সেই মধ্যযুগ থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত হাজার হাজার পীর-আউলিয়াদের পদভারে ভারী হয়েছে এ দেশের মাটি। সৎ-ধার্মিক-সমাজসেবী থেকে শুরু করে ভন্ড-টাউট-বাটপার বিভিন্ন শ্রেনীর পীর রয়েছে এদের মধ্যে। অবশ্য বর্তমান সময়ের পীর দাবিদারদের মধ্যে ভন্ডদের পরিমান আশংকাজনক ভাবে বেশী।
গীবত বা পরনিন্দা করা কঠিন অপরাধ শরিয়তের দৃষ্টিতে। কিন্তু সামষ্টিক উপকারার্থে এ গীবত জায়েজ। যেমন - সহজ সরল সাধারন এক মুসলমান (সাধারন ক্ষেত্রে এদের শিক্ষার মান খুবই কম থাকে) পীরের কাছে যায় আল্লাহকে পাওয়ার আশায়। সেই পীরই যদি হয় ভন্ড বা মুনাফেক বা আল্লাহর আদেশ লংঘনকারী (সরাসরি বা পরোক্ষ ভাবে), তাহলে সে ভন্ড পীরের কারনে ঐ সাধারন মুসলমানের বিশ্বাসের ক্ষতি সাধন হবে। একজন ভন্ড পীর থেকে সাধারন মুসলমানকে রা করা সকল মুসলমানের কর্তব্য। এ ক্ষেত্রে সমষ্টিগত উপকারের প্রয়োজনে ভন্ড পীরদের মুখোশ উম্মোচিত করা অবশ্য কর্তব্য।
এ ব্যাপারে মন্তব্য আহবান করছি (পক্ষে বা বিপক্ষে) ধর্ম সচেতন ব্লগারদের কাছ থেকে। এর উপরই নির্ভর করবে এ সিরিজের পরবর্তী পোস্ট সমুহের ভবিষ্যত।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জুলাই, ২০০৬ দুপুর ১:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




