পূর্বেও বলেছি, এখনও বলছি, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আগমনের বিরুদ্ধে আন্দোলনের কোন লজিক্যাল গ্রাউন্ড খুঁজে পাচ্ছি না।
সেক্ষেত্রে প্রশ্ন আসে, এই অহেতুক আন্দোলনের মানে কি?
১ম সিনারিও, সরকার আন্দোলনের দাবী মেনে মোদীর হাতে পায়ে ধরে ফিরিয়ে দিল (কূটনৈতিক শিষ্টাচারের মায়্রে বাপ)। আলীর ইঞ্জতের ১২ টা বাজি গেল, এর পরে সামান্য ঝাকিতেই আলী ক্ষমতাচ্যুত, আর হেফাজত পরবর্তী ঝাকি দেয়ার প্রস্তুতি নিবে।
পুরাই গেইন হেফাজত ও সংশ্লিষ্টদের, আর পুরাই "" মারা সারা ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের।
২য় সিনারিও, সরকার আন্দোলনে দমন করতে কোমল, নরম ও কঠোর পদক্ষেপ নিল, ফলস্বরূপ, বেশ কিছু মানুষ মারা গেল, বেশ সংখ্যক মানুষ হতাহত হল, আর যেহেতু ধর্মের ট্রাম্প কার্ড খেলা হয়েছে, স্বভাবতই হেফাজত সাধারণ মুসলমানদের সহানুভূতি অর্জন করবে, কিছু মানুষ, নিহত ও হতাহত হওয়ায় সহানুভূতি আরও বেশী কাজ করবে। যে সকল মানুষ মারা যাবে, ও হতাহত হবে তারা ও তাদের পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ইসলাম বিদ্বেষী হিসেবে আলীর ইমেজ সুদৃঢ় হবে ও ইমেজ মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হবে (যদিও এদেশে ইসলাম এর জন্য আলী অনেক কিছুই করেছে, সর্বশেষ প্রতি থানায় মডেল মসজিদ, এবং এই মডেল মসজিদ থেকেই আলীর পতনের ডাক দেয়া হবে)।
অর্থাৎ, এখানেও হেফাজতের পুরাই গেইন, লুজার আল্টিমেটলি আলী।
আচ্ছা, এই আন্দোলন প্রোগ্রামে হেফাজতের কোলেটারেল ড্যামেজ কত?
আন্দোলনকারী ছাত্ররা জাস্ট হুকুমের গোলাম, বাড়তি কোনও খরচ নাই, আন্দোলনকারীদের একসাথে করতে খুব একটা বেগ পেতে হচ্ছে না, সকল ছাত্র শিক্ষকই আবাসিক, এদের পিছনে বিনিয়োগ তো করতেই হচ্ছে না, বরং এদের থেকে আয় হচ্ছে, এককথায় সোনার ডিমপাড়া রাজহাস। আর ক্ষতি হচ্ছে মাত্র কয়েকটি মৃত্যু ও কয়েকজন হতাহত।
কোলেটারেল ক্ষয়ক্ষতি আসলেই যতসামান্য।
আর আলীর ক্ষতি, সে আপনারাই ভেবে নিন।
শেষ কথা বলছি, আলী এটা ডিজার্ভ করে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




