমৃদ্ধ করেছেন। সুতরাং তোমরা আল্লাহর অনুগ্রহ স্মরণ কর, হয়তো তোমরা সফলকাম হবে।

--- সূরা ‘আরাফ - ৬৯

আমি তাদেরকে যা দিয়েছিলাম তোমাদেরকে তা দেইনি।

--- সূরা আহক্বাফ - ২৬

তারা কি ভেবে দেখেনি যে আমি তাদের পূর্বে বহু সম্প্রদায়কে ধ্বংস করে দিয়েছি, যাদেরকে দুনিয়ায় এমন শক্তি, সামর্থ্য ও প্রতিপত্তি দিয়েছিলাম, যা তোমাদেরকে দেইনি।

--- সূরা আন’আম - ৬

তোমরা কি প্রতিটি উচ্চ স্থানে স্মৃতি স্তম্ভ নির্মান করেছ নিরর্থক? আর তোমরা প্রাসাদ নির্মান করেছ এই মনে করে যে, তোমরা চিরস্থায়ী হবে।

--- সূরা শুআ’রা - ২৬-১২৮-১২৯

তুমি কি দেখো নি তোমার প্রতিপালক কি করেছিলেন আ'দ জাতির সাথে। ইরাম গোত্রের প্রতি যারা সুউচ্চ স্তম্ভের অধিকারী ছিল? যার সমতুল্য অন্য কোন নগরে সৃষ্টি করা হয়নি, এবং সামূদের সাথে? যারা উপত্যকার পাথর কেটে গৃহ নির্মাণ করেছিল?

--- সূরা ফাজর - ৬-৯

জায়ান্টদের অস্তিত্বের প্রমান স্বরূপ কিছু পত্রিকার অংশবিশেষ









জায়ান্ট বা দৈত্য আকৃতির মানুষ কিংবা অসুর মানব যাই বলি না কেন বহু তথ্য, উপাত্ত আর তাদের অস্তিত্বে বিশ্বাস করার মতো যুক্তি থাকার পরেও ইতিহাসবিদ ও বর্তমান বিজ্ঞান সচেতনভাবে এটা এড়িয়ে চলেছেন। যার কোন গোছানো উত্তর এখন পর্যন্ত গবেষকদের কাছে নাই। আমরা অসুর মানবের কথা ভাবতেও পারি না। কারন হয়তবা এসবে বিশ্বাস করলে বর্তমান কালের ইহূদীবাদকে অনেক প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে। ডারউইনবাদ মুখ থুবরে পড়বে, ইসলাম ধর্ম প্রাধান্য পাবে, নাস্তিক্য হুমকীর সম্মুখিন হবে। যদি বামন মানুষ সম্ভব হয় তাহলে অবশ্যই অসুর মানবের অস্তিত্বও সম্ভব।



জায়ান্ট বা অসুর মানব সম্পর্কিত ব্লগার মধুমিতাপ্রাচীন মিশরের পিরামিড তৈরির ভিন্নধর্মী কেচ্ছা কাহিনী এই পোস্টটিও প্রমান স্বরূপ যথেষ্ট।

উৎসর্গঃ ব্লগার *কুনোব্যাঙ*



সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে মে, ২০১৫ রাত ১১:৩৮
৫২টি মন্তব্য ৫২টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

চিলেকোঠার প্রেম- ১৩

লিখেছেন কবিতা পড়ার প্রহর, ২৭ শে অক্টোবর, ২০২০ বিকাল ৪:২৫


দিন দিন শুভ্র যেন পরম নিশ্চিন্ত হয়ে পড়ছে। পরীক্ষা শেষ। পড়ালেখাও নেই, চাকুরীও নেই আর চাকুরীর জন্য তাড়াও নেই তার মাঝে। যদি বলি শুভ্র কি করবে এবার? সে বলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

নগ্ন দেহের অপূর্ব সৌন্দর্যতা বুঝেন না! বলাৎকার বুঝেন?

লিখেছেন মুজিব রহমান, ২৭ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ৮:৩৫


শৈল্পিক প্রকাশের সর্বোচ্চ রূপ হিসেবে বিবেচনা করা হয় নগ্নতাকে৷ ইউরোপে অন্ধকার যুগ কাটিয়ে রেনেসাঁ নিয়ে এসেছিল আধুনিক ও সভ্য ইউরোপ৷ রেনেসাঁ যুগের শিল্পীরা দেদারছেই এঁকেছেন শৈল্পিক নগ্ন ছবি৷... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নবীকে ব্যঙ্গ করার সঠিক শাস্তি সে ফরাসি শিক্ষক কি পেয়েছে?

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ২৭ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ৯:৫৩



গত কয়েকদিন আগে ফ্রান্সে কি হয়েছিল? একজন শিক্ষক ক্লাসে আমাদের নবীর ব্যঙ্গচিত্র দেখিয়েছিলেন, বলা হয়েছিল তার উদ্দেশ্যে ছিল বাকস্বাধীনতা ও ব্যক্তিস্বাধীনতার বিষয়ে বুঝানো। এটার পর এক মুসলিম যুবক তার ধর্মীয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবি ও পাঠক

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২৭ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ১১:৩১

কবিদের কাজ কবিরা করেন
কবিতা লেখেন তাই
ভেতরে হয়ত মানিক রতন
কিবা ধুলোবালিছাই

জহু্রি চেনেন জহর, তেমনি
সোনার পাঠক হলে
ধুলোবালিছাই ছড়ানো পথেও
মাটি ফুঁড়ে সোনা ফলে।

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০

***

স্বরচিত কবিতাটির ছন্দ-বিশ্লেষণ

শুরুতেই সংক্ষেপে ছন্দের প্রকারভেদ জেনে নিই। ছন্দ... ...বাকিটুকু পড়ুন

হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) এর প্রিয় খাবার সমূহ

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৮ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ৩:৩৪



আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)।
প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) যেসব খাবার গ্রহণ করেছেন, তা ছিল সর্বোচ্চ স্বাস্থ্যসম্মত ও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। নবীজি (সা.) মোরগ, লাউ, জলপাই, সামুদ্রিক মাছ,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×