খুব বেশি সৃজনশীল চিন্তা থেকে এ বিষয় মাথায় এসেছে তা নয়। কিছুটা নিজেকে নিজে আয়নাতে দেখে ,কিছুটা সামাজিক পরিস্থিতিকে দেখা উপলব্ধি থেকে।আমি বেশি কিছুদিন আগে পুর্ণিমা রাতে উপলব্ধি করলাম চাঁদ দেখতে আমি সত্যিই ভুলেছি। গ্রামে গিয়ে বুঝলাম আঁকাবাঁকা মেঠ পথে অনেকদিন হাটা হয়নি আমার। আমি বোধ হয় খুব বেশি যান্ত্রিকই হয়ে গেছি। প্রযুক্তিগত উৎকর্ষের যুগে এসে মানুষ ক্রমাগত সম্মিলিত হচ্ছে অন্তর্জাল বা ইন্টারনেটের ছায়াতলে। আমিও তার ব্যাতিক্রম নয় তবে সেটা বড্ড বেশিই ভয়াবহ রূপ নিয়ে ফেলেছে। এটা আমার নিজের সমস্যা না রিতীমত আমাদের সামাজিক সমস্যাতেই পরিনত হয়ে উঠেছে। আমাদের নিত্তকার সামাজিক সম্পর্কগুলো এখন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেই সীমাবদ্ধ হয়ে আছে সেগুলো প্রকৃতপক্ষে আর মানবিক সম্পর্ক নেই। সেগুলো অমানবিকতার চরম পর্যায় স্পর্শ করার পাশাপাশি শিল্প সাঙ্গস্কৃতিক বিকাশের প্রতিবন্ধকতা হিসেবে কাজ করছে। যার ফলে মানুষ আজ আমার মতই চাঁদ দেখতে ভুলছে। আঁকাবাঁকা মেঠপথে হাটতেও ভুলে যাচ্ছে। আমারা এতো বেশি এসব মাধ্যমে আসক্ত এবং এতো বেশি সামাজিক যোগাযোগ রক্ষা করছি যে আমাদের খুব কাছের হৃদয়ের অন্তরস্থ মানুষের সাথে যোগাযোগ দুর্বল হয়ে পড়ছে। আজকের সম্পর্কগুলোর টানপোড়োন মানুষের মুলযবোধের অবক্ষয় সব কিছুর জন্যই দায়ী এই যান্ত্রিকতা। মুক্তির উপায় দূরে নয় আমাদের কাছেই আছে।এক্টু গভীরে গিয়ে ভাবতে হবে শুধু । পরিশেষে বলতে চাই,
“যান্ত্রিকতা ফেরত নাও আরণ্যক ফেরত দাও”
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে আগস্ট, ২০১৬ সকাল ১০:০৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




