কৃষ্ণচূড়া, রাঁধাচূড়া আর জারুলের মাস - এপ্রিল মাস
এপ্রিল মাস প্রায় শেষ। আজকে অফিস থেকে বাসায় ফিরতে ফিরতেই হঠাৎ করেই চমকে উঠলাম। আরে এপ্রিল মাস চলে যাচ্ছে ............. এ মাসটায় ক্যাম্পাস দেখার জন্য আমি কত আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করি !!! সেই মাসটা চলে যাচ্ছে আর আমি একদিনও ক্যাম্পাসে গিয়ে বসিনি !!! কীভাবে এটা সম্ভব হয়েছে জানি না। তবে এটাই হয়েছে।
কতদিন এই সময়টা কেটেছে ক্যাম্পাসের রাস্তায় ঘুরে ঘুরে, লাল-হলুদ-মেজেন্ডা রঙ এর কম্বিনেশন দেখতে দেখতে। আর উদার গলায় সেই গানের প্রথম কলিটা শুনতে শুনতে........................
"কৃষ্ণচূড়া লাল হয়েছে ফুলে ফুলে, তুমি আসবে বলে......."
কতদিন সেই গান শুনি না, উদ্দেশ্যহীনভাবে হাঁটা হয় না কতদিন। রাস্তায় কৃষ্ণচূড়া আর জারুল দেখলে আজকাল একটা র্দীঘশ্বাস বের হয়ে আসে, বুকের খুব গভীর থেকে সমস্ত আবেগ নিংরে বের হয়ে আসে হাহাকার। সেই হাহাকার নিয়ে নিজেই গুমরে মরি, কেন সে দিনগুলা এমনি চলে যায়। কেন, কেন , কেন ??? চলেই যদি যায় তাহলে তার জন্য এমন হাহাকার কেন রেখে যায় ??? হাহাকারটাও নিয়ে যাক।
যে ক্যাম্পাসটা ছিলো আমার অতি আপনার আপন আর কাছে একজন আজকে সে কতো দূরের। একদিন ক্যাম্পাসে যাবো না !!! এই চিন্তাটা একসময় রীতিমতো কষ্ট দিত। নিজের ছোট ঘরটা ছাড়া ক্যাম্পাসের মতো আপন জায়গা আমি আজও খুঁজে পাইনি। নীলক্ষেত মোড় বা কার্জন হল বা বাংলা বাজার বা শাহবাগ বা পলাশী- যেদিক দিয়েই আমি ক্যাম্পাসে ঢুকি না কেন, অদ্ভুত একটা প্রশান্তি এসে ভরে দেয় মনটা। তাইতো বলতাম ক্যাম্পাসটা হলো আমার সেকেন্ড হোম। শুধুমাত্র ক্যাম্পাসে যাওয়ার জন্য আমি সাপ্তাহের শুক্রবারটাকেও বাদ দিতে রাজি ছিলাম।
মাস্টার'স পরীক্ষার পর ক্যাম্পাসে যাওয়াটাও আস্তে আস্তে কমে যাচ্ছিলো। বন্ধুরা সবাই-ই নানা কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়লো, হলের বাসিন্দা যারা ছিলো তারা হল ছেড়ে দিলো। সবারই টানটা কমে আসলো। শুধু আমিই পারলাম না। তখনও ছোট একটা কাজের জন্য বা ছবি কপি করানোর জন্য বা ফোটকপি করার জন্য একাই ছুটতাম নীলক্ষেতে- শুধু একটা উদ্দেশ্যই, নীলক্ষেতে গেলে তো ক্যাম্পাসটায় যাওয়া যাবে। এটা নিয়ে কথাও কম শুনতে হয়নি। তারপরও যাওয়াটা বন্ধ করতে পারি নি। আজও নানা কাজের ফাঁকে, নানা রকম দায়-দায়িত্বের বোঝা এক পাশে সরিয়ে কোন না কোনভাবে চেষ্টা করি সপ্তাহের একটা দিন একটু ক্যাম্পাসে যাওয়ার। তাও আর সেইরকম করে সময় পাই না। ক্যাম্পাসের প্রতিটা জায়গা এক একটা মধুর স্মৃতি নিয়ে আজো দাড়িয়ে। আমি একটু গিয়ে সেই স্মৃতি রোম্থন করবো তার সময়ও আমার নেই। এটাই বোধ হয় সময়ের নিষ্ঠুর বাস্তবতা।
“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমাদের গ্রামের গল্প!

আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?
ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন
ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই
আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।
তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন
১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে
আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।