গত কাল আমি খুব টেনশন এ ছিলাম, যদিও গতকাল ছিল শুক্রবার, পবিত্র জুমআর দিন।
আর জুমার দিন ছিল বলেই আমার দুশ্চিন্তা আরও বেশী ছিল; আপনাদের নিশ্চয়ই গত জুম্মার কথা মনে আছে।
ঐদিন, জুম্মার নামাজ শেষে এদেশের ধর্মপ্রাণ মুমিনগণ কোরান অবমাননার অভিযোগে সারা দেশজুড়ে সনাতন ধর্মালম্বীদের মন্দির, বাড়িঘর ও দোকানপাটে হামলা করেছে, তাদের হাতে প্রান খুইয়েছে কয়েকজন হিন্দু (তারা সম্ভবত পূর্ণ মানুষ না)। সনাতন ধর্মালম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব পরিনত হয়েছে শোক, আতংক আর বিভীষিকাময়। দেশব্যাপী এ সহিংসতায় হয়েছে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি। আর সারাদেশব্যপী এ সহিংসতা নিয়ন্ত্রণে সরকার, তার প্রশাসন ও গোয়েন্দা বাহিনী চরম ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।
এর ই মাঝে গত সপ্তাহে পত্রিকা মারফত জানতে পারলাম, কোরান অবমাননাকারী ইকবাল হোসেন, এমনকি তার ছবি এবং পরিবারের পরিচয় ও অবস্থান ও প্রকাশ পেয়ে গেল।
আমি বড়ই উদ্বিগ্ন ছিলাম, গতকাল জুম্মার নামাজের পরে না আবার কুরান অবমাননাকারী ইকবালের বাসায় হামলা করে, তার পাড়ায় হামলা করে, তার শহরে হামলা করে বসে, সে পবিত্র কোরান হনুমানের পায়ের উপর রাখার পূর্বে যেসকল মসজিদের ইমামের সাথে কথা বলেছে, তাদের উপর না সাধারণ মুসল্লীরা হামলা করে বসে।
এই নাদান মুমিনেরা আবার কার না কার বাসায় হামলা করে বসে, উত্তেজনার বশে এরা কিনা আবার ভিন্ন তরিকার মুসলমানদের ঘরবাড়ি, মাদ্রাসা ও মসজিদে হামলা করে বসে, সেখানে ই না এরা আবার কুরান পোড়ায়, অবমাননা করে। (৫ ই মে বায়তুল মোকাদ্দেস এর সামনে ও ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় আহলে হাদীসের মসজিদ ও মাদ্রাসা ভাংচুর)
সরকার গত সপ্তাহের ন্যয় এ বারে ও ব্যর্থ হতে পারে।
গত রাত অবধি আমি কোনও সংবাদ পাইনি, কোথাও না, কোনও সংবাদপত্র, টিভি এমনকি ফেসবুকে ও।
আমি এ নিয়ে বড়ই পেরেশানিতে আছি।
মহান আল্লাহ রব্বুল আলামিনের দোহাই, নবীজীর দোহাই, পবিত্র কোরানপাকের দোহাই, আপনারা সঠিক সংবাদ দিয়ে আমাকে ভারমুক্ত করুন।
এ দুশ্চিন্তায় আমি ক্লান্ত হয়ে গেছি, সমস্যা হয় আমার, খুব সমস্যা, টেনশন নিতে পারি না,
মানে বেশী দুশ্চিন্তা করলে আমার আবার ঘুম ভাল হয়, গভীর হয়, দুশ্চিন্তায় আমার এখনও ঘুম পাচ্ছে (হাই)।
আর তাই মারাত্মক রকম দুশ্চিন্তায় গত রাতে আমি মরার মত ঘুমাইছি।
https://www.google.com/amp/s/www.bbc.com/bengali/news-55020008.amp

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




